তিনজন মাল্লা দূর পাল্লা দেয়। তারা সরু নৌকা নিয়ে সারা দিন পাড়ি দিতে থাকে। এ সময় তারা যেতে যেতে নদীপাড়ের ঝোপঝাড় দেখে, আর জঙ্গল ও জঞ্জাল দেখে।
'দূরের পাল্লা' কবিতায় তিনটি দাঁড়ের কথা বলা হয়েছে। এ কবিতায় কবি জলময় শৈবালের কথা বলেছেন। জলময় সবুজ' শৈবালকে কবি মূল্যবান পান্নার টাকশাল বলেছেন।
'দূরের পাল্লা' কবিতায় 'চৌপর' বলতে চার প্রহর বা সারা দিনকে বোঝানো হয়েছে। এ কবিতায় বন-হাঁস শ্যাওলায় তার ডিম্ ঢাকে।
চৌপর বলতে কবি চার প্রহর বা সারা দিনকে বুঝিয়েছেন। মাল্লারা ছিপ নৌকা নিয়ে সারা দিন দূরের পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য যাত্রা করে। এ দিকটিই কবি প্রশ্নের কথাটির মাধ্যমে বুঝিয়েছেন।
'দূরের পাল্লা' কবিতায় পানকৌড়ি পাখির উল্লেখ আছে। পাখিটির চুপচুপ করে ডুব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বন-হাঁস শ্যাওলায় তার ডিম ঢাছে।
নৌকায় যেতে যেতে মাঝিরা নদীর পাড়ে ঝোপঝাড়, জঙ্গল, জঞ্জাল আর পানিতে ভেসে থাকা শৈবাল দেখেছে। আবার কঞ্চির তীর-ঘর, নদীতে জাগা চর, হাঁসের শ্যাওলায় ডিম ঢাকাও দেখেছে। পানকৌড়ি পাখির ডুব দেওয়া, ঘোমটা দেওয়া বউয়ের ডুব দেওয়া, কলসিতে পানি ভরার বক্সক্ শব্দ, বউটির ঘোমটা ফাঁক করে তাকানো প্রভৃতি দিকও মাঝিরা দেখেছে।
ঘোমটা দেওয়া বউটি টুপটুপ করে ডুব দিচ্ছিল। সে ঝকঝকে কলসিতে পানি ভরছিল এবং ঘোমটা ফাঁক করে তাকাচ্ছিল।
শৈবালকে কাব্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে পান্নার টাকশাল 'বলা হয়েছে। এখানে কবি নদীর পাড়ময় ঝোপঝাড়, জঙ্গল-জঞ্জাল এবং জলময় শৈবালের সবুজ রং ও রূপকে সবুজ রঙের দামি রত্ন পান্নার সঙ্গে তুলনা করেছেন। জলময় শৈবাল যেন পান্না-সদৃশ' দামি রত্ন। তাই কাব্যিক তুলনায় কবির কাছে তা পান্নার টাঁকশালস্বরূপ।
'দূরের পাল্লা' কবিতাটির চরণগুলোর শেষে মিলশব্দ থাকায় পড়ার সময় একটা চমৎকার তাল লক্ষ করা যায়। ফলে এ কবিতাটি পড়ার সময় একটা ধাক্কা লাগে। কবিতাটি তালে তালে পড়া যায়। তাছাড়া গ্রামবাংলার প্রাকৃতিক আবহও এখানে ফুটে উঠেছে। এসব কারণে কবিতাটি পড়তে অনেক ভালো লাগে।
Related Question
View Allতিনজন মাল্লা দূর পাল্লা দেয়। তারা সরু নৌকা নিয়ে সারা দিন পাড়ি দিতে থাকে। এ সময় তারা যেতে যেতে নদীপাড়ের ঝোপঝাড় দেখে, আর জঙ্গল ও জঞ্জাল দেখে।
'দূরের পাল্লা' কবিতায় তিনটি দাঁড়ের কথা বলা হয়েছে। এ কবিতায় কবি জলময় শৈবালের কথা বলেছেন। জলময় সবুজ' শৈবালকে কবি মূল্যবান পান্নার টাকশাল বলেছেন।
'দূরের পাল্লা' কবিতায় 'চৌপর' বলতে চার প্রহর বা সারা দিনকে বোঝানো হয়েছে। এ কবিতায় বন-হাঁস শ্যাওলায় তার ডিম্ ঢাকে।
চৌপর বলতে কবি চার প্রহর বা সারা দিনকে বুঝিয়েছেন। মাল্লারা ছিপ নৌকা নিয়ে সারা দিন দূরের পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য যাত্রা করে। এ দিকটিই কবি প্রশ্নের কথাটির মাধ্যমে বুঝিয়েছেন।
'দূরের পাল্লা' কবিতায় পানকৌড়ি পাখির উল্লেখ আছে। পাখিটির চুপচুপ করে ডুব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বন-হাঁস শ্যাওলায় তার ডিম ঢাছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!