ওরা চল্লিশ জন কিম্বা আরও বেশি

যারা প্রাণ দিয়েছে ওখানে রমনার রৌদ্রদগ্ধ

         কৃষ্ণচূড়া গাছের তলায়

ভাষার জন্য, মাতৃভাষার জন্য, বাংলার জন্য

             যারা প্রাণ দিয়েছে ওখানে

একটি দেশের মহান সংস্কৃতির মর্যাদার জন্য...

সেইসব মৃত্যুর নামে

আমি ফাঁসির দাবি করছি

যারা আমার মাতৃভাষাকে নির্বাসন দিতে

         চেয়েছে তাদের জন্য

          আমি ফাঁসি দাবি করছি।

হে আমার মৃত ভায়েরা...

তোমাদের আশা অগ্নিশিখার মতো জ্বলবে

প্রতিশোধ ও বিজয়ের আনন্দে।'

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় আমাদের চেতনার রং একুশের কৃষ্ণচূড়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

এখানে মূলত ভাষা শহিদদের বাঙালি জাতিসত্তার প্রাণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় দেশপ্রেম, গণজাগরণ ও বাঙালি জাতির সংগ্রামী চেতনার চিত্র ফুটে উঠেছে। আলোচ্য কবিতায় কবির কাছে মনে হয়েছে ভাষা শহিদদের রক্তের বুদ্বুদ কৃষ্ণচূড়া ফুল হয়ে শহরের পথে পথে ফুটে আছে। কৃষ্ণচূড়ার লাল রং যে বাঙালি জাতির চেতনার রং। ভাষার জন্য যাঁরা প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন সেই বীরের রক্তে, সন্তানহারা মায়ের চোখের জলে যে চেতনাদীপ্ত ফুল ফোটে তা কবির কাছে প্রাণস্বরূপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

সংগ্রামী চেতনার দিক থেকে উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
১৯৬৯ সালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ববঙ্গে যে গণ আন্দোলন সূচিত হয়েছিল, 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি সেই গণজাগরণের পটভূমিতে রচিত। দেশকে ভালোবেসে মানুষের আত্মদান ও আত্মাহুতির প্রেরণা এ কবিতায় কবি গভীর মমতা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে তুলে ধরেছেন। কবিতাটিতে একুশের রক্তঝরা দিনগুলোতে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এদেশের সংগ্রামী মানুষের আত্মাহুতির মাহাত্ম্যে প্রগাঢ়তা লাভ করেছে।
উদ্দীপকের কবিতাংশে আমাদের মাতৃভাষা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার আন্দোলনে আত্মদানকারী শহিদগণের কথা ফুটে উঠেছে। তাঁরা সংখ্যায় চল্লিশজন বা তারও বেশি বলে কবি দাবি করেছেন। তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী, যারা মূলত এহেন হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী, তাদের বিচার চেয়েছেন কবি। শহিদদের চেতনা চিরজাগ্রত বলেও কবি ঘোষণা করেন। এই সংগ্রামী চেতনাই যেন সংক্রমিত হয়েছে ১৯৬৯-এ এসে। 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় যে গণজাগরণ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, তার প্রেরণা ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকেই পাওয়া। এদিক থেকে উদ্দীপকটি আলোচ্য কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের-কবিতাংশ এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় মূলত একই জাতীয়তাবাদী চেতনা এবং সংগ্রামী মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে বলে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটিতে ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানের চিত্র ফুটে উঠলেও তা যেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিকতা মাত্র। কবির বর্ণনা মতে, জাতিগত শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে এদেশের সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে ১৯৬৯-এ। প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জ, হাটবাজার, কলকারখানা, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অসংখ্য মানুষ জড়ো হয় ঢাকার রাজপথে। মূলত ১৯৫২ সালে প্রাপ্ত জাতীয়তাবাদী চেতনাই এই আন্দোলনের মূল নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছিল।
উদ্দীপকের কবিতাংশে ভাষা ও সংস্কৃতির জন্য আত্মদানকারী শহিদদের কথা, বর্ণিত হয়েছে। বাংলা ভাষা ও বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার আন্দোলনে ৪০ জন বা তারও বেশি মানুষকে হত্যা করেছে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী। শহিদরা জীবন দিয়ে যে সংগ্রামের বীজ বপন করে গিয়েছেন, তা সমগ্র বাঙালি অন্তরে ধারণ করেছে। ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানের পটভূমিতে লেখা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটিও সেই একই চেতনার বিচ্ছুরণ। এ কারণে ফেব্রুয়ারি এলেই যেন বাঙালি উজ্জীবিত হয়ে ওঠে।
উদ্দীপক ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত সময়কাল ভিন্ন হলেও উভয়ক্ষেত্রে একই চেতনা কাজ করেছে। উভয় স্থানেই বাঙালির দুর্মর সংগ্রামী চেতনার স্ফুরণ ঘটেছে এবং তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সঞ্চারিত হচ্ছে। আর তাই ফেব্রুয়ারি মাস এলেই' বাঙালি স্বাধিকার চেতনায় উজ্জীবিত হয়। কেননা ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই বাঙালির মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনার জাগরণ ঘটে আর, এ চেতনাই ১৯৬৯ এর গণ অভ্যুত্থানসহ সব আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা রাখে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের সংগ্রামী চেতনা এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার শিল্পরূপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
15

আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে 

কেমন নিবিড় হয়ে । কখনো মিছিলে কখনো-বা

 একা হেঁটে যেতে যেতে মনে হয়-ফুল নয়, 

ওরা শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর । 

একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রংকে

এ-রঙের বিপরীত আছে অন্য রং, 

যে-রং লাগে না ভালো চোখে, যে-রং সন্ত্রাস আনে 

প্রাত্যহিকতায় আমাদের মনে সকাল-সন্ধ্যায়- 

এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট, সারা দেশ 

ঘাতকের অশুভ আস্তানা ।

আমি আর আমার মতোই বহু লোক

রাত্রি-দিন ভূলুণ্ঠিত ঘাতকের আস্তানায়, কেউ মরা, আধমরা কেউ, 

কেউ বা ভীষণ জেদি, দারুণ বিপ্লবে ফেটে পড়া । চতুর্দিকে

মানবিক বাগান, কমলবন হচ্ছে তছনছ

বুঝি তাই উনিশশো উনসত্তরেও

আবার সালাম নামে রাজপথে, শূন্যে তোলে ফ্ল্যাগ,

বরকত বুক পাতে ঘাতকের থাবার সম্মুখে।

সালামের চোখ আজ আলোচিত ঢাকা,

সালামের মুখ আজ তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলা ।

দেখলাম রাজপথে, দেখলাম আমরা সবাই

জনসাধারণ

দেখলাম সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো মতো *

ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা |

আর বরকত বলে গাঢ় উচ্চারণে

এখনো বীরের রক্তে দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে

ফোটে ফুল বাস্তবের বিশাল চত্বরে

হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকায় । সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ,

 শিহরিত ক্ষণে ক্ষণে আনন্দের রৌদ্রে আর দুঃখের ছায়ায় । [সংক্ষেপিত]

Related Question

View All
183
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews