নিচের পরীক্ষাটির মাধ্যমে শীলা প্রমাণ করতে পারবে কম্পনের ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়।
প্রয়োজনীয় উপকরণ: একটি সুরশলাকা, একটি শোলার বল ও সুতা, স্ট্যান্ড ও রাবারের হাতুড়ি।
কাজের ধারা:
১. পাটাতনের উপর একটি সুরশলাকা খাড়াভাবে রাখা হয়।
২. শোলার বলটিকে সুতার সাহায্যে স্ট্যান্ডের সাথে এমনভাবে ঝুলিয়ে রাখা হয় যেন বলটি সুরশলাকার একটি বাহু স্পর্শ করে থাকে।
৩. এ অবস্থায় সুরশলাকার বিপরীত বাহুতে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে শব্দের সৃষ্টি হবে।

পর্যবেক্ষণ: দেখা যাবে যে, শোলার বলটি সুরশলাকার বাহুতে বার বার ধাক্কা খেয়ে দূরে ছিটকে যাচ্ছে। শলাকার কম্পনের জন্যই বলটি ধাক্কা খেয়ে দূরে ছিটকে যায়। সুরশলাকার বাহুকে হাত দিয়ে স্পর্শ করলে, সুরশলাকার বাহুর কম্পন বন্ধ হয়ে যায় এবং শব্দও থেমে যায়। কম্পন বন্ধ হওয়ার ফলে বলটিও স্থির হয়ে যায়।
সিদ্ধান্ত: উপরের পরীক্ষা থেকে প্রমাণিত হয় যে, কম্পনের ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়।
Related Question
View Allযে শক্তি আমাদের কানে প্রবেশ করে শ্রবণের অনুভূতি জাগায় তাই শব্দ।
আমরা জানি, শব্দ মাধ্যম ছাড়া চলাচল করতে পারে না। আবার বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগও বিভিন্ন। যেমন- শব্দ সবচেয়ে দ্রুত চলে কঠিন মাধ্যমে, তারপর তরল মাধ্যমে, এরপর বায়ুমাধ্যমে। রেলপাত লোহার তৈরি অর্থাৎ রেলপাত একটি কঠিন মাধ্যম। সুতরাং রেলপাতের মধ্য দিয়ে শব্দ খুব দ্রুত চলাচল করে। তাই রেলপাতে কান রাখলে দূর থেকে রেলগাড়ি চলার শব্দ রেল পাতের মধ্য দিয়ে খুব দ্রুত কানে পৌছায় বলে ঐ শব্দ শোনা যায়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত,
বায়ুতে শব্দের বেগ ৩৩০ মি./সে.
শব্দ শোনার সময় = ?
বোমা ফাটার স্থান ও তীরে অবস্থিত লোকটির দূরত্ব ৩৩০০ মিটার
আমরা জানি,
শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়
বা, সময় = দূরত্ব / শব্দের বেগ = ৩৩০০ মিটার / ৩৩০ মি./সে. = ১০ সেকেন্ড
অতএব, বোমা ফাটার স্থান থেকে তীরে অবস্থিত 'লোকটি ১০ সেকেন্ড পর শব্দ শুনবে।
উদ্দীপক অনুযায়ী, ডুবুরি বোমা ফাটার স্থান থেকে ৩৩০০ মিটার দূরে অবস্থিত।
সমুদ্রের পানিতে শব্দের বেগ ১৫০০ মি./সে.
শব্দ শোনার সময় = ?
আমরা জানি,
শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়
বা, সময় = দূরত্ব / শব্দের বেগ = ৩৩০০ মিটার / ১৫০০ মি./সে. = ২.২ সেকেন্ড
'গ' হতে পাই, তীরে অবস্থিত লোকটি বোমা ফাটার শব্দ শুনে ১০ সেকেন্ড পর।
অতএব, ডুবুরি ও লোকটি একই সময়ে বোমা ফাটার শব্দ শুনতে পাবে না, ডুবুরি আগে শুনতে পাবে।
যে শব্দ শুনতে ভালো লাগে, সুখকর, মধুর ও আনন্দদায়ক সে শব্দই সুশ্রাব্য শব্দ।
শব্দের যে বৈশিষ্ট্য দ্বারা কোন সুর চড়া ও কোন সুর মোটা বুঝা যায় তাকে তীক্ষ্ণতা বলে। শব্দের তীক্ষ্ণতা শব্দ সৃষ্টিকারী বস্তুর কম্পাঙ্ক ও দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে। দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেলে তীক্ষ্ণতা কমে এবং দৈর্ঘ্য কমলে তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। 'কাজেই বাঁশের বাঁশির দৈর্ঘ্য কম হলে শব্দের তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পাবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
