আলো এক প্রকার শান্তি।
অ্যানামেল পেইন্ট হচ্ছে মেটালিক অক্সাইড, তেল, স্পিরিট ও ১ রোজন সহযোগে তৈরি এক ধরনের রং।
বাড়ির ভেতর ও বাইরের দেয়ালে অ্যানামেল পেইন্ট ব্যবহৃত হয়। এটি শ্যাওলা, ফাঙ্গাস ও লোনা প্রতিরোধ করে। এটি চকচকে ও স্থায়ী বলে সারফেস পানি দিয়ে ধোয়া যায়।
কামাল সৌরবিদ্যুতের ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ নিয়ে গ্রামের যুবকদের এর সুবিধা সম্পর্কে জানালেন।
সৌর শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় তাকে সৌর বিদ্যুৎ (Solar Energy) বলে।সৌরবিদ্যুৎ জ্বালানি তেলের ব্যবহার হাস্য করে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হয়। সেই অর্থ গ্রামের উন্নয়নে ব্যবহার করা যায়। তাছাড়া এ বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে পরিবেশ দূষিত হয় না। এটি ব্যবহারে বিপদের কোনো সম্ভাবনা নেই। এমনকি জ্বালানি হিসেবে এতে কাঠের প্রয়োজন হয় না। ফলে জ্বালানি কাঠের ব্যবহার হ্রাস পায়। এতে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা হয়।
কামালের গ্রামের যুবকরা এ বিষয়গুলো সম্পর্কে আগে জানত না। তারা কামালের মাধ্যমে এগুলো জানতে পারল।
কামাল সৌরবিদ্যুতের ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ নিয়ে গ্রামের যুবকদের সে সম্পর্কে অবগত করলেন।
সৌরবিদ্যুৎ আমরা সূর্য থেকে পাই। সূর্য রশ্মি বিপুল তাপশক্তি বহন করে। এই অফুরন্ত শক্তিকে দিনে ও রাতে ব্যবহারের জন্য নানা রকম প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হচ্ছে। লেন্সের সাহায্যে সূর্য রশ্মিকে ফোকাস করে আগুন জ্বালানো যায়। সূর্যকিরণকে ধাতব পদার্থের সাহায্যে প্রতিফলিত করে তৈরি হয় সৌরচুল্লি। এই চুল্লিতে রান্না করা হয়। শীত প্রধান দেশে (আমেরিকা, ইংল্যান্ড ইত্যাদি) বাড়িঘর গরম রাখার জন্য সৌরশক্তি ব্যবহৃত হয়। শস্যকণা, মাছ ও সবজি শুকিয়ে সংরক্ষণ করার কাজে সৌরশক্তি ব্যবহৃত হয়। শীতপ্রধান দেশে Green House এ সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে ফসল উৎপন্ন করা হচ্ছে। বর্তমানে সিলিকনের পাতলা পাত দ্বারা সৌরকোষ তৈরি করা হচ্ছে। এতে সূর্যের আলো পড়লে সরাসরি বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। আমাদের দেশে ২০০৩ সালে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় সোলার হোম সিস্টেম প্রকল্প চালু করা হয়। এই প্রকল্পে গ্রামাঞ্চলের টিনের চাল বা ঘরের ছাদে সৌর প্যানেল বসানো হয়। এটি ২০ বছর স্থায়ী হবে। এটি চালাতে একটি ব্যাটারি লাগে। একটি প্যানেলের মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী চারটি বাল্ব ও ১টি সাদা-কালো টিভি চালাতে পারে।
এছাড়া এই সৌরকোষ দ্বারা ক্যালকুলেটর, রেডিও এবং ঘড়ি চালানো হচ্ছে। সৌরবিদ্যুতের এ সকল ব্যবহারের কথাই কামাল গ্রামের যুবকদের জানালেন।
Related Question
View Allগৃহ নির্মাণের জন্য যেসব জিনিস ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে নির্মাণসামগ্রী বলে।
নীল, সবুজ ও বেগুনি শীতল বর্ণ। এসব বর্ণের ব্যবহার ঘরে শীতল ভাব আনে।
নীল রং মনকে সতেজ, স্নিগ্ধ ও নির্মল করে। সবুজ রং মনকে সরল, সতেজ ও নবীন রাখে। বেগুনি রং মনের ওপর একটি স্নিগ্ধ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। শোবার ঘরের দেয়াল ও পর্দায় এসব রঙের ব্যবহার করলে ঘরে স্নিগ্ধ, শীতল ও আরামদায়ক অনুভূতি সৃষ্টি হয়। সুতরাং, শোবার ঘরের জন্য শীতল বর্ণ উপযোগী।
