সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে এবং বিভিন্ন কর্মমুখী শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে নাছিরের পরিবারের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করা যাবে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত নাছিরের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তার প্রথম স্ত্রীর পাঁচটি সন্তান থাকার পরও সে আবার পুত্র সন্তানের আশায় বিয়ে করে ও তিনটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। অর্থাৎ এখন তার সন্তানের সংখ্যা আটজন। নাছির অজ্ঞতা ও শিক্ষার অভারে এতগুলো সন্তানকে জন্ম দিয়েছে। এতবড় একটি পরিবার সামলানো তার মতো দরিদ্র মানুষের পক্ষে খুবই কষ্টসাধ্য। তার এ অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটতে পারে যদি সে তার সন্তানদেরকে সুশিক্ষিত ও কর্মদক্ষ করে গড়ে তোলার মাধ্যমে জনসম্পদে পরিণত করতে পারে।
জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার উপায় হলো সন্তানদেরকে শিক্ষিত করে তোলা। নাছিরের ধারণা পুত্র সন্তান হলে সে বৃদ্ধ বয়সে ভরণ- পোষণের দায়িত্ব পালন করতো। নাছিরের এ ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। বর্তমানে শিক্ষিত মেয়েরা বিয়ের পরও তার পিতা মাতাকে ভরণ-পোষণ করে থাকে। এজন্য প্রথমত নাছিরের কর্তব্য হলো তার প্রতিটি মেয়েকে শিক্ষিত করে তোলা। বর্তমান সরকারও মেয়েদের শিক্ষার ব্যাপারে নানারকম সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে। বিনামূল্যে পাঠ্যবই সরবরাহ, উপবৃত্তির ব্যবস্থা, নানারকম প্রশিক্ষণের সুযোগ দিয়ে মেয়েদেরকে শিক্ষার ক্ষেত্রে উৎসাহী করে তুলছে। পড়াশোনার শেষে মেয়েদের চাকরির ক্ষেত্রেও সরকার সুযোগ দিচ্ছে।
অর্থাৎ, নাছির যে ভুল করেছে সে ভুলটি অভিশাপ না হয়ে আশীর্বাদ হয়ে যেতে পারে যদি সে তার সন্তানদেরকে শিক্ষিত করে তোলে। তাহলে তার সন্তানরা জনসম্পদে পরিণত হবে এবং তার বৃদ্ধ বয়সের ভরণ- পোষণের যে চিন্তা তাও দূর হবে।
Related Question
View Allবর্তমানে বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭।
খাদ্যনিরাপত্তা বলতে খাদ্যের প্রাপ্যতা, খাদ্য ক্রয় করার ক্ষমতা এবং খাদ্যের পুষ্টি এই তিনটি বিষয়কে বোঝানো হয়।
কোনো রাষ্ট্রে যখন পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্যের মজুদ থাকে এবং জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহ করা হয় তখন সেই রাষ্ট্রে খাদ্যনিরাপত্তা আছে বলে মনে করা হয়। খাদ্যনিরাপত্তার ফলে নাগরিকদের মধ্যে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা থাকে না। খাদ্য সংকট মোকাবিলার জন্য সঠিক খাদ্যনীতি বা খাদ্যনিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।
সুমির জীবনে প্রথম সমস্যাটি যৌতুক প্রথাকে চিহ্নিত করে।
নারী নির্যাতনের অন্যতম ধরন হচ্ছে যৌতুক। পাত্র বা পাত্রীপক্ষ কর্তৃক পাত্রীকে বা পাত্রকে প্রদেয় অর্থ-সম্পত্তি বা অন্যান্য দ্রব্যসামগ্রীকে যৌতুক বলা হয়। যৌতুক উভয়পক্ষকে প্রদানের রীতি থাকলেও আমাদের সমাজে যৌতুক প্রধানত পাত্রীপক্ষ, পাত্রপক্ষকে বা পাত্রকে প্রদান করে। যৌতুক একটি সামাজিক কু-প্রথা। যৌতুকের দাবিকে কেন্দ্র করে বিয়ের পর পারিবারিক কলহ, স্ত্রী নির্যাতন ও হত্যা, বিবাহ-বিচ্ছেদ ইত্যাদি ঘটে। নারীদের আত্মহত্যার পেছনে যৌতুকপ্রথা অনেকাংশে দায়ী।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সুমির বিয়ের সময় তার স্বামীকে যে টাকা-পয়সা দেওয়ার কথা ছিল তা দিতে না পারার কারণে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার সাথে খারাপ আচরণ করতে থাকে। যা যৌতুক প্রথার একটি কুফল।
সুমির মতো নারীদের যৌতুক প্রথার সমস্যা থেকে রক্ষা করতে উদ্দীপকে বর্ণিত কাজটি অর্থাৎ অর্থনৈতিক কাজ যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে।
আমাদের দেশে অধিকাংশ নারী পরিবারের পুরুষ সদস্যের আয়ের ওপর নির্ভরশীল। ফলে সংসারের যেকোনো বিষয়ে তাদেরকে বাবা, ভাই ও স্বামীর সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করতে হয়। এই নির্ভরশীলতার কারণে সংসারের কোনো সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তারা মতামত দিতে পারে না বা তাদের মতামত গ্রহণ করা হয় না। অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরশীলতা নারীর অবস্থানকে সমাজে ও পরিবারে মর্যাদাসম্পন্ন করে। একজন উপার্জনক্ষম নারী শুধু নিজের ওপর নির্ভরশীল নয়, সংসারের বিভিন্ন বিষয়েও তার সিদ্ধান্ত বা মতামত গ্রহণ করা হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সুমি তার স্বামীর ওপর অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল ছিল বিধায় স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সবাই তার সাথে খারাপ আচরণ করত। যখন সে সেলাই কাজ করে পরিবারের অর্থনীতিতে অবদান রাখা শুরু করে, তখন পরিবারের সবাই তার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে।
আমাদের দেশে যেসব নারী অর্থনৈতিকভাবে স্বামীর ওপর নির্ভরশীল, তারাই নির্যাতনের শিকার বেশি হয়। তবে আত্মনির্ভরশীল নারীরা নির্যাতনের শিকার কম হয়। কেননা তারা নিজেদের অধিকার সম্পর্কেও সচেতন থাকে। সুতরাং বলা যায়, অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরশীলতা নারী নির্যাতন রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশের নতুন জনসংখ্যানীতি গৃহীত হয় ২০০৪ সালে।
সন্ত্রাসের অন্যতম ধরন হলো রাজনৈতিক সন্ত্রাস।
রাজনীতির নামে রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা গোষ্ঠীবিশেষ যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে তাকে রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে। সন্ত্রাসীরা, শ্রেণি সংগ্রামের নামে আবার কখনো কখনো রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!