যে কাজে শরীরের শক্তি বেশি ব্যবহার করা হয় তাকে কায়িক শ্রম বলে, আর যে কাজে বুদ্ধি ও চিন্তার ব্যবহার বেশি হয় তাকে মানসিক শ্রম বলে।
একজন শিক্ষকের মানসিক শ্রমের গুরুত্ব নিচে দেওয়া হলো-
১. শিক্ষক শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শেখানোর মাধ্যমে তাদের জ্ঞানের পরিধি বাড়িয়ে দেন।
২. তিনি শিক্ষার্থীদের ভালো-মন্দের পার্থক্য বুঝিয়ে একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন।
৩. শিক্ষকের মেধা ও সঠিক দিকনির্দেশনা দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিক তৈরি করতে সাহায্য করে।
Related Question
View Allপ্রত্যেক পেশার মানুষ দৈহিক ও মানসিক শ্রম দেন।
যিনি ভালো কাজের জন্য প্রচুর শ্রম দেন, তাঁকে সকলে পছন্দ করে।
পরিবার ও সমাজের কল্যাণের জন্য শ্রম প্রয়োজন।
প্রত্যেক বিক্রেতার উচিত ন্যায্য মূল্যে দ্রব্য বিক্রি করা।
প্রতিটি পেশার মানুষ দৈহিক ও মানসিক শ্রম দিয়ে থাকেন।
কোনো পেশায় দৈহিক শ্রম বেশি, আবার কোনো পেশায় মানসিক শ্রম বেশি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!