উত্তরঃ পাঁচ বিঘার বাগান ছিলো।
Satt AI
Satt AI
1 week ago

মৃত্যুঞ্জয়ের জাত বিসর্জনের কারণ হলো বিলাসীর প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সমাজের চোখরাঙানি। 

উত্তরঃ

মৃত্যুঞ্জয় কায়স্থের ছেলে। তার বাবা-মা বেঁচে নেই। গ্রামের আর দশটা ছেলের মতো সেও লেখাপড়া করে। কিন্তু ছাত্র হিসেবে ভালো নয় বিধায় সে কখনো থার্ড ক্লাস অতিক্রম করতে পারেনি। এদিকে পাড়ার এক সাপুড়ে মেয়ে বিলাসীর সঙ্গে তার ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গ্রামের রক্ষণশীল হিন্দু সমাজ কিছুতেই সে সম্পর্ক মেনে নেয়নি। কিন্তু মৃত্যুঞ্জয় তার ভালোবাসার টানে এবং সমাজপতিদের নানা অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে সাপুড়ে কন্যা বিলাসীকে বিয়ে করার মধ্য দিয়ে জাত-ধর্ম বিসর্জন দেয় । 

EmonYT
EmonYT
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সৌদামিনী এবং 'বিলাসী' গল্পের বিলাসী উভয় চরিত্রই প্রচলিত সামাজিক রীতিনীতি ও কুসংস্কারকে উপেক্ষা করে মানবিকতা ও আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাদের এই অদম্য মানসিকতা এবং সমাজের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে নিজস্ব আদর্শে অটল থাকার প্রবণতাই তাদের মধ্যে প্রধান সাদৃশ্য তৈরি করেছে।

উদ্দীপকের সৌদামিনী স্বামীকে হারানোর পর প্রতিকূল পরিস্থিতিতে শুধু নিজের সম্পত্তি রক্ষায় সচেষ্ট হননি, বরং দুর্ভিক্ষের সময় পরিত্যক্ত এক মানবশিশুকে কুড়িয়ে এনে সন্তানস্নেহে লালন-পালন করেছেন। তার জ্ঞাতি দেওর মনোরঞ্জন কর্তৃক 'নমঃশূদ্রের ঘরে ব্রাহ্মণ সন্তান পালিত হচ্ছে' এই অপবাদ দিয়ে সমাজচ্যুত করার অপচেষ্টা সত্ত্বেও সৌদামিনী তার মানবিক কর্তব্য থেকে বিচ্যুত হননি। এর মাধ্যমে তিনি তৎকালীন সমাজের জাত-পাতের নির্মম প্রথা এবং সম্পত্তির লোভী মানসিকতাকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

'বিলাসী' গল্পের বিলাসী যেমন মৃত্যু পথযাত্রী অমূল্যকে সুস্থ করে তোলার জন্য জাতিচ্যুত হওয়া সত্ত্বেও অক্লান্ত সেবা করেছে এবং ভালোবাসার টানে সমস্ত সামাজিক বাধা উপেক্ষা করেছে, তেমনি সৌদামিনীও কোনো প্রকার সামাজিক প্রথা বা সমালোচনার তোয়াক্কা না করে একটি অসহায় শিশুর প্রতি মায়ের মতো দায়িত্ব পালন করেছেন। উভয় চরিত্রই সমাজের ক্ষুদ্রতা ও সংকীর্ণতাকে অতিক্রম করে উদারতা, মমতা এবং মানবতাবোধের জয়গান গেয়েছে, যা তাদের চারিত্রিক দৃঢ়তা ও সংবেদনশীলতার দিক থেকে এক গভীর সাদৃশ্য তৈরি করেছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

‘বিলাসী’ গল্পে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তৎকালীন সমাজের জাতিভেদ প্রথা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে মানবতাবাদের জয়কে তুলে ধরেছেন। উদ্দীপকেও সমাজের প্রচলিত জাত-পাতের সংকীর্ণতাকে ছাপিয়ে মানবতাবোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে। এই দিক থেকে উদ্দীপকের মূলভাব ‘বিলাসী’ গল্পের আংশিক প্রতিচ্ছবি – উক্তিটি যথার্থ।

উদ্দীপকে দেখা যায়, বিধবা নমঃশূদ্র সৌদামিনী মালো একটি ব্রাহ্মণ শিশুকে সন্তানের মতো লালন-পালন করে। কিন্তু তার জ্ঞাতি দেওর মনোরঞ্জন সম্পত্তির লোভে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করার অপচেষ্টা চালায় এবং সমাজে প্রচার করে যে, নমঃশূদ্রের ঘরে ব্রাহ্মণ সন্তান পালিত হওয়া মহাপাপ। এখানে মনোরঞ্জনের স্বার্থান্ধতা এবং সমাজের জাত-পাতের কদর্য রূপ প্রকাশ পেয়েছে। পক্ষান্তরে সৌদামিনীর নিঃস্বার্থ মানবতাবোধ জাতিভেদের প্রাচীর ডিঙিয়ে যায়।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিলাসী’ গল্পেও এমন সংকীর্ণতার চিত্র দেখা যায়। গল্পের নায়ক মৃত্যুঞ্জয় ব্রাহ্মণ হয়েও সাপুড়ে কন্যা বিলাসীকে বিবাহ করায় এবং তার সাথে একত্রে বাস করায় সমাজ তাকে পরিত্যাগ করে। মৃত্যুঞ্জয়ের জ্ঞাতিরা তার সম্পত্তির লোভে তাকে সমাজের চোখে হেয় প্রতিপন্ন করে। কিন্তু এই প্রতিকূলতার মাঝেও বিলাসী মৃত্যুঞ্জয়ের প্রতি তার একনিষ্ঠ প্রেম ও সেবার মাধ্যমে মানবতাবোধের এক মহৎ দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। উভয় ক্ষেত্রেই সমাজের অযৌক্তিক জাতিভেদ প্রথা এবং স্বার্থপর মানুষের হীন মনোবৃত্তি মানবীয় সম্পর্ককে হেয় করার চেষ্টা করেছে।

যদিও ‘বিলাসী’ গল্পে প্রেম ও ত্যাগ প্রধান, আর উদ্দীপকে সন্তান স্নেহ ও সম্পত্তির লোভ প্রধান, তবুও উভয় ক্ষেত্রেই জাতিভেদ প্রথার অযৌক্তিকতা, সমাজের সংকীর্ণতা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে মানবতাবাদের জয়ই মূল প্রতিপাদ্য। সৌদামিনী যেমন জাত-পাতের ঊর্ধ্বে উঠে মানব শিশুকে আশ্রয় দিয়েছে, তেমনি বিলাসীও সমাজের চোখে নীচুতলার হয়েও তার ভালোবাসা ও সেবা দিয়ে শ্রেষ্ঠ মানবতাবোধের পরিচয় দিয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি ‘বিলাসী’ গল্পের মূলভাবের আংশিক প্রতিচ্ছবি বহন করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

যুক্তিপূর্ণ বা বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

মানব কল্যাণ মানুষকে অভাব, দুঃখ, কষ্ট ও বঞ্চনা থেকে মুক্তি দিয়ে তাদের জীবনমান উন্নত করে। যখন একজন মানুষ তার মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারে, নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবনযাপন করতে পারে, তখন তার আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়। মানব কল্যাণমূলক কাজ এভাবেই মানুষকে মর্যাদাপূর্ণ জীবন দিতে সহায়তা করে।

দুস্থ, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তাদের জন্য আশ্রয়, খাদ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করা মানব কল্যাণের অংশ। এসব উদ্যোগ মানুষকে নির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করে, যা তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও মর্যাদা বৃদ্ধি করে। সমাজে সকলে যখন পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সুখে ও শান্তিতে বসবাস করে, তখন প্রতিটি মানুষের মর্যাদা সুরক্ষিত হয় এবং একটি সুন্দর সমাজ গড়ে ওঠে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
590


আমার কর্ণধার আমি। আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। আমার যাত্রা শুরুর আগে আমি সালাম জানাচ্ছি— নমস্কার করছি আমার সত্যকে। যে-পথ আমার সত্যের বিরোধী, সে পথ আর কোনো পথই আমার বিপথ নয় । রাজভয়— লোকভয় কোনো ভয়ই আমায় বিপথে নিয়ে যাবে না। আমি যদি সত্যি করে আমার সত্যকে চিনে থাকি, আমার অন্তরে মিথ্যার ভয় না থাকে, তাহলে বাইরের কোনো ভয়ই আমার কিছু করতে পারবে না। যার ভিতরে ভয়, সেই বাইরে ভয় পায়। অতএব যে মিথ্যাকে চেনে, সে মিছামিছি তাকে ভয়ও করে না। যার মনে মিথ্যা, সে-ই মিথ্যাকে ভয় করে। নিজকে চিনলে মানুষের মনে আপনা-আপনি এত বড় একটা জোর আসে যে, সে আপন সত্য ছাড়া আর কাউকে কুর্নিশ করে না— অর্থাৎ কেউ তাকে ভয় দেখিয়ে পদানত রাখতে পারে না । এই যে, নিজকে চেনা, আপনার সত্যকে আপনার গুরু, পথপ্রদর্শক কাণ্ডারি বলে জানা, এটা দম্ভ নয়, অহংকার নয় । এটা আত্মকে চেনার সহজ স্বীকারোক্তি । আর যদি এটাকে কেউ ভুল করে অহংকার বলে মনে করেন, তবু এটা মন্দের ভালো— অর্থাৎ মিথ্যা বিনয়ের চেয়ে অনেক বেশি ভালো। অনেক সময় খুব বেশি বিনয় দেখাতে গিয়ে নিজের সত্যকে অস্বীকার করে ফেলা হয় । ওতে মানুষকে ক্রমেই ছোট করে ফেলে, মাথা নিচু করে আনে । ও রকম বিনয়ের চেয়ে অহংকারের পৌরুষ অনেক-অনেক ভালো ।
অতএব এই অভিশাপ-রথের সারথির স্পষ্ট কথা বলাটাকে কেউ যেন অহংকার বা স্পর্ধা বলে ভুল না করেন।
স্পষ্ট কথা বলায় একটা অবিনয় নিশ্চয় থাকে; কিন্তু তাতে কষ্ট পাওয়াটা দুর্বলতা। নিজকে চিনলে, নিজের সত্যকেই নিজের কর্ণধার মনে জানলে নিজের শক্তির ওপর অটুট বিশ্বাস আসে। এই স্বাবলম্বন, এই নিজের ওপর অটুট বিশ্বাস করতেই শেখাচ্ছিলেন মহাত্মা গান্ধীজি। কিন্তু আমরা তাঁর কথা বুঝলাম না, “আমি আছি” এই কথা না বলে সবাই বলতে লাগলাম “গান্ধীজি আছেন” । এই পরাবলম্বনই আমাদের নিষ্ক্রিয় করে ফেললে । একেই বলে সবচেয়ে বড় দাসত্ব। অন্তরে যাদের এত গোলামির ভাব, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পাবে কী করে? আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে। এই আত্মনির্ভরতা যেদিন সত্যি সত্যিই আমাদের আসবে, সেই দিনই আমরা স্বাধীন হব, তার আগে কিছুতেই নয়। নিজে নিষ্ক্রিয় থেকে অন্য একজন মহাপুরুষকে প্রাণপণে ভক্তি করলেই যদি দেশ উদ্ধার হয়ে যেত, তাহলে এই দেশ এতদিন পরাধীন থাকত না। আত্মকে চেনা নিজের সত্যকে বড় মনে করার দম্ভ— আর যাই হোক ভণ্ডামি নয়। এ-দম্ভ শির উঁচু করে, পুরুষ করে, মনে একটা ‘ডোন্ট কেয়ার’-ভাব আনে । আর যাদের এই তথাকথিত দম্ভ আছে, শুধু তারাই অসাধ্য সাধন করতে পারবে।
যার ভিত্তি পচে গেছে, তাকে একদম উপড়ে ফেলে নতুন করে ভিত্তি না গাঁথলে তার ওপর ইমারত যতবার খাড়া করা যাবে, ততবারই তা পড়ে যাবে। দেশের যারা শত্রু, দেশের যা-কিছু মিথ্যা, ভণ্ডামি, মেকি তা সব দূর করতে প্রয়োজন হবে আগুনের সম্মার্জনা! আমার এমন গুরু কেউ নেই, যার খাতিরে সে আগুন-সত্যকে অস্বীকার করে কারুর মিথ্যা বা ভণ্ডামিকে প্রশ্রয় দেবে। আমি সে-দাসত্ব হতে সম্পূর্ণ মুক্ত । আমি কোনো দিনই কারুর বাণীকে বেদবাক্য বলে মেনে নেব না, যদি তার সত্যতা প্রাণে তার সাড়া না দেয়। না বুঝে বোঝার ভণ্ডামি করে পাঁচ জনের শ্রদ্ধা আর প্রশংসা পাবার লোভ আমি কোনো দিনই করব না ।
ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়। কোনো ভুল করছি বুঝতে পারলেই আমি প্রাণ খুলে তা স্বীকার করে নেব। কিন্তু না বুঝেও নয়, ভয়েও নয়। ভুল করছি বা করেছি বুঝেও শুধু জেদের খাতিরে বা গোঁ বজায় রাখবার জন্যে ভুলটাকে ধরে থাকব না। তাহলে আমার আগুন সেই দিনই নিভে যাবে। একমাত্র মিথ্যার জলই এই শিখাকে নিভাতে পারবে। তাছাড়া কেউ নিভাতে পারবে না ।
মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম। হিন্দু-মুসলমানের মিলনের অন্তরায় বা ফাঁকি কোনখানে তা দেখিয়ে দিয়ে এর গলদ দূর করা আমার এ পথের অন্যতম উদ্দেশ্য। মানুষে মানুষে যেখানে প্রাণের মিল, আদত সত্যের মিল, সেখানে ধর্মের বৈষম্য, কোনো হিংসার দুশমনির ভাব আনে না । যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না। দেশের পক্ষে যা মঙ্গলকর বা সত্য, শুধু তাই লক্ষ্য করে এই আগুনের ঝান্ডা দুলিয়ে পথে বাহির হলাম ।

[সংক্ষেপিত ও পরিমার্জিত]

Related Question

View All
উত্তরঃ ৪৩ বছর বয়সে

কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। ১৯৪২ সালের দিকে তিনি পিক্‌স ডিজিজ (Pick's disease) নামক এক দুরারোগ্য নিউরোলজিক্যাল ব্যাধিতে আক্রান্ত হন। এই অসুস্থতার কারণে তার সাহিত্য জীবন ৪৩ বছর বয়সেই স্তব্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ৩৫ বছর নির্বাক থাকার পর ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর এই অসুস্থতা দেশের সাহিত্য অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
431
উত্তরঃ

মানুষ ধর্মকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয়, কারণ এটি সকল প্রকার আনুষ্ঠানিকতা ও বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠানের ঊর্ধ্বে মানবতা, পরোপকার, সহমর্মিতা ও নৈতিক মূল্যবোধকে স্থান দেয়। মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও কল্যাণ করাই এর মূল ভিত্তি।

প্রকৃত ধর্ম মানুষকে একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে এবং বিপদে পাশে দাঁড়াতে শেখায়। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের প্রতি সহানুভূতি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই হলো মানবধর্মের সারকথা। তাই সব ধর্মীয় ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে মানবসেবাকেই শ্রেষ্ঠ ধর্ম হিসেবে গণ্য করা হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
672
উত্তরঃ 48 বছর

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯ মে ১৯০৮ – ৩ ডিসেম্বর ১৯৫৬) ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী ও প্রভাবশালী লেখক। তাঁর প্রকৃত নাম ছিল প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। মাত্র ৪৮ বছর বয়সে তিনি প্রয়াত হন। তাঁর রচনায় মনস্তত্ত্বের গভীরতা ও বাস্তবতার কঠিন চিত্র ফুটে উঠেছে। মার্কসবাদী দর্শন ও ফ্রয়েডীয় মনোবিশ্লেষণ তাঁর সাহিত্যকর্মে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে 'পদ্মানদীর মাঝি', 'পুতুলনাচের ইতিকথা', 'দিবারাত্রির কাব্য' ইত্যাদি।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
443
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews