আদর্শ, বর্ণমালা, সাহিত্য, সফটওয়্যার-

আদর্শ, বর্ণমালা, সাহিত্য, সফটওয়্যার-

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মানুষের জীবনযাপনের প্রতিচ্ছবিকে সংস্কৃতি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

বাঙালি সংস্কৃতিতে তিনটি বড় ভাষাগোষ্ঠী তাদের ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে এসেছে। তারা হলো অস্ট্রিক, দ্রাবিড় ও ইন্দো-ইউরোপীয়। তাদের প্রভাব আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতিতে এখনও রয়েছে। ধর্ম বিশ্বাসের দিক থেকেও আমাদের দেশে বৈচিত্র্য কম নয়। ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্ট এবং অন্যান্য ধর্ম এখানে পালিত হচ্ছে। তাই আমাদের রয়েছে প্রকৃতির সাথে বসবাসের দীর্ঘ ঐতিহ্য, নানা জাতের মানুষের কাছ থেকে পাওয়া সংস্কৃতি, বিভিন্ন ধর্মের কাছ থেকে পাওয়া প্রেরণা। এসব মিলে জনবৈচিত্র্যের মতোই বাঙালি সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে লালন করে আসছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'ক' অবস্তুগত সংস্কৃতিকে নির্দেশ করে। সংস্কৃতির যে সমস্ত উপাদান আমরা খালি চোখে দেখতে পারি না, ধরতে পারি না তাদেরকে অবস্তুগত সংস্কৃতি বলে। সংস্কৃতির অবস্তুগত উপাদানসমূহ হচ্ছে সামগ্রিক জ্ঞান, মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি, ধর্মীয় বিশ্বাস ও নীতিবোধ, ভাষা, বর্ণমালা, শিল্পকলা, সাহিত্য, সংগীত, আদর্শ ও মূল্যবোধ, জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা, সফটওয়্যার ইত্যাদি। একটি দেশের মানুষের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে সংস্কৃতির অবস্তুগত উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সংস্কৃতি হলো বিমূর্ত একরূপ। মানুষের তৈরি ঘরবাড়ি আমরা দেখতে পাই; কিন্তু এগুলো তৈরির জ্ঞান ও কৌশল দেখা যায় না। বাড়ি যদি বস্তুগত সংস্কৃতি হয় তবে এর পরিকল্পনার জন্য জ্ঞান ও কৌশল হলো অবস্তুগত সংস্কৃতি। এ জ্ঞান ও কৌশল দ্বারাই সংস্কৃতির রূপ বদলায় সময়ের পরিক্রমায়। কম্পিউটার পরিচালনা করে সফটওয়্যার। আমরা কম্পিউটার দেখতে পারি, ধরতে পারি কিন্তু সফটওয়্যার চোখের আড়াল থেকে মূল কাজ পরিচালনা করে থাকে। এভাবেই অবস্তুগত সংস্কৃতি বস্তুগত সংস্কৃতিকে সময়োপযোগীৰূপে সাজিয়ে বিশ্বায়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'খ' অর্থাৎ লাঙল, খিচুড়ি, ধুতি, পাঞ্জাবি, বাস ছাড়া বাঙালি জাতির সংস্কৃতি অসম্পূর্ণ।

বাঙালি জাতির সংস্কৃতি বেশ সমৃদ্ধ, বৈচিত্র্যপূর্ণ এবং প্রাচীন। প্রাচীনকাল থেকে এদেশের উর্বর ভূমি মানুষকে কৃষিজীবী হতে উৎসাহিত করেছে। কৃষিভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে মানুষের আচার-আচরণ, সংগীত, নৃত্য, ঘরবাড়িসহ সংস্কৃতির সকল দিক। লাঙল হচ্ছে এ কৃষিভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ, যা বাঙালি সংস্কৃতির ধারক। বাঙালি অত্যন্ত ভোজনরসিক জাতি। খিচুড়ি এ জাতির অন্যতম পছন্দের একটি খাবার। খিচুড়ি পছন্দ করে না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া মুশকিল। সেই প্রাচীনকাল থেকে ভোজনরসিক বাঙালির বসনাবিলাসে খিচুড়ি তাই আজও সমান জনপ্রিয়। যেকোনো সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হলো পোশাক। পোশাকের মধ্য দিয়েই জাতির পরিচয় মেলে। চিরায়িত বাঙালি সংস্কৃতির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য ধুতি ও পাঞ্জাবি। এ পোশাকটি বাঙালি সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। ধুতি পাঞ্জাবিবিহীন বাঙালি অসম্পূর্ণ বাঙালি। শহুরে বাঙালির যাতায়াত ব্যবস্থায় বাস একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাহন, যা বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত বাক্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
86

সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ প্রকৃতি ও পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে নিজের প্রয়োজন মিটিয়েছে। এক টুকরো পাথর বা একটি গাছের ডাল হয়ে উঠেছিল হিংস্র পশুর হাত থেকে নিজেকে বাঁচানোর হাতিয়ার। প্রকৃতিকে এমনিভাবে কাজে লাগানোর ক্ষমতা মানুষকে দিয়েছে সংস্কৃতি যা অদ্যাবধি চলমান রয়েছে। মানুষ বুঝতে পারল সমাজবদ্ধ হয়ে একত্রে থাকলে টিকে থাকার এই লড়াই আরও সুদৃঢ় হবে। তাই সমাজকে সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয় নানা নিয়ম-কানুন, যা ধীরে ধীরে অর্থনীতি, রাজনীতি, ধর্ম, শিক্ষা ইত্যাদিতে রূপ নিল। সমাজের মানুষের আনন্দ, বিনোদন ও কল্যাণের জন্য তৈরি হলো নাচ, গান, সাহিত্য আরও কত কী! ফলে রচিত হলো সংস্কৃতির বস্তুগত ও অবস্তুগত রূপ।

