করোমান সাম্রাজ্য পতনের কারণে কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত নগর প্রবৃদ্ধির গতি স্তিমিত থাকার কারণে এ সময়টিকে অন্ধকার যুগ বলে।
প্রাথমিক উৎপাদক অঞ্চল গ্রামীণ বসতির উপর নির্ভরশীল
গ্রাম প্রধানত খাদ্য উৎপাদক অঞ্চল হওয়ায় এখানে পথ-ঘাটের প্রাধান্য খুব কম থাকে। কৃষিকাজের বিভিন্ন পর্যায়ে অর্থাৎ বীজতলা তৈরি, চারাগাছ রোপণ, ফসল কাটা, গোলাজাত করা ইত্যাদি ব্যাপারে পরস্পরের সহযোগিতা প্রয়োজন হয় বলে গ্রামবাসীদের মধ্যে একটা সহজ ও সরল আন্তরিকতা দেখা যায়।
কামালের অঞ্চলটিতে বিক্ষিপ্ত বসতি গড়ে উঠেছে।
ক্ষুদ্র আকৃতির বসতি বিক্ষিপ্ত বসতির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। বিক্ষিপ্ত বসতিতে দুটি বাসগৃহ বা বসতির মধ্যে যথেষ্ট ব্যবধান থাকে। এ বসতি
অতি ক্ষুদ্র পরিবারভুক্ত বসতি। কামালের এলাকায় বিশেষ পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয়। অর্থাৎ এখানে চাষের অনুকূল ভৌগোলিক অবস্থা নেই। যেমন- পাহাড়ের জুম চাষ। আবার এখানে রস্তাঘাট অনুন্নত, যাতায়াত কষ্টসাধ্য। তাই বসতিগুলোও বিক্ষিপ্ত। এ বসতির অধিবাসীদের মধ্যে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা দেখা যায়। বিক্ষিপ্ত বসতি সাধারণত পাহাড়ি, গ্রামীণ এবং পশুচারণ এলাকায় বেশি দেখা যায়।
দৃশ্যকল্প-২ এ বর্ণিত নগরায়ণ ব্যবস্থায় নগর দুটি হলো শিল্পভিত্তিক নগর এবং বাণিজ্যভিত্তিক নগর। এ দুটি নগর ব্যবস্থায় শিল্পভিত্তিক নগর পরিবেশ দূষণে বেশি প্রভাব বিস্তার করে।
পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় শিল্পভিত্তিক বিভিন্ন কর্মকান্ডকে কেন্দ্র শিল্প নগরী গড়ে উঠেছে। যেমন শিল্পে শক্তি হিসাবে কয়লার ব্যবহার ব্যপকভাবে শুরু হওয়ার পর কয়লার উত্তোলনকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর অনেক দেশে কয়লা নগরী গড়ে উঠেছে। যুক্তরাজ্যের নিউক্যাসল, ভারতের রানীগঞ্জ এইরূপ শহর। দৃশ্যকল্প-২ এ মহিমের শহরও খনি শহর। এসব শহরে খনি থেকে সম্পদ উত্তোলন, মজুত, সরবরাহ প্রভৃতি কর্মকান্ডের ফলে পরিবেশের উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি হয়।। কেননা এসব খনিজ সম্পদে রয়েছে বিভিন্ন দূষিত উপাদান যা উত্তোলন এবং পরিবহনের সময় বায়ুর সাথে মিশে পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানে ছড়িয়ে পড়ে।
অপরদিকে বাণিজ্যভিত্তিক নগর ক্ষুদ্র বিনিময় কেন্দ্র থেকে সম্প্রসারিত হয়ে পৌর বসতিতে রূপান্তরিত হয়। যেমন- দৃশ্যকল্প-২ এ করিমের শহর। এসব বাণিজ্যভিত্তিক নগরেও বিভিন্ন ধরনের কর্মকান্ডের ফলে পরিবেশে মাটি, পানি, বায়ু দূষিত হয়। কিন্তু শিল্পভিত্তিক নগরের মত সরাসরি ক্ষতিকর উপাদান পরিবেশের উপর মারাত্মক ধরনের প্রভাব সৃষ্টি করে না।
সুতরাং, উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, শিল্পভিত্তিক নগর পরিবেশ দূষণে অধিক প্রভাব বিস্তার করে
Related Question
View Allমুসলিম সভ্যতায় (অষ্টম শতাব্দী থেকে) নগরায়ণের প্রসার ঘটে।
মাটির উর্বরাশক্তির ওপর নির্ভর করে বসতি স্থাপন করা হয়।
উর্বর মাটিতে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে। মানুষ কৃষিজমির পাশে বসতি গড়ে তোলে যাতে করে সহজে ও কম খরচে ফসল ফলাতে পারে এবং খাদ্যের চাহিদা মেটাতে পারে। যেমন- যমুনা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল। কিন্তু মাটি অনুর্বর বা অসমতল হলে বিক্ষিপ্ত জনবসতি গড়ে ওঠে। যেমন- চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!