দিনাজপুরের কান্তজী মন্দির মধ্যযুগের একটি অপূর্ব স্থাপত্য নিদর্শন, যা ১৭৫২ খ্রিষ্টাব্দে রাজা রামনাথ রায় সম্পন্ন করেন। বর্গাকৃতির এই মন্দিরের মূল বিশেষত্ব হলো এর দেয়ালে খোদাই করা চমৎকার সব টেরাকোটা বা পোড়ামাটির ফলক। এই ফলকগুলোতে রামায়ণ-মহাভারতের কাহিনি ও সমসাময়িক সমাজজীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে। আদিতে এর উচ্চতা ৭০ ফুট থাকলেও বর্তমানে এর উচ্চতা ৫০ফুট। এ মন্দির নয়টি শিখর বা চূড়াবিশিষ্ট হওয়ায় একে নবরত্ন মন্দিরও বলা হয়। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ ও ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত।
Related Question
View Allমন্দিরে গেলে পুণ্যলাভ হয়।
কান্তজী মন্দির দিনাজপুর জেলার ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত।
শ্রীকৃষ্ণের অপর নাম রুক্মিণীকান্ত।
লাঙ্গলবন্দে পুণ্যস্নানের সময় ভক্তরা পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করেন'।
মথুরা হলো শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান ও তাঁর লীলা ক্ষেত্র।
মন্দির একটি আধ্যাত্মিক সাধনার স্থান।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!