এ অধ্যায় শেষে আমরা -

  • সংস্কৃতির ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশের সংস্কৃতির উপাদান ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশের সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশের সংস্কৃতির ধরন ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • ব্যক্তি ও গোষ্ঠী জীবনে বাংলাদেশের নিজস্ব সংস্কৃতিকে ধারণ ও লালন করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

মানুষ তার অস্তিত্ব রক্ষার জন্য, সমাজজীবনে কোনো উদ্দেশ্য সাধনের লক্ষ্যে যা কিছু চিন্তা ও কর্ম করে তাই সংস্কৃতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
143
উত্তরঃ

সংস্কৃতির উপাদানসমূহকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- (১) বস্তুগত বা দৃশ্যমান উপাদান (বিভিন্ন ধরনের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, পোশাক, যানবাহন, বইপত্র ইত্যাদি)। (২) অবস্তুগত বা অদৃশ্যমান উপাদান (সামগ্রিক জ্ঞান, মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি, ধর্মীয় বিশ্বাস ও নীতিবোধ, ভাষা, বর্ণমালা, সাহিত্য, সংগীত ইত্যাদি)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
395
উত্তরঃ

জুলেখার মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতি ফুটে উঠেছে। বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতি বেশ সমৃদ্ধ। বাংলাদেশের সংস্কৃতির প্রধান খাদ্য ভাত-মাছ এখনও গ্রামের মানুষের খাদ্যাভ্যাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। জারি, সারি, বাউল, ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি, মুর্শিদি, বারমাস্যা, গম্ভীরা ইত্যাদি নানা আঞ্চলিক গানে ফুটে ওঠে গ্রামের মানুষের হাসি-কান্না। গ্রামের মেলায় ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পালাগান, যাত্রাগান, কবিগান, কীর্তনগান, মুর্শিদি গান ইত্যাদির আয়োজন আধুনিককালেও গ্রামের অনন্যতা বজায় রেখেছে। উদ্দীপকের জুলেখা সকালের নাস্তায় পান্তাভাত ও মাছ খায় এবং ভাটিয়ালি গান শোনে, যা গ্রামীণ সংস্কৃতি প্রকাশ পায়। উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, জুলেখার মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতিই ফুটে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
403
উত্তরঃ

উদ্দীপকের হাজেরার সংস্কৃতিতে বিশ্বায়নের প্রভাব লক্ষ করা যায়।
শহরের পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাস ও যান্ত্রিকতার জীবন বিশ্বায়ন ব্যবস্থার সাথে সংগতিপূর্ণ। শহরে গড়ে উঠেছে যন্ত্রনির্ভর সংস্কৃতি, যা মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ ও গতিময় করেছে। উন্নত যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থা মানুষের সময়ের সাশ্রয় করেছে। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সমস্ত প্রকার উৎপাদন প্রক্রিয়া শহর থেকেই পরিচালিত হয়। সুউচ্চ দালানকোঠা, কলের গাড়ি ইত্যাদি বিশ্বায়নের পথ পরিভ্রমণ করছে। আজকাল আফিস-আদালতের সব কর্মকান্ড কম্পিউটারভিত্তিক পরিচালিত হচ্ছে। উৎপাদন ব্যবস্থা থেকে শুরু করে সব ব্যবসায়িক, শিক্ষা কিংবা সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, যা বিশ্বায়নের নামান্তর। ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে এখন বহির্বিশ্বের সাথে খুব সহজেই যোগাযোগ স্থাপন করা যাচ্ছে। যেকোনো প্রকার সংবাদ, ব্যবসায়িক আলাপ-আলোচনা এখন কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে পরিচালিত ও সম্পাদিত হচ্ছে।

উদ্দীপকে হাজেরাও তার পড়াশোনা শেষে ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে বহির্বিশ্বের সাথে নিজেকে পরিচিত করছে, যা বিশ্বায়ন ধারণার সাথে সংগতিপূর্ণ। উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, হাজেরার খাদ্যাভ্যাস সংস্কৃতিতে বিশ্বায়নের প্রভাব লক্ষ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
328
উত্তরঃ

বাংলাদেশের গ্রামীণ ভৌগোলিক পরিবেশ, পুকুর, খালবিল, নদীনালা, বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ, পাহাড়-পর্বত গ্রামীণ সংস্কৃতিকে করেছে সমৃদ্ধ। এদেশের উর্বর মাটিতে কৃষক ফসল ফলায়, নদীনালা, খালবিল কৃষি উৎপাদনে সহায়তা করে। কৃষি, মৎস্য চাষ, নৌকা চালানো ইত্যাদি পেশা গ্রামের সংস্কৃতি নির্মাণে ভূমিকা রাখে। ভাত ও মাছ গ্রামের প্রধান খাবার। উৎসব-পার্বণে বিভিন্ন গান, মেলার আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতির সমৃদ্ধ রূপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
220
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews