ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক কী?

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক স্থাপত্য যেখানে একাধিক কম্পিউটার (ক্লায়েন্ট) একটি কেন্দ্রীয় শক্তিশালী কম্পিউটার (সার্ভার) থেকে ডেটা, রিসোর্স বা বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করে থাকে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
947

Related Question

View All
উত্তরঃ

মোবাইল ফোনের সেল নেটওয়ার্ক ষড়ভুজাকৃতির হয় কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকাকে সবচেয়ে দক্ষতার সাথে বিভাজন ও কভার করার সুযোগ দেয়। ষড়ভুজাকৃতি এমন একটি জ্যামিতিক বিন্যাস যা কোনো সমতল ক্ষেত্রকে কোনো ফাঁকা স্থান না রেখে বা ওভারল্যাপ না করে সম্পূর্ণরূপে আবৃত করতে পারে, যা অন্যান্য আকৃতির (যেমন বর্গক্ষেত্র বা বৃত্ত) ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না।

এই ষড়ভুজাকার সেল বিন্যাস প্রতিটি বেস স্টেশনের কভারেজকে সর্বোচ্চ করে এবং সংলগ্ন সেলগুলোর মধ্যে সংকেতের ওভারল্যাপ ও হস্তক্ষেপ (interference) কমিয়ে আনে। এর ফলে একই ফ্রিকোয়েন্সি কম দূরত্বে পুনরায় ব্যবহার করা যায় (frequency reuse), যা স্পেকট্রাম ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি করে। এই কাঠামো কম সংখ্যক বেস স্টেশন ব্যবহার করে বিস্তৃত এলাকা জুড়ে নির্ভরযোগ্য নেটওয়ার্ক সেবা নিশ্চিত করে এবং ব্যবহারকারী এক সেল থেকে অন্য সেলে গেলে কল বিচ্ছিন্ন হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে।

Satt AI
Satt AI
6 days ago
2.5k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সাদিয়া আলোর গতিতে ডেটা ট্রান্সমিট হয় এমন ক্যাবল ব্যবহার করে ইন্টারনেট সংযোগ নিয়েছে। আলোর গতিতে ডেটা ট্রান্সমিট করতে সক্ষম ক্যাবল হলো ফাইবার অপটিক ক্যাবল (Fiber Optic Cable)। এই ক্যাবল মূলত অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে গঠিত, যা কাঁচ বা প্লাস্টিকের সরু তন্তু দিয়ে ডেটা সংকেতকে আলোক সংকেতে রূপান্তরিত করে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের (Total Internal Reflection) মাধ্যমে দ্রুত গতিতে ডেটা প্রেরণ করে।

ফাইবার অপটিক ক্যাবলের প্রধান গঠনগত অংশগুলো হলো: কোর (Core) এবং ক্ল্যাডিং (Cladding)। কোর হলো ক্যাবলের সবচেয়ে ভেতরের অংশ, যা অত্যন্ত বিশুদ্ধ কাঁচ বা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি। আলোক সংকেত এই কোরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। কোরের চারপাশে থাকে ক্ল্যাডিং, যা একই ধরনের কাঁচ বা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হলেও এর প্রতিসরাঙ্ক (Refractive Index) কোরের চেয়ে কম। এই কম প্রতিসরাঙ্কের কারণে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে, যার ফলে আলোক সংকেত কোরের বাইরে যেতে না পেরে বারবার প্রতিফলিত হয়ে এগিয়ে যায়।

ক্ল্যাডিং-এর বাইরে সাধারণত বাফার কোটিং (Buffer Coating) নামক একটি প্লাস্টিকের স্তর থাকে, যা ফাইবারকে আর্দ্রতা এবং অন্যান্য ভৌত ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এর পরে থাকে শক্তি প্রদানকারী স্তর (Strength Members), যা ফাইবারকে টানাপোড়েন বা বাঁকানো থেকে রক্ষা করার জন্য কেভলারের মতো উপাদান দিয়ে তৈরি হয়। সবশেষে, ক্যাবলের বাইরের সুরক্ষা স্তর হিসেবে আউটার জ্যাকেট (Outer Jacket) থাকে, যা পুরো ক্যাবলকে পরিবেশগত প্রভাব এবং যান্ত্রিক ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এই সুসংগঠিত কাঠামোর কারণেই ফাইবার অপটিক ক্যাবল উচ্চ গতি এবং দীর্ঘ দূরত্বে ডেটা প্রেরণে অত্যন্ত কার্যকর।

Satt AI
Satt AI
18 hours ago
627
উত্তরঃ

উদ্দীপকে আইসিটি শিক্ষক কর্তৃক শেখানো ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ডেটা ট্রান্সমিশন হলো অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন পদ্ধতি, এবং মনির কর্তৃক জানতে চাওয়া ব্লক আকারে সমান বিরতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হলো সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন পদ্ধতি। এই পদ্ধতি দুটির মধ্যে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের দক্ষতা বেশি, যা গাণিতিকভাবে প্রমাণ করা যায়। ব্যবহারের সিদ্ধান্তটি ডেটা স্থানান্তরের পরিমাণ এবং গতির উপর নির্ভর করে ব্যয়বহুল নাকি সাশ্রয়ী হবে তা বিশ্লেষণ করা হলো।

দক্ষতা প্রমাণ: অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে প্রতিটি ক্যারেক্টারের পূর্বে একটি স্টার্ট বিট এবং শেষে এক বা দুটি স্টপ বিট যুক্ত হয়। ধরা যাক, ৮ বিটের একটি ক্যারেক্টার স্থানান্তরে ১টি স্টার্ট বিট ও ১টি স্টপ বিট ব্যবহৃত হয়। তাহলে মোট বিট সংখ্যা = ১ (স্টার্ট) + ৮ (ডাটা) + ১ (স্টপ) = ১০ বিট। এক্ষেত্রে, দক্ষতা = (৮/১০) * ১০০% = ৮০%। অন্যদিকে, সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে ডেটা ব্লক আকারে প্রেরণ করা হয় এবং প্রতিটি ব্লকের শুরুতে হেডার ও শেষে ট্রেইলার হিসেবে কিছু অতিরিক্ত বিট যুক্ত হয়। যদি ১০০০ বাইটের (৮০০০ বিট) একটি ডেটা ব্লকের সাথে ২০ বাইট (১৬০ বিট) হেডার ও ট্রেইলার যুক্ত হয়, তাহলে মোট বিট সংখ্যা = ৮০০০ + ১৬০ = ৮১৬০ বিট। এক্ষেত্রে, দক্ষতা = (৮০০০/৮১৬০) * ১০০% ≈ ৯৮%। সুতরাং, গাণিতিকভাবে প্রমাণিত হয় যে, সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ।

ব্যবহারের সিদ্ধান্ত (ব্যয়বহুল নাকি সাশ্রয়ী): অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে সার্কিট সরল প্রকৃতির হওয়ায় এর ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম। এটি অল্প পরিমাণ ডেটা ধীর গতিতে স্থানান্তরের জন্য (যেমন, কিবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা ইনপুট) সাশ্রয়ী এবং উপযোগী। অপরদিকে, সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে জটিল সার্কিট এবং নির্ভুল ক্লক পালস (Clock Pulse) ব্যবহারের প্রয়োজন হয়, যা এর হার্ডওয়্যার খরচ বৃদ্ধি করে। তাই এটি প্রাথমিকভাবে ব্যয়বহুল মনে হতে পারে। তবে, যেহেতু এই পদ্ধতিতে দ্রুত গতিতে প্রচুর পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করা যায় এবং এর দক্ষতা অনেক বেশি, তাই বৃহৎ ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে (যেমন, কম্পিউটার থেকে কম্পিউটার বা সার্ভার থেকে ক্লায়েন্টে ডেটা ট্রান্সফার) দীর্ঘমেয়াদে এটি অধিক কার্যকরী ও সাশ্রয়ী।

পরিশেষে বলা যায়, ডেটা ট্রান্সমিশনের দক্ষতা বিচারে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের চেয়ে অনেক উন্নত। ব্যবহারের সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণরূপে ডেটা স্থানান্তরের পরিমাণ, প্রয়োজনীয় গতি এবং সামগ্রিক ব্যয়ের উপর নির্ভরশীল। অল্প ডেটা ও ধীর গতির জন্য অ্যাসিনক্রোনাস সাশ্রয়ী হলেও, উচ্চ গতি ও প্রচুর ডেটার জন্য সিনক্রোনাস পদ্ধতিই অধিক যুক্তিযুক্ত এবং দীর্ঘমেয়াদী বিবেচনায় সাশ্রয়ী সমাধান।

Satt AI
Satt AI
18 hours ago
424
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews