ক্রেতাদের বাড়তি চাহিদা পূরণের জন্য রাসেলের উচিত নতুন পুঁজির সরবরাহ নিশ্চিত করা।
যেকোনো ধরনের ব্যবসায় বা উৎপাদনের কাজে মূলধন গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসায়িগণ ব্যবসায়ের প্রয়োজনে বিভিন্ন উৎস; যেমন- ব্যাংক, বিমা, বিভিন্ন ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠান, এনজিও হতে মূলধন সংগ্রহ করে। থাকে। এ মূলধন উপযুক্ত ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি করে ব্যক্তিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হয়।
উদ্দীপকে রাসেল ৩০,০০০ টাকা পুঁজি নিয়ে নিজের পুকুরে সংগৃহীত উন্নত জাতের তেলাপিয়া মাছের পোনার চাষ শুরু করেন। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই বিক্রয়যোগ্য হয়ে ওঠে এবং স্থানীয় বাজারে বিক্রয় করে। বাজারের ক্রেতারা যাতে নিজেদের পছন্দমতো মাছ ক্রয় করতে পারে এজন্য রাসেল দীর্ঘ সময় জীবন্ত রাখার জন্য কৃত্রিম উপায়ে মাছ সংরক্ষণ করেন। এতে তার মাছের চাহিদা বৃদ্ধি পেতে থাকে। অর্থস্বল্পতার কারণে এ বাড়তি চাহিদা মেটানো তার পক্ষে সবসময় সম্ভবপর হয়ে ওঠে না। এজন্য রাসেলের প্রয়োজন বিভিন্ন ঋণদানকারী সংস্থা বা এনজিও অথবা বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন হতে মূলধন সংগ্রহ করে ব্যবসায়ের পুঁজি বৃদ্ধি করা। তাহলেই রাসেল ক্রেতাদের বাড়তি চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবেন।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ক্রেতাদের বাড়তি চাহিদা পূরণের জন্য রাসেলের উচিত নতুন পুঁজির সরবরাহ নিশ্চিত করা।
Related Question
View Allমুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে পরিচালিত বিভিন্ন ধরনের উৎপাদন ও বন্টন সহ সকল, ঝুঁকিবহুল, ধারাবাহিক এবং বৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ব্যবসা বলে।
মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে পেশাজীবী গ্রাহকদের প্রয়োজন পূরণের সামর্থ্য কোন কাজ বা সুবিধা প্রদানকে প্রত্যক্ষ সেবা বলে।
সামাজিক ব্যবসায় হল নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস প্রবর্তিত একশ্রেণীর অর্থনৈতিক প্রকল্প যার মূল লক্ষ্য মুনাফার পরিবর্তে মানবকল্যাণ। যে কোন সাধারণ ব্যাবসায় প্রতিষ্ঠানের মতোই এই সকল প্রকল্প পরিচালিত হয় ; কেবল লক্ষ্য থাকে মানুষের কল্যাণ—বিশেষ করে দারিদ্র ও আয়বৈষম্য দূর করা। মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭০ দশক থেকে শুরু করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যাংকিং, টেলিকম, সৌরশক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি, টেক্সটাইল, তাঁত, বিপণন প্রভৃতি খাতে অনেকগুলো কোম্পানী স্থাপন করেছেন যেগুলোর মৌলিক উদ্দেশ্য মুনাফা ম্যাক্সিমাইজ করা নয় ; অন্যদিকে এগুলোর কোনটিই ব্যক্তিগত মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয় নি। এই উদ্যোগগুলো কার্যত সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য স্থাপিত ব্যবসায়িক প্রকল্প। এ ধরনের ব্যবসায়িক পুজিঁলগ্নির কথা ঐতিহ্যগত অর্থশাস্ত্রে নেই। এই পরিপ্রেক্ষিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের শেষভাগে "সামাজিক ব্যবসায়" ধারনাটি প্রবর্তন করেন।সামাজিক ব্যবসায়ের সঙ্গে সনাতন ব্যবসায়ের পার্থক্য কেবল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে: সনাতন ব্যবসায় মুনাফামুখী এবং সামাজিক ব্যবসায় কোম্পানি মুনাফা করবে নিশ্চয়ই, কিন্তু মালিক মুনাফা নেবে না, মালিক কেবল মূলধন ফেরত নিতে পারবে।
যে ব্যবসায় গঠন করতে উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারী মূলধন সরবরাহ করেন কিন্তু তার প্রধান উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয় বরং সমাজের কল্যাণ সাধন করা তাকে সামাজিক ব্যবসায় বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!