ঐতিহাসিক ৬ দফার প্রবক্তা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পূর্ব বাংলার জনগণের প্রতি পাকিস্তান রাষ্ট্রের চরম বৈষম্যমূলক আচরণ ও অবহেলার বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম গভীর ও সুস্পষ্ট রূপ লাভ করে ৬ দফার স্বায়ত্তশাসনের দাবিনামায়। ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলসমূহের এক সম্মেলনে যোগদান করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান। সেখানে তিনি সংবাদ সম্মেলন করে পূর্ব পাকিস্থানের জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য ৬ দফা দাবি তুলে ধরেন।
Related Question
View Allপাকিস্তানের শোষণ থেকে মুক্ত হওয়ার লড়াইকে স্বীকার করাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। পাকিস্তানি শাসকদের ১৯৭১ সালের ভূমিকার জন্য ঘৃণা করার নামই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। এই সবুজের বুকে লাল সূর্যের পতাকার রঙ বুকে ধারণ করে পতাকাকে ভালোবেসে এর মান সমুন্নত রাখার শপথের নামই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত ১২টার পর অর্থাৎ ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল এবং ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। আর সেটি সংবিধানের সপ্তম তফসিলে সন্নিবেশিত হয়েছে।
যুক্তফ্রন্ট বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ন্যাপ (গণি), ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি), বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিএলডিপি), লেবার পার্টির একাংশ -এ পাঁচটি দল নিয়ে গঠিত একটি জোট।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!