Related Question
View Allপেশির কাজ হলো-
১. দেহের আকৃতি দান করে ও অস্থি সঞ্চালনে সহায়তা করে।
২. নড়াচড়া ও চলাচলে সাহায্য করে।
৩. দেহের ভিতরের অঙ্গাণুগুলোকে রক্ষা করে।
৪. হৃদপেশি দেহে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে।
আবরণী টিস্যুর বৈশিষ্ট্য হলো-
১. আবরণী টিস্যুগুলো এক বা একাধিক স্তরে সাজানো থাকে।
২. কোষগুলো একটি পাতলা ভিত্তি পর্দার উপর সাজানো থাকে।
৩. আবরণী টিস্যুতে কোনো আন্তঃকোষীয় ধাত্র থাকে না।
প্রোটোপ্লাজমে পর্দা দিয়ে বেষ্টিত সর্বাপেক্ষা ঘনবস্তুকে নিউক্লিয়াস বলে। প্রতিটি নিউক্লিয়াস, চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়-
নিউক্লিয়াসের চারটি অংশ নিচে আলোচনা করা হলো-
১ . নিউক্লিয়ার পর্দা: সজীব ও দ্বিস্তরবিশিষ্ট যে পর্দা দিয়ে প্রতিটি নিউক্লিয়াস আবৃত থাকে, তাকে নিউক্লিয়ার পর্দা বলে। নিউক্লিয়ার পর্দা অসংখ্য ছিদ্রযুক্ত। এসব ছিদ্রের নাম নিউক্লিয়ার রন্দ্র।
২. নিউক্লিওপ্লাজম : নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরস্থ নিউক্লিয়ার মেমব্রেন দিয়ে আবৃত স্বচ্ছ, দানাদার ও জেলির মতো অর্ধতরল পদার্থটির নাম নিউক্লিওপ্লাজম বা ক্যারিওলিম্ফ।
৩. নিউক্লিওলাস: নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে অবস্থিত ক্ষুদ্র, গোলাকার, উজ্জ্বল ও অপেক্ষাকৃত ঘন বস্তুটি নিউক্লিওলাস নামে পরিচিত। সাধারণত প্রতিটি নিউক্লিয়াসে একটি নিউক্লিওলাস থাকে।
৪. নিউক্লিওজালিকা বা ক্রোমাটিন তন্তু: নিউক্লিওপ্লাজমে ভাসমান অবস্থায় প্যাঁচানো সুতার মতো গঠনটি নিউক্লিওজালিকা বা ক্রোমাটিন জালিকা নামে পরিচিত।
প্লাস্টিডের কাজ উল্লেখ করা হলো-
১. প্লাস্টিড উদ্ভিদের খাদ্য সংশ্লেষে, বর্ণ গঠনে এবং খাদ্য সঞ্চয়ে মুখ্য ভূমিকা গ্রহণ করে।
২. প্লাস্টিডের মধ্যে ক্লোরোপ্লাস্ট উদ্ভিদে সবুজ বর্ণের ক্লোরোফিল নামক রঞ্জক পদার্থ ধারণ করে। সালোকসংশ্লেষণে সহায়তা করা এর প্রধান কাজ।
৩. ক্রোমোপ্লাস্ট ফুলের পাপড়ি ও ফলের গায়ে বিভিন্ন বর্ণবৈচিত্র্য সৃষ্টি করে।
৪. সবুজ ফল পাকার সময় ক্লোরোপ্লাস্ট ক্রোমোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হয়ে বর্ণবৈচিত্র্য সৃষ্টি করে।
৫. লিউকোপ্লাস্ট খাদ্য সঞ্চয় করে।
উদ্ভিদকোষের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. উদ্ভিদকোষে কোষপ্রাচীর বিদ্যামান।
২. এ কোষে প্লাস্টিড উপস্থিত থাকে।
উদ্ভিদকোষের প্রধান দুটি অংশের নাম হলো-
১. কোষপ্রাচীর ও
২. প্রোটোপ্লাজম।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!