'ক' দেশ কৃষিনির্ভর দেশ ছিল। উনিশ শতকের শেষদিক থেকে বিশ শতকের প্রথমদিকের মধ্যে এটি শিল্পায়িত দেশে পরিণত হয়। এ দেশের শিল্প বিকাশে অসাধারণ সাফল্যের মূলে ছিল জাতীয়তাবাদ ও ইউরোপের সেরা জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশের বাসনা। দেশটি পার্শ্ববর্তী কোনো দেশকে তাদের সমকক্ষ মনে করে না এবং অন্যান্য শক্তিশালী দেশের সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়। উপনিবেশের খোঁজে সে দেশ মরিয়া হয়ে ওঠে। এর পরিণামে 'ক' দেশের সাথে অনেক দেশের যুদ্ধ বাঁধে এবং যুদ্ধে এ দেশ পরাজিত হয়।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। জার্মানির অর্থনৈতিক অবস্থা সন্ধি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। জার্মানির গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, ভূখণ্ড, জনসংখ্যা জার্মানি থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল। জার্মানির ওপর যে ক্ষতিপূরণ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল তা জার্মানির পক্ষে পূরণ করা সম্ভব ছিল না। তাই জার্মানরা ভার্সাই চুক্তিকে চাপিয়ে দেওয়া চুক্তি বলে অভিহিত করেছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বর্ণিত দেশের সাথে শিল্প বিপ্লব-পরবর্তী জার্মানির মিল রয়েছে।
উনিশ শতকের শেষদিকে জার্মানি বিসমার্কের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি নতুন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। প্রথমদিকে জার্মানির কোনো উপনিবেশ ছিল না কারণ জার্মানিতে অনেক দেরিতে শিল্প বিপ্লব হয়েছিল। এছাড়াও বিসমার্কের উপনিবেশ স্থাপনের প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। পরবর্তীতে শিল্প বিপ্লবের ফলে জার্মানির বাজারের প্রয়োজন হয়। বিসমার্কের পতনের পর কাইজার জার্মানি সম্প্রসারণবাদের দিকে অগ্রসর হন। কিন্তু ব্রিটেন ও ফ্রান্সের তুলনামূলকভাবে আগে শিল্প সমৃদ্ধ হওয়ায় তারা বিশ্বের বিভিন্ন উপনিবেশ দখল করে বসে। ফলে জার্মানি নতুন করে উপনিবেশ লাভের জন্য ব্যগ্র হয়ে উঠলে জার্মানির সাথে এ শক্তিদ্বয়ের সংঘাত অনিবার্য হয়ে। এর চূড়ান্ত পরিণতিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়, যার পরিণাম ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ।
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' দেশ কৃষিনির্ভর দেশ থেকে শিল্পায়িত দেশে পরিণত হয়। সে দেশের শিল্প বিকাশে অসাধারণ সাফল্যের মূলে ছিল জাতীয়তাবাদ ও ইউরোপের সেরা জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশের বাসনা। কিন্তু 'ক'-এর কোনো উপনিবেশ নেই। তা সত্ত্বেও সে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য শক্তিশালী দেশের সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয় এবং উপনিবেশের খোঁজে মরিয়া হয়ে ওঠে। যার পরিণামে 'ক'-এর সাথে অনেক দেশের যুদ্ধ বাঁধে। উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকের বর্ণিত, দেশের সাথে পাঠ্যবইয়ে বর্ণিত জার্মানির মিল রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধকে ইঙ্গিত করা হয়েছে

১৯১৪-১৯১৮ সাল পর্যন্ত চলা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপ্তি, ধ্বংসযজ্ঞ ও হতাহতের সংখ্যা অতীতের সব যুদ্ধকে হার মানিয়েছিল। এ যুদ্ধের কারণগুলোর মধ্যে ছিল বিকাশমান পুঁজিবাদের দ্বন্দ্ব, উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের সংঘাত, সামরিক যুদ্ধ শিবিরে বিভক্ত বিশ্ব পরিস্থিতি ইত্যাদি। তবে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ ফ্রান্সিস ফার্ডিন্যান্ড ও তার স্ত্রী সোফিয়ার হত্যাকাণ্ডে এ যুদ্ধের সূচনা হয়। ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ ফার্ডিন্যান্ড সস্ত্রীক বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভোতে ভ্রমণকালে সার্ব আততায়ীর হাতে নিহত হন। এ হত্যাকাণ্ডের জন্য অস্ট্রিয়া সার্বিয়াকে সম্পূর্ণ দায়ী করে ২৮ জুলাই তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। পূর্বোক্ত মৈত্রী চুক্তি 'ত্রিশক্তি জোট' অনুযায়ী জার্মানি অস্ট্রিয়াকে সমর্থন জানায়। অন্যদিকে, ফ্রান্স ও রাশিয়া সার্বিয়াকে রক্ষার জন্য এগিয়ে আসে। পরে ইউরোপের অন্যান্য রাষ্ট্রও এ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় ভয়াবহ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।  প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সারা বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের জনজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছিল। যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সৈন্যের মধ্যে প্রায় এক কোটি যুদ্ধক্ষেত্রেই প্রাণ হারায়। প্রায় ৭০ লাখ সৈনিক পঙ্গু হয়। যুদ্ধের কারণে কর্মক্ষম মানুষ ও উৎপাদন হ্রাস, বেকারত্ব বৃদ্ধি, অর্থ ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতিতে বিশ্বে দারিদ্র্য ও নানা ধরনের অবক্ষয় দেখা দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
15
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

