সকল ক্ষেত্রে আয় ও ভোগ, ধনী-দরিদ্র এবং জেন্ডার ও অঞ্চল বৈষম্য দূর করা জাতিসংঘের এসডিজি কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। সম্পদের অসম বণ্টন এবং আয় বৈষম্যের কারণে দিন দিন ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান বাড়ছে। জেন্ডার বৈষম্যের কারণে নারীরা তাদের অনেক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং পুরুষদের তুলনায় তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছে। আবার আঞ্চলিক বৈষম্যের কারণে একটি দেশ উন্নত হচ্ছে এবং অন্য আরেকটি দেশ পিছিয়ে পড়ছে। তাই বলা যায়, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন করা সম্ভব হলে সকল ক্ষেত্রে বৈষম্য কমিয়ে আনা যাবে।
Related Question
View Allজলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।
জলবায়ু কার্যক্রম হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' এর ১৩তম লক্ষ্যমাত্রা।
সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।
এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!