উপাত্তসমূহ মাঝামাঝি বা কেন্দ্রের মানের দিকে পুঞ্জিভূত হয়। মাঝামাঝি বা কেন্দ্রীয় মানের দিকে উপাত্তসমূহের পুঞ্জিভূত হওয়ার প্রবণতাকে কেন্দ্রীয় প্রবণতা বলে।
ধরা যাক, কোনো একজন ছাত্রীর ৫ বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর হলো-১২, ২৬, ১০, ৩০, ২২
সে গড়ে = = ২০ নম্বর পেয়েছে। এই ২০ মানটিই হচ্ছে ৫ কেন্দ্রীয় প্রবণতা।
Related Question
View Allসংখ্যাভিত্তিক কোনো তথ্য বা ঘটনা হচ্ছে একটি পরিসংখ্যান। আর তথ্য বা ঘটনা নির্দেশক সংখ্যাগুলো হচ্ছে পরিসংখ্যানের উপাত্ত। ধরা যাক একটি দলে ৭ জন সদস্যের বয়স হলো ১৮, ২০, ২৫, ১৯, ২৩, ২৬, ২৪। এখানে বয়স নির্দেশিত সংখ্যাসমূহ একটি পরিসংখ্যান। আর সংখ্যাগুলো হলো এ পরিসংখ্যানের' উপাত্ত।
সংগৃহীত উপাত্তগুলো যদি এলোমেলোভাবে সাজানো থাকে তবে তাকে অবিন্যস্ত উপাত্ত বলে।
যেমন- ১৫, ১০, ১১, ২৪, ১৮, ৯, ২২, ২৫, ১৩, ১৬, ৭
উপাত্ত যদি মানের কোনো ক্রমে সাজানো থাকে তবে তাকে বিন্যস্ত উপাত্ত বলে।
যেমন- ৭, ৯, ১০, ১১, ১০, ১৫, ১৬, ১৮, ২২, ২৪, ২৫
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক উপাত্তের দুটি পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো:
| প্রাথমিক উপাত্ত | মাধ্যমিক উপাত্ত |
| প্রাথমিক উপাতে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করা হয়। | মাধ্যমিক উপাত্তে পরোক্ষ উৎস হতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। |
| প্রাথমিক উপাত্তের নির্ভরযোগ্যতা বেশি | মাধ্যমিক উপাত্তের নির্ভরযোগ্যতা কম। |
গণসংখ্যা: শ্রেণিসমূহের মধ্যে সংখ্যা সূচক তথ্যরাশির হ মানগুলো ট্যালি চিহ্ন দিয়ে প্রকাশ করা হয় এবং এর মাধ্যমে গণসংখ্যা নির্ধারণ করা হয়। যে শ্রেণিতে যতগুলো ট্যালি চিহ্ন পড়বে তত হবে ঐ শ্রেণির গণসংখ্যা।
গণসংখ্যা নিবেশন সারণি: শ্রেণি বিন্যাসের মাধ্যমে অবিন্যস্ত উপাত্তসমূহ বিন্যস্ত উপাত্তে পরিণত করতে যে সারণিতে উপস্থাপন করা হয় তাই গণসংখ্যা নিবেশন সারণি।
যেকোনো শ্রেণির ঊর্ধ্বসীমা ও নিম্নসীমার ব্যবধান হলো সেই শ্রেণির শ্রেণিব্যাপ্তি। উদাহরণস্বরূপ: মনে করি, ২১-৪০ হলো একটি শ্রেণি। এর সর্বনিম্ন মান ২১ ও সর্বোচ্চ মান ৪০ এবং শ্রেণিব্যাপ্তি হবে (৪০-২১) + ১ = ২০।
উপাত্ত গণসংখ্যা সারণি তৈরি করার ধাপসমূহ-
১. পরিসর নির্ণয়;
২. শ্রেণিসংখ্যা নির্ণয়;
৩. শ্রেণিব্যাপ্তি নির্ণয়;
৪. ট্যালি চিহ্নের সাহায্যে গণসংখ্যা নির্ণয়
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!