আলম সাহেবের বাড়িতে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়।
সৌর শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় তাকে সৌর বিদ্যুৎ (Solar Energy) বলে।সৌরবিদ্যুৎ জ্বালানি তেলের ব্যবহার হ্রাস করে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হয়। সেই অর্থ গ্রামের উন্নয়নে ব্যবহার করা যায়। তাছাড়া এ বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে পরিবেশ দূষিত হয় না। এটি ব্যবহারে বিপদের কোনো সম্ভাবনা নেই। এমনকি জ্বালানি হিসেবে এতে কাঠের প্রয়োজন হয় না। ফলে জ্বালানি কাঠের ব্যবহার হ্রাস পায়। এতে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা হয়।
কবিরের কেনা সামগ্রী দিয়ে আলমের মতো বাড়ি তৈরি করা সম্ভব না। গৃহ নির্মাণের জন্য যেসব সামগ্রী প্রয়োজন সেগুলোকে বলা হয় গৃহ নির্মাণ সামগ্রী। পাকা বাড়ি তৈরি করতে প্রয়োজন ইট, সিমেন্ট, বালি, লোহা, কাঠ, পাথর, টাইলস ইত্যাদি নির্মাণসামগ্রী।
আলম গ্রামে দোতলা বাড়িতে বাস করে। তার ভাই কবির আলমের মতো বাড়ি তৈরির কথা চিন্তা করল। তাই সে টিন, টাইলস, কাঠ, বাঁশ কিনে আনল। কিন্তু এসব নির্মাণসামগ্রী দিয়ে পাকা দোতলা বাড়ি তৈরি করা সম্ভব নয়। তার যেসব নির্মাণ সামগ্রী প্রয়োজন সেগুলো হলো-
| ১. ইট | মাটি পুড়িয়ে ইট তৈরি করা হয়। ইট তৈরি করার জন্য মাটিতে শতকরা ২০-৩৫ ভাগ এলুমিনা, ৫০-৭০ ভাগ সিলিকা থাকা উচিত। এটি গৃহ নির্মাণের অন্যতম প্রধান সহজলভ্য উপকরণ। |
| ২. সিমেন্ট | নির্মাণ কাজের মূল উপাদান হলো সিমেন্ট। এটি প্রস্তুতে প্রয়োজন ৭২% চুনাপাথর, ২৫% কাদামাটি ও ৩% জিপসাম। |
| ৩. পাথর | গৃহ নির্মাণে বিভিন্ন ধরনের পাথর ব্যবহৃত হয়। যেমন-গ্রানাইট, মার্বেল, স্লেট, চুনাপাথর ইত্যাদি। গৃহ নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত পাথরের স্থায়িত্ব, সৌন্দর্য, বর্ণ, ওজন, চাপ সহ্য করার ক্ষমতা, কাজ করার সুবিধা, শক্তভাব ইত্যাদি বিশেষত্ব থাকা আবশ্যক। |
| ৪. বালু | বালু কংক্রিট তৈরিতে ব্যবহৃত একটি নির্মাণসামগ্রী। এটি মোটা, মিহি, ভিটি এ তিন প্রকারের হয়। |
| ৫. লৌহ | নির্মাণ কাজের জন্য ব্যবহৃত লৌহ সোজা ও অবিকৃত হতে হয়। লোহার গায়ে তেল, সিমেন্টের প্রলেপ ও মরিচা যেন না থাকে তা দেখে নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা উচিত। |
| ৬. কাঠ | আমাদের দেশে মেহগনি, কড়ই, চন্দন, কাঁঠাল, সেগুন, গজারি ইত্যাদি কাঠ নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হয়। নির্মাণ কাজের আগে অবশ্যই এটি সিজনিং করে নিতে হবে। |
টাইলস: বর্তমানে গৃহ নির্মাণে টাইলস বেশ জনপ্রিয়। ঘরের মেঝে, দেয়াল ও সিঁড়িতে টাইলস ব্যবহার করা হয়। ভালো টাইলসের আকার ও আকৃতি সমান হয়।
উপরিউক্ত নির্মাণসামগ্রীগুলো আলমের মতো বাড়ি তৈরি করতে প্রয়োজন। কিন্তু কবির টিন, টাইলস, কাঠ ও বাঁশ কিনে আনে। তাই বলা যায়, কবিরের কেনা সামগ্রীগুলো দিয়ে আলমের মতো বাড়ি তৈরি করা সম্ভব নয়।
গৃহ নির্মাণের জন্য যেসব জিনিস ব্যবহার করা হয় তাই নির্মাণসামগ্রী।
বালি গৃহ নির্মাণসামগ্রীর মধ্যে অন্যতম।
বালি তিন ধরনের হয়। যথা- ১. মোটা বালি, ২. মিহি বালি, ৩. ভিটি বালি। ভালো বালি ধুলা-ময়লা ও কাদামাটিমুক্ত হয়। মোটা বালুতে কংক্রিট ভালো হয় এবং মিহি বালু দিয়ে প্লাস্টারের কাজ করা হয়। ভিটি বালু ভরাট করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!