ওহমের সূত্রটি লিখে ব্যাখ্যা করো। (অনুধাবন)

Updated: 2 months ago
ওহমের সূত্র (Ohm's Law) হলো বিদ্যুৎ পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট, বিভব পার্থক্য (ভোল্টেজ) এবং রোধের মধ্যাকার সম্পর্কের মূলনীতি। সূত্রানুযায়ী, স্থির তাপমাত্রায় কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট ওই পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক, অর্থাৎ V = IR ।১৮২৬ সালে জর্জ সাইমন ওহম এটি প্রবর্তন করেন ।
উত্তরঃ

ওহমের সূত্র (Ohm's Law) হলো বিদ্যুৎ পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট, বিভব পার্থক্য (ভোল্টেজ) এবং রোধের মধ্যাকার সম্পর্কের মূলনীতি। সূত্রানুযায়ী, স্থির তাপমাত্রায় কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট ওই পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক, অর্থাৎ V = IR ।১৮২৬ সালে জর্জ সাইমন ওহম এটি প্রবর্তন করেন । 

ওহমের সূত্রের মূল বিষয়সমূহ: 

সূত্র: V = IR

ভোল্টেজ (V): ভোল্ট (Volt) এককে পরিমাপ করা হয়।

কারেন্ট (I): অ্যাম্পিয়ার (Ampere) এককে পরিমাপ করা হয়। 

রোধ (R): ওহম (Ω) এককে পরিমাপ করা হয়। 

শর্ত: তাপমাত্রা এবং অন্যান্য ভৌত অবস্থা অপরিবর্তিত থাকতে হবে। 

সূত্রের ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ: 

১. V = IR: বিভব পার্থক্য বা ভোল্টেজ বের করতে। 

২. I = VIR: কারেন্টের মান বের করতে। 

৩. R = VII: পরিবাহীর রোধ বের করতে। 

 এর মানে হলো, রোধ স্থির থাকলে ভোল্টেজ বাড়লে কারেন্ট বাড়ে এবং ভোল্টেজ কমলে কারেন্ট কমে।

464

ইলেকট্রিসিটি বা চলবিদ্যুৎ ছাড়া আজকাল এক মুহূর্তও আমাদের জীবন ঠিকভাবে চলতে পারে না। আমাদের চারপাশের সব ধরনের যন্ত্রপাতি বা সাজ সরঞ্জাম চালানোর জন্য আমাদের ইলেকট্রিসিটির দরকার হয়। আগের অধ্যায়ে আমরা যে স্থির বিদ্যুতের কথা বলেছি সেই স্থির বিদ্যুৎ বা চার্জগুলো যখন কোনো পরিবাহকের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয় আমরা সেটাকেই চলবিদ্যুৎ বা ইলেকট্রিসিটি বলি। এই অধ্যায়ে এই চলবিদ্যুৎকে ব্যাখ্যা করার জন্য প্রয়োজনীয় রাশিগুলো বর্ণনা করব এবং যে নিয়মে চলবিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় সেগুলো জেনে নেব। এই নিয়মগুলো ব্যবহার করে কীভাবে একটা সার্কিটে বিদ্যুৎ প্রবাহ বা পটেনশিয়াল পরিমাপ করা যায় সেটিও এই অধ্যারে আলোচনা করা হবে। 

Related Question

View All
উত্তরঃ

পরিবাহকের যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বিঘ্নিত হয় তাকে রোধ বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
183
উত্তরঃ

যে সকল পদার্থের আপেক্ষিক রোধের মান তুলনামূলকভাবে বেশি তাদের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহিত হলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। যেমন- নাইক্রোম। নাইক্রোমের আপেক্ষিক রোধ এবং গলনাঙ্ক তামার তুলনায় অনেক বেশি। উচ্চ আপেক্ষিক রোধের কারণেই নাইক্রোম তারের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। নাইক্রোমের এই ধর্মের কারণেই বৈদ্যুতিক হিটারে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
246
উত্তরঃ

এখানে,

তামার তারের দৈর্ঘ্য, L = 20 cm = 0.2 m

প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল, A = 2×10-7m2

আপেক্ষিক রোধ, p = 1.7×10-8Ωm

তামার তারের রোধ, R = ?

আমরা জানি,

R=pLA=1.7×10-8×0.22×10-7=0.017Ω

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
163
উত্তরঃ

রোধের সূত্র থেকে আমরা জানি, L দৈর্ঘ্য, এ প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল এবং আপেক্ষিক রোধ বিশিষ্ট পরিবাহীর রোধ, R=pLA

সুতরাং একই দৈর্ঘ্য ও প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট দুটি পরিবাহীর মধ্যে সেটির রোধ বেশি হবে যেটির আপেক্ষিক রোধ বেশি। তামা অপেক্ষা নাইক্রোমের আপেক্ষিক রোধ বেশি হওয়ায় একই দৈর্ঘ্য ও প্রস্বচ্ছেদবিশিষ্ট তামার তার অপেক্ষা নাইক্রোম তারের রোধ বেশি।
আবার, বিভব পার্থক্যে R রোধের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহে ব্যয়িত শক্তির হার বা ক্ষমতা,

P=V2R

সুতরাং, একই বিভব পার্থক্যে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষেত্রে যে পরিবাহীর রোধ কম সেটিতে বেশি তাপ উৎপন্ন হবে। সুতরাং, একই দৈর্ঘ্য ও প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট একটি নাইক্রোম ও একটি তামার তার হিটার হিসেবে একই বিভব পার্থক্যে ব্যবহার করা হলে নাইক্রোম অপেক্ষা তামার তারের হিটারে বেশি তাপ উৎপন্ন হবে। এ হিসেবে হিটারে তামা ব্যবহার করা উচিত। তবে তামা ব্যবহারের বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। যেমন- তামার গলনাঙ্ক তুলনামূলকভাবে কম (প্রায় 1000°C) অর্থাৎ এটি হিটারের উচ্চ তাপমাত্রা সহনীয় নয়। এছাড়া তামা বায়ুর সংস্পর্শে এসে সহজেই জারিত এবং ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। এ সকল অসুবিধা দূরীকরণে হিটারের কুণ্ডলীতে তামার পরিবর্তে নাইক্রোম ব্যবহার করা হয়। নাইক্রোম এক প্রকার সংকর যার গলনাঙ্ক তামা অপেক্ষা অনেক বেশি। এছাড়া নাইক্রোম জারিত হয় না এবং ক্ষয়প্রাপ্তও হয় না। আবার, তামার' তুলনায় নাইক্রোম কম খরচ সাপেক্ষ, অর্থাৎ সস্তা। এ সকল কারণে বৈদ্যুতিক হিটারে তামার পরিবর্তে নাইক্রোমের ডার বা কুণ্ডলী ব্যবহার করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
202
উত্তরঃ

'তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে যে তড়িৎ প্রবাহ চলে তা ঐ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক।'

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
181
উত্তরঃ

রোধের দৈর্ঘ্যের সূত্র হতে পাই, নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট উপাদানের পরিবাহীর প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল স্থির থাকলে পরিবাহীর রোধ এর দৈর্ঘ্যের সমানুপাতিক। সুতরাং নির্দিষ্ট তাপমাত্রা, উপাদান ও প্রস্থচ্ছেদের পরিবাহকের দৈর্ঘ্য 5 গুণ বৃদ্ধি করলে রোধ পূর্বের তুলনায় 5 গুণ হবে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
139
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews