চক্ষু লেন্সের পেছনে অবস্থিত অক্ষিগোলকের ভিতরের পৃষ্ঠে গোলাপি রঙের ঈষদচ্ছ আলোকসংবেদন আবরণটিই রেটিনা।
অপটিক্যাল ফাইবার হলো একটি খুব সরু কাচতন্তু। টেলিযোগাযোগে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। প্রায় 2000 টেলিফোন সংকেতকে এভাবে অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্যে দিয়ে সঞ্চালন করা যায়। যেখানে সংকেত যত দূরই থাক না কেন এর শক্তি হ্রাস পায় না। এজন্য টেলিযোগযোগে অপটিক্যাল ফাইবার অনন্য।
উদ্দীপকে কনকের একটি বিকারে পাঁচ টাকার কয়েন ফেলার পর এর প্রকৃত অবস্থানের পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে হলো। নিচে কনকের কাছে কয়েনটির অবস্থান পরিবর্তিত মনে হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করা হলো-
আমরা জানি, আলোক রশ্মি হালকা থেকে ঘন মাধ্যমে আপতিত হলে প্রতিসরিত রশ্মি অভিলম্বের দিকে সরে আসে এবং ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে আপতিত হলে প্রতিসরিত রশ্মি অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়।

বিকারে কয়েনটির প্রকৃত অবস্থান A এবং চোখের অবস্থান E হলে A হতে আলোক রশ্মি আপতিত হয়ে দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে প্রতিসরিত হয়ে E বিন্দুতে পৌঁছায়। ঐ প্রতিসরিত রশ্মিগুলোকে পেছনের দিকে বর্ধিত করলে তা B বিন্দু থেকে আসছে বলে মনে হয়। B বিন্দুই হবে কয়েনটির দৃশ্যমান অবস্থান অর্থাৎ, এ বিন্দুর বা কয়েনটির একটি অবাস্তব প্রতিবিম্ব।
অতএব বলা যায়, বিকারে আলোর প্রতিসরণের কারণে কনকের কাছে কয়েনটির অবস্থান পরিবর্তিত হয়েছে বলে মনে হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনায় পানিপূর্ণ বিকারে একটি কয়েন ফেললে আলোর প্রতিসরণের কারণে এর প্রকৃত অবস্থানের পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে হয়। ঘাট বাঁধানো পুকুরে স্বচ্ছ পানিতেও ঠিক একই ঘটনা ঘটে। যেখানে পানির নিচে সিঁড়ি প্রকৃত অবস্থানে নেই বলে মনে হয়। নিচে উল্লিখিত ঘটনাটি এক্ষেত্রে যেভাবে কাজে লাগানো যায়, তা বিশ্লেষণ করা হলো-
ধরি, পানির নিচে সিঁড়িটির অবস্থান । এখন ১ হতে দুটি আলোক রশ্মি পানি মাধ্যমে SA এবং SB পথে নির্গত হবে। যেহেতু, আলোকরশ্মি ঘন মাধ্যম হতে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করলে অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়। তাই বায়ু মাধ্যমে প্রবেশের পর দিক পরিবর্তন করে রশ্মি দুটি অভিলম্ব থেকে দূরে সরে AC এবং BD পথে যায়। এই AC এবং BD রশ্মি দুটিকে পেছনের দিকে বাড়ালে তারা ০ বিন্দুতে মিলিত হয়। অর্থাৎ বিন্দু বিন্দুতে উঠে এসেছে বলে মনে হয়। ঠিক যেমন পানিপূর্ণ বিকারে কয়েনটির প্রকৃত অবস্থানের পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে হয়। এক্ষেত্রে কয়েনটির মতো সিঁড়িটিকেও তার প্রকৃত অবস্থান থেকে কিছুটা উপরে দেখা যাবে।

সুতরাং কনকের গোসলের উদ্দেশ্যে পুকুরে যাওয়ার সময় মনে রাখতে হবে যে, আলোর প্রতিসরণের কারণে পানির নিচে সিঁড়ি প্রকৃত অবস্থানে নেই বলে মনে হবে এবং গোসলের সময় সাবধানে সিঁড়িটিতে পা ফেলতে হবে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!