উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'কবিকাহিনী' প্রকাশিত হয় যখন তাঁর বয়স ছিল ১৭ বছর।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

“সকলি দিলাম তুলে থরে বিথরে” উক্তিটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কথা ও কাহিনী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘পূজারিনী’ কবিতার একটি বিখ্যাত চরণ। এই চরণের মাধ্যমে শ্রীমতী নামক পূজারিনী তার আরাধ্য দেবতার চরণে নিজের সর্বস্ব নিবেদন করার কথা বলেছেন। এখানে ‘থরে বিথরে’ বলতে সবকিছু সুন্দরভাবে ও সুবিন্যস্ত করে উপস্থাপন করাকে বোঝানো হয়েছে, যা সম্পূর্ণতা ও একনিষ্ঠতার প্রতীক।

উদ্দীপকে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা প্রসঙ্গে এই উক্তিটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। শিল্পী তার তুলির মাধ্যমে দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা, মানুষের অবর্ণনীয় কষ্ট এবং লাঞ্ছিত জীবনের প্রতিটি দিককে অত্যন্ত নিপুণভাবে ও মর্মস্পর্শী রূপে তুলে ধরেছেন। যেন তিনি সমাজের কাছে দুর্ভিক্ষের সকল নির্মম সত্যকে সুবিন্যস্তভাবে তুলে ধরেছেন, যা তাঁর গভীর পর্যবেক্ষণ, সংবেদনশীলতা এবং শিল্পকর্মের প্রতি নিবেদিত প্রাণকে প্রকাশ করে। এভাবেই শিল্পী তাঁর সকল মেধা ও সৃষ্টিশীলতা দিয়ে দুর্ভিক্ষের বাস্তবতাকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছিলেন, যা তাকে অমর করে রেখেছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

আঠারো বছর বয়স বিপদের মুখে নির্ভীক ও দুর্মর সাহস নিয়ে এগিয়ে যায়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

“এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে”—কবির এই প্রত্যাশার মূলে রয়েছে তারুণ্যের অমিত শক্তি, অফুরন্ত সম্ভাবনা এবং অদম্য প্রাণশক্তি। কবি চেয়েছেন, আঠারোর প্রতীকী তারুণ্য সকল জড়তা ও পরাধীনতা দূর করে দেশকে প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যাক এবং একটি সুস্থ, সুন্দর ও সমৃদ্ধ সমাজ বিনির্মাণ করুক।

কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় তারুণ্যকে একদিকে যেমন সংকটপূর্ণ ও বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত করেছেন, তেমনি অন্যদিকে এটিকে সকল সৃষ্টির উৎস ও সম্ভাবনার স্বর্ণদুয়ার হিসেবেও দেখেছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, তারুণ্যের ভেতরের লুকায়িত বিদ্রোহ, তেজ ও কর্মস্পৃহা দেশের সকল অন্যায়, অবিচার এবং স্থবিরতা কাটিয়ে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। তাই তিনি দেশের বুকে এই তেজস্বী আঠারোর আগমন প্রত্যাশা করেছেন।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে তারুণ্যের যে বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরা হয়েছে, তা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূল সুরের সঙ্গে গভীরভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। উভয় ক্ষেত্রেই তারুণ্যকে অসীম শক্তি, গতিময়তা, তেজোময়তা এবং অপার সম্ভাবনার প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। উদ্দীপকের 'শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ডপ্রায়' – এই বর্ণনাগুলো 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য,/ বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে,/ প্রাণ তীব্র আর প্রখর' পঙ্‌ক্তিগুলোর মাধ্যমে প্রকাশিত তারুণ্যের দুর্বার গতি ও প্রচণ্ড শক্তিরই প্রতিধ্বনি।

উদ্দীপকে তারুণ্যকে 'বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, অটল যাহার সাধনা' এবং 'তিমির-বিদারী, সে যে আলোর দেবতা' হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে, যা অন্ধকারের বিনাশক ও আলোর অগ্রদূত। এই বিষয়টি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সেই অংশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে আঠারো বছরের তারুণ্যকে সমাজের যাবতীয় অশুভ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী, স্বপ্নদ্রষ্টা এবং সৃষ্টিশীল এক শক্তি হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই বয়সের তরুণরা যেমন নতুন কিছুর স্বপ্ন দেখে, তেমনি সমাজের প্রথাগত জরাকে ভেঙে নতুনত্ব আনতে চায়।

মূলত, উভয় রচনাতেই তারুণ্যকে কেবল একটি জৈবিক পর্যায় হিসেবে নয়, বরং একটি আদর্শিক ও বিপ্লবী শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। উদ্দীপকের 'মৃত্যু যাহার মুঠিতলে' বা 'রঙ ছড়াইতে ছড়াইতে তাহার অস্ত' বাক্যগুলো তারুণ্যের নির্ভীকতা, অমিত প্রাণশক্তি ও বৈচিত্র্যময়তার প্রতি ইঙ্গিত দেয়, যা 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার 'এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে,/ বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী সদাই' পঙ্‌ক্তিগুলোতে বর্ণিত তারুণ্যের নির্ভীক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যেরই অনুরূপ। উভয় রচনায় তারুণ্যকে একই সাথে ভয়ংকর ও ইতিবাচক পরিবর্তনের বাহক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি তারুণ্যের অফুরন্ত শক্তি, সাহস, সম্ভাবনা এবং একই সাথে এর বিপদসংকুল পথকে অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরেছে। উদ্দীপকের বর্ণনা তারুণ্যের ইতিবাচক ও শক্তিশালী দিকটিকে চমৎকারভাবে উপস্থাপন করলেও, কবিতার ভাবার্থ সম্পূর্ণরূপে এতে প্রতিফলিত হয়নি।

উদ্দীপকে তারুণ্যকে 'অপরিমাণ শক্তি', 'ঝঞ্ঝার ন্যায় গতিবেগ', 'নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ডপ্রায় তেজ' এবং 'বিপুল আশা' ও 'ক্লান্তিহীন উৎসাহে'র প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে তরুণ 'আলোর দেবতা' এবং 'তিমির-বিদারী' অর্থাৎ অন্ধকার দূরকারী। এই বর্ণনা তারুণ্যের অমিত সম্ভাবনা, অদম্য প্রাণশক্তি এবং বাধাবিপত্তি অতিক্রম করার সক্ষমতাকে ফুটিয়ে তুলেছে।

‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় সুকান্ত ভট্টাচার্য তারুণ্যের যে জয়যাত্রার কথা বলেছেন, উদ্দীপকে তার কিছু অংশ প্রতিফলিত হয়েছে। যেমন— উদ্দীপকের 'অপরিমাণ শক্তি', 'ক্লান্তিহীন উৎসাহ' এবং 'অটল সাধনা' কবিতার 'এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে' অথবা 'এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে'র মতো শক্তি ও সংগ্রামকে ইঙ্গিত করে। উদ্দীপকের 'তিমির-বিদারী' ও 'আলোর দেবতা'র ধারণা কবিতার তারুণ্যের বিপ্লবী চেতনা ও অন্ধকার দূর করার প্রতিশ্রুতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে, কবিতায় এই বয়সের যে অনিশ্চয়তা, 'দুঃসহ যন্ত্রণা', 'বেদনা', 'ক্ষতবিক্ষত হয়' এবং 'রক্তদানের পুণ্য' অর্জনের মতো আত্মত্যাগের কথা বলা হয়েছে, উদ্দীপকে তার উল্লেখ নেই। উদ্দীপক মূলত তারুণ্যের একটি উজ্জ্বল, আদর্শায়িত চিত্র তুলে ধরেছে, যেখানে এর চ্যালেঞ্জিং ও ঝুঁকিপূর্ণ দিকগুলি অনুপস্থিত।

সুতরাং, বলা যায় যে উদ্দীপকের বর্ণনা ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার তারুণ্যের একরৈখিক এবং ইতিবাচক দিকটিকে তুলে ধরেছে। এটি তারুণ্যের শক্তি ও আশাবাদকে ধারণ করলেও, কবিতার যে গভীরতা, বহুবিধ জটিলতা, এবং সংঘাতময় পথকে চিত্রিত করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি। কবিতার মূল ভাবার্থের একটি অংশ উদ্দীপকে ফুটে উঠলেও, তার পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ অনুপস্থিত।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

জননীর আশীর্বাদ এ দেশের গণমানুষকে ধন্য করবে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

“তার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল” – এই উক্তিটি দ্বারা কবি শত্রুর নির্মম প্রহার ও নির্যাতনের ফলে সৃষ্ট অত্যন্ত গভীর এবং রক্তাক্ত ক্ষতের কথা বোঝাতে চেয়েছেন। রক্তজবা ফুলের গাঢ় লাল রঙের সাথে তুলনা করে ক্ষতের ভয়াবহতা ও গভীরতাকে মূর্ত করে তোলা হয়েছে, যা শুধুমাত্র শারীরিক আঘাত নয়, বরং এক নির্মম ও অমানবিক পীড়নের চিত্র তুলে ধরে।

এই ধরনের ক্ষত সাধারণত প্রতিবাদী বা সংগ্রামী মানুষের ওপর চালানো নৃশংসতার প্রতীক। এটি নির্দেশ করে যে, কোনো বীর বা সাধারণ মানুষ নিজের আদর্শ বা জনগণের অধিকার রক্ষায় আত্মত্যাগের পথ বেছে নিলে, তাকে কী পরিমাণ নির্যাতন সহ্য করতে হতে পারে। কবি এই রূপকের মাধ্যমে আত্মদানকারী বীরদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন এবং তাদের সীমাহীন ত্যাগের মহিমাকে তুলে ধরেছেন, যা সংগ্রামের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
348


গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। 
কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা। 
রাশি রাশি ভারা ভারা
 ধান কাটা হলো সারা,
 ভরা নদী ক্ষুরধারা 
খরপরশা-
কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা ৷৷ 
একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা- 
চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা ॥ 
পরপারে দেখি আঁকা 
তরুছায়ামসী-মাখা 
গ্রামখানি মেঘে ঢাকা
প্রভাতবেলা- 
এপারেতে ছোটো খেত, আমি একেলা ৷৷ 
গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে! 
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে । 
ভরা পালে চলে যায়,
কোনো দিকে নাহি চায়,
ঢেউগুলি নিরুপায়
ভাঙে দু ধারে-
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে ৷।
ওগো, তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে? 
বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।
যারে খুশি তারে দাও -
যেয়ো যেথা যেতে চাও,
শুধু তুমি নিয়ে যাও
ক্ষণিক হেসে
আমার সোনার ধান কূলেতে এসে ॥
যত চাও তত লও তরণী-পরে ।
আর আছে— আর নাই, দিয়েছি ভরে ॥
এতকাল নদীকূলে
যাহা লয়ে ছিনু ভুলে
সকলি দিলাম তুলে
থরে বিথরে- 
এখন আমারে লহো করুণা করে ৷৷
ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই— ছোটো সে তরী 
আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।
শ্রাবণগগন ঘিরে
ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে,
শূন্য নদীর তীরে
রহিনু পড়ি-
যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী ।।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews