'ক্ষমা' কেবল একটি মহৎ গুণই নয়, এটি ধর্মেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সনাতন হিন্দু ধর্মশাস্ত্রে ধর্মের দশটি স্বরূপ বা বাহ্য লক্ষণের কথা বর্ণনা করা হয়েছে। যার মধ্যে 'ক্ষমা' অন্যতম। 'ক্ষমা' দ্বারা শত্রুকে শত্রুতা থেকে নিবৃত্ত করা যায়। ফলে সমাজ থেকে অশান্তি দূরীভূত হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্ষমার দ্বারা অর্ধামিক ধার্মিকে পরিণত হয়। তাই ক্ষমা ধর্মের অঙ্গ একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়।
Related Question
View Allযে শিক্ষা দ্বারা মানুষের মনে নীতিবোধ জন্মে, কিছু আচার ও নিয়মকানুন আয়ত্ব হয়, তাকে নৈতিক শিক্ষা বলে। নৈতিক শিক্ষার মধ্যে রয়েছে সত্যবাদিতা, ক্ষমা, কর্তব্যনিষ্ঠা, গুরুভক্তি, ভ্রাতৃপ্রেম ইত্যাদি।
সত্যকথা বলার অভ্যাস গঠনে পরিবারের ভূমিকা অনস্বীকার্য। মা-বাবা পরিবারের প্রধান তাই তাদেরকেই এ বিষয়ে অধিক সচেতন হতে হয়। মা-বাবাকে পরিবারের সকল কাজকর্মে সত্যকথা বলার অভ্যাস করতে হবে। পরিবারে সত্যকথা বলার পরিবেশ সৃষ্টি হলেই সন্তানের আচরণে তা প্রতিভাত হবে। সন্তান কোনো কাজে কোনো কারণে সত্য বলা থেকে বিরত থাকলে মা-বাবা এক্ষেত্রে তার ভুল সংশোধনের সুযোগ দিয়ে সত্য বলতে উৎসাহিত করবেন।
ধর্মের বাহ্য লক্ষণ রয়েছে দশটি। এগুলো হলো- সহিষ্ণুতা, ক্ষমা, দয়া, চুরি না করা, শুচিতা, ইন্দ্রিয়-সংযম, শুভবুদ্ধি, জ্ঞান, সত্য ও অক্রোধ।
'নীতি' শব্দ থেকে 'নৈতিক' শব্দের উৎপত্তি। আর নীতি বিষয়ক শিক্ষণ বা জ্ঞান হলো নৈতিক শিক্ষা। যে শিক্ষা দ্বারা মানুষের মনে নীতিবোধ জন্মে, কিছু আচার ও নিয়মকানুন আয়ত্ত হয়, তাকে 'নৈতিক শিক্ষা' বলা হয়।
যে শিক্ষা দ্বারা মানুষের মনে নীতিবোধ জন্মে, কিছু আচার ও নিয়মকানুন আয়ত্ত হয় তাকে বলা হয় 'নৈতিক শিক্ষা'। হিন্দু ধর্মগ্রন্থসমূহে তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক উপাখ্যানের মধ্য দিয়েও নৈতিক শিক্ষা প্রদান করা হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে ব্যক্তির মধ্যে সত্যবাদিতা, ক্ষমার ধারণা জন্মে। আর এজন্যই নৈতিক শিক্ষাকে ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ বলা হয়।
গোপন না করে অকপটে সবকিছু প্রকাশ করার নামই 'সত্যবাদিতা'। সত্যবাদিতা মানব চরিত্রের একটি বিশেষ মহৎ গুণ। এ গুণ যার থাকে, তিনি সমাজে বিশেষভাবে সম্মানিত হন। সত্যবাদিতা হলো ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!