উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্রে x হলো উদ্ভিদ ও y হলো পাখি অর্থাৎ প্রাণী। জীবনধারণের জন্য এরা পরস্পরের উপর নির্ভরশীল। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতিতে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং পানি ব্যবহার করে গ্লুকোজ এবং অক্সিজেন উৎপন্ন করে। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন অক্সিজেন উদ্ভিদ এবং প্রাণীর শ্বসন প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপাদনে কাজে লাগে। প্রাণীর, শ্বসন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন কার্বন ডাইঅক্সাইড উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়। এভাবেই সালোকসংশ্লেষণ এবং শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। এছাড়া উদ্ভিদের বংশবিস্তারে বিভিন্ন প্রাণী যেমন- পশু, পাখি ভূমিকা রাখে। অনেক উদ্ভিদ আছে যারা বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে।'
অর্থাৎ উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, জীবনধারণের জন্য উদ্ভিদ ও প্রাণী পরস্পরের উপর নির্ভরশীল।।
Related Question
View Allআমাদের চারপাশে যা কিছু আছে, সবকিছু নিয়েই পরিবেশ।
পরিবেশের উপাদানসমূহের মধ্যে যদি কোনো কারণে কোনো পরিবর্তন ঘটে তবে জীবের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়। এ স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হওয়াকেই দূষণ বলে। যেমন- বায়ু দূষণ, মাটি দূষণ, পানি দূষণ ইত্যাদি। এগুলোর যেকোনো একটি দূষিত হলে পরিবেশ দূষিত হয়ে পড়ে।
উদ্দীপকের ছকে X কলামের উপাদানগুলো হলো মাটি, পানি বায়ু ও আলো। এগুলো পরিবেশের জড় উপাদান। এগুলোর উপর 'Y কলামের উদ্ভিদ ধানগাছ বিভিন্নভাবে নির্ভরশীল। যেমন-
১. ধান গাছ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে। এ প্রক্রিয়া সংঘটনে পানি, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও আলো সবগুলোই প্রয়োজন হয়।
২. ধান, গাছের জীবনধারণের জন্য পানি প্রয়োজন। এ পানি গাছটি মূলরোমের সাহায্যে মাটি থেকে শোষণ করে। শোষণকৃত পানি দ্বারা নানা জৈবনিক কাজগুলো সম্পন্ন করে।
৩. ধানগাছ মাটিতে আবদ্ধ থাকে। মাটি থেকে জীবনধারণের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সংগ্রহ করে।
এভাবে X কলামের উপাদানগুলো ধানগাছকে টিকে থাকতে সহায়তা করে। উক্ত উপাদানগুলো ছাড়া ধানগাছ বাঁচতে পারবে না।
Z কলামের মানুষ বেঁচে থাকার জন্য X ও Y কলামের উভয়ের উপর নানাভাবে নির্ভরশীল। যেমন-
১. মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন খাদ্য। এ খাদ্য মানুষ নিজে তৈরি করতে পারে না। Y কলামের ধানগাছ অর্থাৎ উদ্ভিদ প্রজাতি X কলামের উপাদানগুলো ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করে। মানুষ উদ্ভিদ কর্তৃক তৈরিকৃত এসব খাদ্য নানাভাবে খেয়ে থাকে। যেমন- ধানগাছ থেকে উৎপাদিত ধানকে চালে রূপান্তর করে তা খেয়ে থাকে। এখানে খাদ্যের জন্য মানুষকে X ও Y উভয়ের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে।
২. মানুষ নিঃশ্বাসের সাথে বায়ু থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। বায়ুতে এ অক্সিজেন আসে উদ্ভিদের মাধ্যমে।
৩. পানি ও আলো ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারবে না। পানি X কলামের একটি উপাদান।
৪. মানুষ মাটিতে নানা উদ্ভিদ যেমন- ধানগাছ জন্মিয়ে নানা চাহিদা মেটায়। এক্ষেত্রেও মানুষকে X ও Y কলামের ওপর নির্ভর করতে হয়।
উপরের উদাহরণগুলো স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে, মানুষ বেঁচে থাকার জন্য X ও Y- উভয়েরই উপর নির্ভরশীল।' করে
আমাদের পরিবেশের মাটি, পানি, বায়ু, আলো, ঘরবাড়ি ইত্যাদি, অজীব উপাদান নিয়ে যে পরিবেশ গঠিত হয় তাই জড় পরিবেশ।।
প্রতিকূল পরিবেশে জীব টিকে থাকতে না পেরে আস্তে আস্তে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়াকে জীবের বিলুপ্তি বলে। যেমন- বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন ডাইনোসর যখন পৃথিবীতে ছিল তখন পৃথিবী অনেক উত্তপ্ত ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই পৃথিবী অনেক ঠান্ডা হয়ে যায়। এ ঠান্ডা সইতে না পেরে তারা সবাই মারা যায় অর্থাৎ এদের বিলুপ্তি ঘটে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!