তোমার চাল চলন ভালো করো।
কলকল শব্দে নদী বয়।
শিশুটির হাসির খলখলানিতে মন ভরে গেছে।
অসুস্থ শিশুটি তার মাকে লতার মতো পেঁচিয়ে ধরল।
দোলনায় দোল খেতে কার না ভালো লাগে!
সেবার আমরা গাঙে গোসল করেছিলাম।
তোমার জামাটি খুব রঙিন তো
হাসি মানুষের মনের খোরাক। হাসলে মানুষের মন ভালো থাকে। হাসির মাধ্যমে মানুষের দুঃখকষ্ট দূর হয়ে যায়। মানুষ যখন অনেক বেশি বেদনায় থাকে তখন মানুষের হাসা উচিত। গোমড়া মুখে থাকলে মন মেজাজ খারাপ হয়ে পড়ে। শুধু মন নয় এতে মানুষের শরীর খারাপের কারণ হতে পারে। তাই মন ও শরীর সুস্থ রাখতে সর্বদা হাসি খুশি থাকা চাই।
কবিতায় কবি প্রশ্ন করেছে হাসি প্রসঙ্গে। তার কল্পনার ব্যক্তি মানসে কবির জিজ্ঞাসা এত হাসির উৎস কী? খলখল হাসির শব্দকে কবি নদীর প্রবহমান জলের কলকলানির সাথে তুলনা করেছেন। দেখাতে চেয়েছেন কলমী ফুলের মতো রঙিন ঠোঁটের হাসিকে। এছাড়াও কল্পনার মানস লোকের হেঁটে যাওয়াকে তুলনা করেছেন লতার এঁকেবেঁকে চলার সাথে।
হাসিতে মুখের ভিতর খলখল শব্দ হয়। নদীর বয়ে চলা কলকল ধ্বনি যেমন নদীর উৎফুল্লতা প্রকাশ করে। তেমনি মানুষের মুখের হাসিও মানুষের অন্তরের আনন্দ প্রকাশ করে। মানুষের অন্তর আনন্দকে প্রকাশ করতে হাসির ব্যবহার করেছেন। সেই মুখ ভরা হাসির আনন্দকে নদীর কলকল ধ্বনির সাথে তুলনা করেছেন।
Related Question
View Allখোকন হাসে ফোকলা দাঁতে
চাঁদ হাসে তার সাথে সাথে।
কাজল বিলে শাপলা হাসে
খলসে মাছের হাসি দেখে হাসেন পাতিহাঁস
টিয়ে হাসে রাঙা ঠোঁটে।
দোয়েল-কোয়েল ময়না শ্যামা সবাই হাসতে চায়।
বোয়াল মাছের দেখলে হাসি পিলে চমকে যায়।
শব্দগুলো থেকে সঠিক শব্দটি বাছাই করে কবিতাংশের খালি জায়গা পূরণ করো।
| পাতিহাঁস | সাথে | কাজল | খোকন | খবর | দেখে | ঘাস |
এই শোন না, কত হাসির
খবর বলে যাই।
খোকন হাসে ফোকলা দাঁতে
চাঁদ হাতে তার সাথে সাথে,
কাজল বিলে শাপলা হাসে
হাসে সবুজ ঘাস,
খলসে মাছের হাসি দেখে
হাসেন পাতিহাঁস।
এই শোন না কত হাসির খবর বলে যাই।
চাঁদ হাসে তার সাথে সাথে।
টিয়ে হাসে রাঙা ঠোঁটে।
বোয়াল মাছের দেখলে হাসি পিলে চমকে যায়।
তাদের দেখে প্যাঁচার মুখেও কেবল হাসি পায়।
'হাসি' ছড়াটিতে বিভিন্ন হাসির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এখানে টিয়ে পাখি হাসে রাঙা ঠোঁটে। খলসে মাছের হাসি দেখে পাতিহাঁস হাসে। গোমড়ামুখোদের দেখে প্যাঁচা হাসে। ফিঙের মুখে হাসি দেখে দোয়েল-কোয়েল-ময়না-শ্যামা এরাও সকলে হাসতে চায়।
'হাসি' কবিতাটিতে ফুল, পাখি সকলেই হাসে। মাছেরাও হাসে। খলসে মাছের হাসি দেখে পাতিহাঁস হাসে। আবার বোয়াল মাছ এমনভাবে হাসে যা দেখলে পিলে চমকে যায়।
'হাসি' কবিতাটি সকলের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার একটি কবিতা। সকলেই হাসে, না হেসে থাকে না কেউ। খোকন, চাঁদ, ফুল, পাখি, মাছ, ঘাস সবাই হাসে। কেউ যেন গোমড়া মুখে না থাকে, সেটাই হলো এই কবিতার মূলভাব।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!