কামাল পাশার কাজের সাথে হযরত উমর ফারুক (রা.)-এর কাজের মিল রয়েছে। কারণ হযরত উমর (রা.) খিলাফত প্রাপ্তির পর কৃষিকাজে ব্যাপক উন্নয়ন করেন, ডাক বিভাগের প্রবর্তন করেন। সাম্য ও ন্যায়ের বাস্তব শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। জনকল্যাণে তিনি অসংখ্য মসজিদ, বিদ্যালয়, সেতু, সড়ক, হাসপাতাল নির্মাণ করেন । যা কামাল পাশাও করেছেন। ইসলামপুর ইউনিয়নের উন্নয়নে কামল পাশা তার এলাকায় কৃষিকাজের ব্যাপক উন্নতি ঘটান। জনগণের কল্যাণে তিনি অনেক মসজিদ, বিদ্যালয়, সেতু, সড়ক ও হাসপাতাল নির্মাণ করেন। তিনি ডাক বিভাগেরও প্রবর্তন করেন। নিজ এলাকায় তিনি সাম্য ও ন্যায়ের বাস্তব শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। আমরা তার কাজগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখতে পাই, হযরত উমর (রা.) যেমন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছিলেন, কামাল পাশাও সেভাবে কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করেছেন, অর্থাৎ কামাল পাশার কর্মকান্ড হুবহু হযরত উমর (রা.)-এর উন্নয়ন কর্মসূচির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
Related Question
View Allহযরত মুহাম্মদ (স.)-এর দাদার নাম আব্দুল মুতালিব।
সত্যবাদী, পরোপকারী, শান্তিকামী যুবক হিসেবে হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর সুনাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর সত্যবাদিতা, বিশ্বস্ততায় মুগ্ধ হয়ে আপনপর সকলে তাঁকে আল-আমিন (বিশ্বাসী) উপাধিতে ভূষিত করল।
বিশ্বের শ্রেষ্ঠ 'মহামানব মুহাম্মদ (স.)-এর আদর্শের সাথে উদ্দীপকের সাঈদের কাজের আংশিক মিল রয়েছে। মহানবি (স.) শুধু একজন দীন প্রচারকই ছিলেন না বরং তিনি ছিলেন সর্বোত্তম মানবীয় গুণের অধিকারী। মানবতার মুক্তি ও কল্যাণ কামনাই ছিল রাসুল (স.)-এর সাধনা। তিনি আরববাসীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য কুরাইশ গোত্রের সমমনা কয়েকজনকে সাথে নিয়ে 'হিলফুল ফুযুল' নামের একটি মানব কল্যাণমূলক সংগঠন গড়ে তোলেন।
উদ্দীপকের সাঈদ সাহেব মহানবি (স.)-এর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে কুরআনের শিক্ষা প্রসারের উদ্দেশ্যে এলাকায় মক্তব প্রতিষ্ঠা করেন। গরিব-দুঃখীদের অবস্থা চিন্তা চিন্তা করে করে একটি দাতব্য চিকিৎসালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
উদ্দীপকে বর্ণিত আফরোজা বেগমের কার্যক্রম মহানবি (স.)-এর সহধর্মিণী হযরত খাদিজা (রা.)-এর সাথে মিল রয়েছে।
হযরত খাদিজা (রা.) ছিলেন আরবের একজন বিখ্যাত ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। তিনি মহানবির সুন্দর চরিত্র, সততা দেখে তাঁর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
হযরত মুহাম্মদ (স.) হেরা গুহায় ধ্যানমগ্ন অবস্থায় নবুয়তপ্রাপ্ত হয়ে বাড়িতে এসে খাদিজা (রা.)-এর নিকট উক্ত ঘটনা বর্ণনা করেন। সব শুনে তিনি মহানবিকে সান্ত্বনা দিলেন এবং ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি ইসলাম প্রচারে মুহাম্মদ (স.)-কে সাহস ও উৎসাহ প্রদান করতেন।
'কুতুবে হানাফিয়্যা' তে তিরাশি হাজার মাসআলা নিয়ে রচিত হয়েছিল।
আইনের শাসন বলতে আইনের যথাযথ প্রয়োগকে বোঝায়। অর্থাৎ যেখানে দোষী বা অপরাধীকে আইন মোতাবেক শাস্তি দেওয়া হয় এবং এক্ষেত্রে ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করা হয় তাই আইনের শাসন। এক কথায় আইনের শাসনের মাধ্যমে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!