Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allখাসিয়া মেয়েদের ব্যবহৃত পোশাকের নাম 'কাজিম পিন' ও 'জৈনসেম'।
মনিপুরিদের পোশাক-পরিচ্ছদ অতি সাধারণ।
মনিপুরিরা বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি তাঁতে কাপড় তৈরি করে। মনিপুরি মেয়েরা যে পোশাক পরে তাতে দুটি অংশ থাকে। একটি অংশ হলো ব্লাউজ এবং অন্যটি লুঙ্গি। মেয়েরা বুক আবৃত করে লুঙ্গি পরে। এর সাথে ব্লাউজ পরে। একে 'নাগ পোশাক' বলে। সুতরাং বলা যায়, মনিপুরিদের পোশাকে দুটি অংশ থাকে।
উদ্দীপকে 'A' চিহ্নিত বস্তুটি হলো জামদানি।
জামদানি কার্পাস তুলা দিয়ে প্রস্তুত এক ধরনের পরিধেয় বস্ত্র। জামদানি বলতে সাধারণত শাড়িকেই বোঝানো হয়। তবে জামদানি দিয়ে নকশি ওড়না, কুর্তা, পাগড়ি, রুমাল, পর্দা প্রভৃতিও তৈরি করা হয়। উদ্দীপকে 'A' চিহ্নিত বস্ত্রটির বৈশিষ্ট্য হলো এটি মসলিনের উত্তরসূরি, যা জামদানিকেই নির্দেশ করে। কারণ প্রাচীনকালের মিহি মসলিন কাপড়ের উত্তরাধিকারি হিসেবে জামদানি অতি পরিচিত। পূর্বে জামদানি বস্ত্র তৈরিতে সুতি ও রেশম সুতা ব্যবহার হতো। কিন্তু বর্তমানে রেশম সুতার বদলে নাইলন এবং সুতি সুতা ব্যবহার করা হচ্ছে। সুতার সূক্ষ্মতার ওপর নির্ভর করে জামদানি বস্ত্রের মান ও গুণাগুণ। কেউ কেউ মনে করেন মুঘল আমলে ইরান, ইরাক থেকে মুসলিম ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় তাদের তৈরি কার্পেটের নকশাগুলো এ দেশে এসেছে। নকশাগুলো এ অঞ্চলের জামদানির কারিগর সম্প্রদায় বস্ত্র বয়নে ব্যবহার করেছে। জামদানি বয়নকারি তাঁতিরা পড়াশোনা জানতো না বলে তারা কার্পেটের নকশা কাগজে আঁকতে পারতো না। চারপাশের প্রাকৃতিক বস্তু থেকে ধারণা নিয়ে তারা নিজের মন থেকে সরাসরি কাপড়ে নকশা প্রয়োগ করতো।
ঐতিহাসিক পটভূমির দিক থেকে 'B' ও 'C' চিহ্নিত বস্ত্রের ভিন্নতা রয়েছে- উক্তিটি যথার্থ।
উদ্দীপকে 'B' চিহ্নিত বস্ত্রটির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলা হয়েছে এটি তন্তুর রানি এবং কোকুন পোকা থেকে তৈরি, যা রাজশাহী সিল্কের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। আর 'C' চিহ্নিত বস্ত্রটির ক্ষেত্রে বলা হয়ে এটি স্বদেশি আন্দোলনের সাথে জড়িত, যা খদ্দর কাপড়কেই নির্দেশ করছে। রাজশাহী সিল্ক এবং খদ্দর বস্ত্রের মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে। খদ্দর কাপড় সস্তা ও সহজলভ্য। পাতলা ও মোটা উভয় ধরনের খদ্দরের কাপড় পাওয়া যায়। এটি আরামদায়ক। এ কাপড় শীত, গ্রীষ্ম উভয় ঋতুতে পরিধানযোগ্য। খদ্দর কাপড়ের উপর বাটিক ও ব্লক প্রিন্ট করে নানা ধরনের পোশাক ও গৃহে ব্যবহৃত অন্যান্য বস্ত্র তৈরি হচ্ছে। খদ্দর বস্ত্র দেশে ও বিদেশে সমানভাবে সমাদৃত। তাই ফ্যাশন সৃষ্টিতে খদ্দরের ভূমিকা অনন্য।গুটি পোকা থেকে তৈরি হয় সিল্কের সুতা। প্রথমে সাদা রঙের গুটি পোকা সংগ্রহ করা হয়। এরপর সেই পোকাকে একটি নির্দিষ্ট ট্রেতে রেখে তাতে ছড়িয়ে দেওয়া হয় তুঁতগাছের পাতা। এই পাতা খেয়েই গুটি পোকা পূর্ণাঙ্গ দেহ অবয়ব পায়। পাতা খেতে খেতে এক সময় গুটি পোকা হলুদাভ রং ধারণ করে। তখন এটিকে আর পাতা খেতে দেয়া হয় না, রাখা হয় আলাদা ট্রেতে। সেখানে এটি পুরোপুরি হলুদ হয়ে শক্ত আকার ধারণ করে। তারপর এটিকে গরম পানিতে সিদ্ধ করে উপরের হলুদ খোসা সরিয়ে ফেলা হয়। বেরিয়ে আসে রেশম সুতার গুটি। এরপর ইলেকট্রিক চরকায় এ গুটি বসিয়ে বের করে নেওয়া হয় রেশম সুতা। এ সুতা আরও প্রক্রিয়াজাত করার পর চলে যায় বুনন কারখানায়। সেখানে শ্রমিকরা ডিজাইন মাফিক সুতা বসিয়ে তৈরি করেন শাড়িসহ রঙবেরঙের সিল্কের পোশাক।
রাখাইন শব্দের অর্থ রক্ষণশীল জাতি
কাতান শাড়ি বয়নে গর্ত তাঁত ব্যবহার করা হয়।
গর্ত তাঁতে শাড়ির নকশা তোলার কাজে জ্যাকার্ড ব্যবহার করা হয়। টানা ও বোনাতে রেশমি সুতা ও বুটির জন্য জরি ব্যবহৃত হয়। পাকানো রেশমি সুতার নাম কাতান। বেনারসি শাড়িতে পাকানো সুতা ব্যবহৃত হয় বলে এর অপর নাম কাতান শাড়ি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!