'দূরের পাল্লা' কবিতাটির চরণগুলোর শেষে মিলশব্দ থাকায় পড়ার সময় একটা চমৎকার তাল লক্ষ করা যায়। ফলে এ কবিতাটি পড়ার সময় একটা ধাক্কা লাগে। কবিতাটি তালে তালে পড়া যায়। তাছাড়া গ্রামবাংলার প্রাকৃতিক আবহও এখানে ফুটে উঠেছে। এসব কারণে কবিতাটি পড়তে অনেক ভালো লাগে।
Related Question
View Allতিনজন মাল্লা দূর পাল্লা দেয়। তারা সরু নৌকা নিয়ে সারা দিন পাড়ি দিতে থাকে। এ সময় তারা যেতে যেতে নদীপাড়ের ঝোপঝাড় দেখে, আর জঙ্গল ও জঞ্জাল দেখে।
'দূরের পাল্লা' কবিতায় তিনটি দাঁড়ের কথা বলা হয়েছে। এ কবিতায় কবি জলময় শৈবালের কথা বলেছেন। জলময় সবুজ' শৈবালকে কবি মূল্যবান পান্নার টাকশাল বলেছেন।
'দূরের পাল্লা' কবিতায় 'চৌপর' বলতে চার প্রহর বা সারা দিনকে বোঝানো হয়েছে। এ কবিতায় বন-হাঁস শ্যাওলায় তার ডিম্ ঢাকে।
চৌপর বলতে কবি চার প্রহর বা সারা দিনকে বুঝিয়েছেন। মাল্লারা ছিপ নৌকা নিয়ে সারা দিন দূরের পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য যাত্রা করে। এ দিকটিই কবি প্রশ্নের কথাটির মাধ্যমে বুঝিয়েছেন।
'দূরের পাল্লা' কবিতায় পানকৌড়ি পাখির উল্লেখ আছে। পাখিটির চুপচুপ করে ডুব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বন-হাঁস শ্যাওলায় তার ডিম ঢাছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!