খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের কী ভূমিকা হওয়া উচিত বলে তুমি মনে কর? (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের ভূমিকা যা হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি তা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তথা এনজিওদের ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ। বর্তমানে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের এনজিও কর্মরত রয়েছে, এসব এনজিও গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানে সহায়তা করে। তবে এসব বেসরকারি সংস্থাসমূহ তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে বিধায় গ্রামের সাধারণ মানুষের সাথে এদের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টিতে বেসরকারি সংস্থাসমূহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থায় নিয়োজিত কর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবীরা তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রমের পাশাপাশি জনগণকে বিশুদ্ধ খাবার গ্রহণ ও বিশুদ্ধ পানি পানের উপকারিতা ও গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারে। তাছাড়া বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, দুর্ভিক্ষ, মহামারী প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় যখন মানুষ চরম খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আবর্তিত হয় তখন বেসরকারি সংস্থা বা এনজিও'র কর্মীরা তাদেরকে বিশুদ্ধ পানি ও নিরাপদ খাদ্য সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাধারণ জনগণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বর্তমানে সমাজে নৈতিক মূল্যবোধের যে অবক্ষয় ঘটছে তাতে সরকারের পক্ষে এককভাবে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভম্ব না; বরং এর সাথে দেশের সব শ্রেণি ও পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে, দেশে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। যারা খাদ্যদ্রব্যে বিভিন্ন ক্ষতিকর কেমিক্যালস ও ফরমালিন মিশিয়ে জনগণের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে তারা দেশের শত্রু, জনগণের শত্রু। এদেরকে খুঁজে বের করে আইনের কাছে সোপর্দ করতে হবে। জনগণকে ভেজালবিরোধী আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। জনগণ ভেজালবিরোধী আন্দোলনে সোচ্চার হলে মুষ্টিমেয় সমাজবিরোধী ও মানবতাবিরোধী ব্যক্তিরা এ জঘন্য অপরাধ করতে সাহস পাবে না।

উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
58

Related Question

View All
উত্তরঃ

যা ভোক্তার নিকট ক্ষতিকর হবে না এবং যা ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহৃত হবে ভোগের জন্য তা-ই নিরাপদ খাদ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
101
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর নির্দিষ্ট সময়ে অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যের প্রাপ্তিকেই খাদ্যের প্রাপ্যতা বলা হয়। পর্যাপ্ত উৎপাদন এবং নির্দিষ্ট স্থানে পর্যাপ্ত খাদ্যের যোগান খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে। কোনো নির্দিষ্ট স্থানে পর্যাপ্ত খাদ্যের সরবরাহ নির্ভর করে সরকারি ও বেসরকারি খাদ্যশস্য সরবরাহ ব্যবস্থাপনার উপর। কিছু কিছু জায়গায় পদ্ধতিগত দুর্বলতা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার অপর্যাপ্ততা ও প্রয়োজনীয় খাদ্যে সরকারি সহযোগিতার অভাবে খাদ্যের প্রাপ্যতা বাধাগ্রস্ত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
115
উত্তরঃ

উদ্দীপকে খাদ্যে ভেজালের কথা বলা হয়েছে। উক্ত বিষয়টি প্রতিরোধে সরকার যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

⇨ সরকার ভেজালবিরোধী আইনের মাধ্যমে সকল পর্যায়ে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রয়ের সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গকে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে সংসদে ভেজালবিরোধী আইন পাশ করার পাশাপাশি ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করেছে।

⇨ দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন বন্ধের পাশাপাশি বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ভেজালে সহায়তাকারী বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্যের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

⇨ ভেজাল প্রতিরোধে সরকার জনসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণকারীদের তাৎক্ষণিক শাস্তি প্রদানের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছে।

অতএব বলা যায়, সরকারের সদিচ্ছা এবং আইনের কার্যকরী প্রয়োগ দ্রুত দেশের ভেজাল প্রতিরোধ করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
101
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। নিচে আমার মতামত উপস্থাপন করা হলো-

উন্নত বিশ্ব খাদ্যে ভেজালের বিষয়ে কোনোরকম ছাড় দিতে নারাজ, যেকোনো কিছুর বিনিময়ে তারা নিরাপদ খাদ্য পেতে চায়। নিরাপদ খাদ্য পেতে তারা খরচের কথা চিন্তা করে না। ফলে তাদের খাদ্যের সরবরাহ ভালো। তাদের খাদ্য ক্রয়-বিক্রয়ও অনেক ভালো।
কিন্তু বাংলাদেশে ঠিক এর ব্যতিক্রম অবস্থা। বাংলাদেশে জনসংখ্যা অনেক বেশি হলেও এই খাদ্য সরবরাহ করার পরও মানুষ প্রচুর অপচয় করে। এই অপচয় রোধে বিক্রেতারা খাদ্যে পচনশীলতা দূর করতে ফরমালিনের মতো বিষও প্রয়োগ করে। বাংলাদেশে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ফল, সবজি, মাছ, মাংস ইত্যাদি সব খাদ্যে পচনশীলতা দূর করতে ফরমালিন প্রয়োগ করছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর। খাদ্যের এই ভেজাল দিন দিন মনে হয় আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকার বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও আশু প্রতিক্রিয়া তেমন দেখা যাচ্ছে না। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
94
উত্তরঃ

খাদ্য নিরাপত্তা হলো নির্ভরশীল স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যের পর্যাপ্ত যোগান যা ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে বিদ্যমান থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
127
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী কর্তৃক শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদান প্রাপ্তির লক্ষ্যে নির্দিষ্ট খাদ্যদ্রব্য গ্রহণকেই খাদ্যের ব্যবহার বলে।

শরীরে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানের ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে যে সব খাদ্য গ্রহণ করা হয়, তার আত্তীকরণের উপর নির্ভর করে খাদ্যের ব্যবহার। খাদ্যভোগের ধরন, পুষ্টিমান, স্বাস্থ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়গুলো সামাজিক, সাংস্কৃতিক উপাদান; যেমন- খাদ্যে প্রাপ্যতা খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা এবং তার ব্যবহারের উপর নির্ভর করে। দারিদ্র্য, লিঙ্গ, বয়স, কাঠামো ও সামর্থ্য, ভৌগোলিক অবস্থান, সংস্কৃতি চর্চা খাদ্যভোগের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
103
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews