ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন আমাদের অতীত ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করে। এর মাধ্যমে দেশের অতীত ইতিহাস জানা যায়। এ স্থানগুলো ও নিদর্শন একটি জাতির আত্মপরিচয় সংরক্ষণ করে এবং ইতিহাসের বাহক হিসেবে কাজ করে। এগুলোর স্থাপত্যশৈলী দেশে গড়ে ওঠা অতীত সভ্যতার নিদর্শন ও উন্নত নির্মাণশৈলীর পরিচায়ক হিসেবে কাজ করে। সংস্কৃতির অংশ হিসেবে মানুষের জীবনধারার পরিচয় বহন করে ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন। তাছাড়া এ স্থান ও নিদর্শনগুলো শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে অতীতের সাথে বর্তমানের তুলনা করতে শেখায়।
তাই আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অতীত ইতিহাসকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে জানানোর জন্য ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন সংরক্ষণের গুরুত্ব অপরিসীম।
Related Question
View Allমহাস্থানগড় বাংলার ইতিহাসে ১৮ শত বছরের বেশি সময়ের সাক্ষ্য বহন করে।
মৌর্য আমালে মহাস্থানগড় পুণ্ড্রনগর নামে পরিচিত ছিল।
মহাস্থানগড় উত্তর-দক্ষিণে ১৫০০ মিটার এর পূর্ব পশ্চিমে ১৪০০ মিটার বিস্তৃত।
মহাস্থানগড়ে প্রাচীন ব্রাহ্মী শিলালিপি পাওয়া গেছে।
নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলায় উয়ারী-বটেশ্বর গ্রাম।
উয়ারী-বটেশ্বর খ্রিষ্টপূর্ব ৪৫০ অব্দের মৌর্য আমলের পূর্বের নিদর্শন পাওয়া গেছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!