কামালের অঞ্চলটিতে বিক্ষিপ্ত বসতি গড়ে উঠেছে।
ক্ষুদ্র আকৃতির বসতি বিক্ষিপ্ত বসতির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। বিক্ষিপ্ত বসতিতে দুটি বাসগৃহ বা বসতির মধ্যে যথেষ্ট ব্যবধান থাকে। এ বসতি
অতি ক্ষুদ্র পরিবারভুক্ত বসতি। কামালের এলাকায় বিশেষ পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয়। অর্থাৎ এখানে চাষের অনুকূল ভৌগোলিক অবস্থা নেই। যেমন- পাহাড়ের জুম চাষ। আবার এখানে রস্তাঘাট অনুন্নত, যাতায়াত কষ্টসাধ্য। তাই বসতিগুলোও বিক্ষিপ্ত। এ বসতির অধিবাসীদের মধ্যে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা দেখা যায়। বিক্ষিপ্ত বসতি সাধারণত পাহাড়ি, গ্রামীণ এবং পশুচারণ এলাকায় বেশি দেখা যায়।
Related Question
View Allমুসলিম সভ্যতায় (অষ্টম শতাব্দী থেকে) নগরায়ণের প্রসার ঘটে।
মাটির উর্বরাশক্তির ওপর নির্ভর করে বসতি স্থাপন করা হয়।
উর্বর মাটিতে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে। মানুষ কৃষিজমির পাশে বসতি গড়ে তোলে যাতে করে সহজে ও কম খরচে ফসল ফলাতে পারে এবং খাদ্যের চাহিদা মেটাতে পারে। যেমন- যমুনা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল। কিন্তু মাটি অনুর্বর বা অসমতল হলে বিক্ষিপ্ত জনবসতি গড়ে ওঠে। যেমন- চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!