এ কে ফজলুল হক ১৮৭৩ সালে বর্তমান বরিশাল জেলাল বাকেরগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলার অবহেলিত কৃষক ও প্রজাদের কল্যাণের জন্য তিনি ১৯৩৫ সালে কৃষক-প্রজা পার্টি গঠন করেন। তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। সেসময় এদেশে জমিদারি প্রথা প্রচলিত ছিল। - দেশের বেশিরভাগ জমির মালিক ছিল কিছু জমিদার। আর বাকি সবাই ছিল প্রজা। শেরে বাংলা এই জমিদারি প্রথা বাতিল করে কৃষকের দুঃখ দূর করার চেষ্টা করেন। মহাজনদের ঋণের অত্যাচার থেকে কৃষকদের বাঁচানোর জন্য ঋণ সালিশি বোর্ড গঠন করেন। এদেশের মানুষের শিক্ষার জন্য তিনি অসামান্য - অবদান রেখেছিলেন। ১৯২৪ সালে বাংলার শিক্ষামন্ত্রী হয়েছিলেন। তখন শিক্ষাসংক্রান্ত অবকাঠামো সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তিনি বহু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। দুর্দশাগ্রস্ত ও অতি দরিদ্রদের সাহায্য করতে তিনি ছিলেন উদার। তাঁর উদার ও পরোপকারী স্বভাবের জন্য জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলেই তাঁকে গভীরভাবে ভালোবাসত ও শ্রদ্ধা করত।
Related Question
View Allশেরে বাংলাকে বাংলার বাঘ বলা হতো।
এ কে ফজলুল হক বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।
এ কে ফজলুল হক আইন পেশায় কর্মজীবন শুরু করেন।
১৯১৬ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত শেরে বাংলা ছিলেন সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের সভাপতি।
এ কে ফজলুল হক ১৯৩৫ সালে কৃষক-প্রজা পার্টি গঠন করে।
এ কে ফজলুল হক ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!