'লিজিয়ন অব অনার' হচ্ছে এক ধরনের উপাধি, যা ১৮০২ সালের ১৯ মে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট প্রবর্তন করেন। এটি ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সম্মাননা। লিজিয়ন অব অনার পাঁচ ভাগে বিভক্ত। যথা- ১. নাইট, ২. অফিসার, ৩. কমান্ডার, ৪. গ্র্যান্ড অফিসার ও ৫. গ্র্যান্ড ক্রস

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
106
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ঘটনাটি আমার পাঠ্যপুস্তকের ভার্সাই সন্ধির সাথে সংশ্লিষ্ট।
সারায়েভো হত্যাকান্ডকে কেন্দ্র করে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয় এবং প্রায় পুরো বিশ্ব দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তিনটি মহাদেশের ৩৪টি দেশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। চার বছরের অধিককাল স্থায়ী এ যুদ্ধে জার্মানি পরাজিত হলে বিজয়ী বিশ্বশক্তি জোট ১৯১৯ সালে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে জার্মানিকে একটি চুক্তি স্বাক্ষরে বাধ্য করে। সন্ধি স্বাক্ষরের পূর্বে ভার্সাই সন্ধির খসড়া জার্মানিকে দেওয়া হয়নি। তাই পরবর্তীতে জার্মানিরা এ সন্ধিকে চাপিয়ে দেওয়া সন্ধি বলে অভিহিত করে এবং প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, একটি অনুষ্ঠান আয়োজনকে কেন্দ্র করে আড়পাড়া ও জামতৈল গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় এবং তা দ্রুত অন্যান্য গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ বিষয়টি মীমাংসার জন্য বসে একতরফাভাবে আড়পাড়াকে দায়ী করে এবং তার ওপর ক্ষয়ক্ষতির বোঝা চাপিয়ে দেয়, যা ভার্সাই সন্ধির ঘটনাকে ইঙ্গিত করে।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনার সাথে ভার্সাই সন্ধির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
91
উত্তরঃ

উক্ত ঘটনার অর্থাৎ ভার্সাই সন্ধির প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী-উক্তিটি যথার্থ।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের ফলে মিত্রশক্তি ১৯১৯ সালের ২৮ জুন জার্মানির কাঁধে ভার্সাই সন্ধি চাপিয়ে দেয়। এ সন্ধিতে প্রথম। বিশ্বযুদ্ধের যাবতীয় ক্ষতিপূরণ জার্মানিকে দিতে বাধ্য করা হয়।। যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে জার্মানির নিকট থেকে ১৩২ বিলিয়ন স্বর্ণমুদ্রা আদায় করা হয়। জার্মানির সৈন্য সংখ্যা এক লাখে সীমিত করা হয়। যুদ্ধের সরঞ্জাম উৎপাদন, আমদানি-রপ্তানি নিষিদ্ধ করা

হয়। রাইন নদীর ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে সকল জার্মান দূর্গ। সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়। সন্ধি অনুযায়ী জার্মানি তার আলসাস
লোরেন ও খনিসমৃদ্ধ সার অঞ্চল ১৫ বছরের জন্য ফ্রান্সকে ছেড়ে দেয়। জার্মানি ভার্সাই সন্ধির কঠোরতায় ন্যুব্জ হয়ে পড়েছি জার্মানবাসী ভেতরে ভেতরে ফুসছিল এ সন্ধির নাগপাশ থেকে মুরি পাওয়ার জন্য। এ সময় উগ্র জাতীয়তাবাদী হিটলাটের আবির্ভাব ঘটে হিটলার ভার্সাই সন্ধির নিষ্ঠুরতা থেকে জার্মানবাসীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য এবং জার্মানির আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য মিত্রশক্তির বিরূদ্দে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এভাবেই ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয় এবং বিশ্ব আবার বিপর্যয়ের মুখে পতিত হয়।
পরিশেষে বলা যায়, ভার্সাই সন্ধির ক্ষতিকর প্রভাবই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে অনিবার্য করে তুলেছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
90
উত্তরঃ

উনবিংশ শতাব্দীর শেষে এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুতে জার্মান দার্শনিক, পণ্ডিত ও ঐতিহাসিকগণ এ কথা প্রচার করতে থাকেন যে জার্মানগণ হচ্ছে বিশুদ্ধ আর্য এবং বিশ্বের শ্রেষ্ঠ জাতি। ক্রমে এ জাতীয়তাবাদী ধারণা ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, রাশিয়া প্রভৃতি দেশে ছড়িয়ে পড়ে। জার্মান জাতিগত শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের জন্য অস্ত্রের ভাষা প্রয়োগ করে। ইউরোপের রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার জাতিগত বিদ্বেষ ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে। এ অবস্থাকে উগ্র জাতীয়তাবাদ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
102
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews