উত্তরঃ মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
উত্তরঃ

"আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি" চরণটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "সোনার তরী" কবিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর আক্ষরিক অর্থ হলো, কৃষকের ক্ষেতে ফলানো সোনালি ধানে তার নৌকা ভরে উঠেছে, যা তার পরিশ্রম ও সাফল্যের চরম প্রকাশ। এটি কৃষকের জীবনে প্রাচুর্য ও ফসল তোলার আনন্দকে নির্দেশ করে।

তবে, অনুধাবনমূলক অর্থে এই চরণটি গভীর প্রতীকি ব্যঞ্জনা বহন করে। এর মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, একজন মানুষের সৃষ্টিকর্ম বা মহৎ অবদান তার নিজস্ব জীবনের চেয়েও অধিক মূল্যবান ও স্থায়ী। কৃষক যেমন তার সোনার ধান নৌকায় তুলে দিতে পারলেও নিজে পারে না, তেমনি সৃষ্টিশীল ব্যক্তি তার সৃষ্টিকে কালের প্রবাহে অমরত্ব দিতে পারলেও ব্যক্তি হিসেবে নিজে চিরস্থায়ী হতে পারেন না। এই চরণটি সৃষ্টি ও স্রষ্টার মাঝে এক অমোঘ বিচ্ছিন্নতার ইঙ্গিত দেয়।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
উত্তরঃ

‘সোনার তরী’ কবিতার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো সৃষ্টির অমরত্ব ও স্রষ্টার নশ্বরতা। কবি উপলব্ধি করেছেন যে, নশ্বর পৃথিবীতে মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী হলেও তার সৃষ্টিকর্ম কালের প্রবাহে অমরত্ব লাভ করে এবং টিকে থাকে।

উদ্দীপকে বর্ণিত গানটিতে সৃষ্টির কাছে স্রষ্টার গৌণ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত নিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, মানুষকে নয়, তার গানকে ভালোবাসতে; পাখি নয়, তার গান স্মরণীয়; চাঁদ নয়, তার জোছনা কাম্য এবং গান শেষে বীণার মূল্যহীন হয়ে পড়ে থাকা। এই পঙক্তিগুলো সুস্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে, ব্যক্তি মানুষ মরণশীল হলেও তার সৃষ্টিকর্ম কালের বুকে অক্ষয় হয়ে থাকে, যা প্রকৃত অর্থে চিরকাল মানুষের কাছে আদৃত হয়।

‘সোনার তরী’ কবিতায়ও কবি দেখিয়েছেন যে, একজন কৃষক তার ধান নিয়ে তরী পার হতে চাইলেও তার ব্যক্তিগত অস্তিত্বের ঠাঁই হয় না, কেবল তার সৃষ্ট ধানই তরী বহন করে নিয়ে যায়। উদ্দীপকের গানের এই গভীর বার্তা অর্থাৎ, ব্যক্তিগত সত্তার ক্ষণস্থায়িত্ব এবং সৃষ্টিকর্মের অনন্ত প্রবাহ ‘সোনার তরী’ কবিতার এই মর্মবাণীকেই সমর্থন করে। উভয় ক্ষেত্রেই স্রষ্টা তার সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে অমরত্ব লাভ করলেও, তার নশ্বর সত্তা কালের অতল গহ্বরে বিলীন হয়ে যায়।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
উত্তরঃ বন্যা।
Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
উত্তরঃ

‘প্রতিদান’ কবিতায় কবি জসীমউদ্দীন তার প্রতি অন্যায়কারী, ক্ষতিসাধনকারী অথবা ঘৃণা প্রদর্শনকারীদের প্রতি কোনো বিদ্বেষ পোষণ না করে বরং তাদের জন্য শুভকামনা করার এবং ভালোবাসা ও মঙ্গলের প্রত্যাশা করার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন।

কবি এই কবিতার মাধ্যমে হিংসার বদলে ভালোবাসা, আঘাতের বদলে সহানুভূতি এবং অকল্যাণের বদলে কল্যাণ কামনার মধ্য দিয়ে এক সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজের স্বপ্ন দেখিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, ঘৃণা দিয়ে ঘৃণাকে জয় করা যায় না, বরং কেবল ভালোবাসা ও ক্ষমার দ্বারাই তা সম্ভব।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের হাসান চরিত্রের ক্ষমা ও পরোপকারের মানসিকতার সঙ্গে জসীমউদ্দীনের 'প্রতিদান' কবিতার মূল ভাবের গভীর সাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকে দেখা যায়, হাসান তার ক্ষতিসাধনকারী বিষদাতার প্রতি কোনো প্রকার রাগ বা হিংসা পোষণ না করে বরং তার মুক্তির জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছেন, যা 'প্রতিদান' কবিতার ক্ষমা ও ভালোবাসার বার্তারই প্রতিফলন।

'প্রতিদান' কবিতায় কবি জসীমউদ্দীন মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, ক্ষমা ও উদারতার আদর্শ তুলে ধরেছেন। কবি চান, যারা তার ক্ষতি করেছে, আঘাত দিয়েছে বা অভিশাপ দিয়েছে, তিনি যেন তাদের প্রতিদান হিসেবে ভালোবাসা, সহানুভূতি ও কল্যাণ ফিরিয়ে দিতে পারেন। এই কবিতাটিতে মানবতাবোধের এক মহৎ দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে হিংসার পরিবর্তে অহিংসা, বিদ্বেষের পরিবর্তে প্রীতি এবং ক্ষতির পরিবর্তে মঙ্গলকামনার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।

উদ্দীপকের হাসান তার ক্ষতিসাধনকারীকে চিনলেও তার নাম মুখে না আনা এবং তার প্রতি কোনো রাগ বা হিংসা না রাখার মানসিকতা 'প্রতিদান' কবিতার ক্ষমাশীলতার ধারণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। বিশেষ করে, "আমার বিষদাতার মুক্তির জন্য ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা করিব" - হাসানে এই উক্তিটি কবিতার "যাদের আমি ভালোবাসিনি, তারা আমার আঘাত করেছে" এর বিপরীতে "আমার প্রতিদান হলো তাদের মঙ্গল কামনা করা" - এই মূলভাবকে অত্যন্ত নিপুণভাবে ধারণ করে। উভয় ক্ষেত্রেই, আঘাতকারীকে প্রতিশোধের বদলে ক্ষমা ও মঙ্গলকামনার মাধ্যমে ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার এক অনন্য দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
উত্তরঃ

কাজী নজরুল ইসলামের 'প্রতিদান' কবিতায় কবি প্রেম, ক্ষমা ও উদারতার মাধ্যমে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন। এই কবিতায় নিষ্ঠুর ও অমানবিক মানুষের প্রতিও কবি ভালোবাসা ও ক্ষমা প্রদর্শনের কথা বলেছেন। উদ্দীপকের 'বিষদাতা' চরিত্রটি কবিতার সেই নিষ্ঠুর মানুষদেরই প্রতিনিধিত্ব করে, যারা অন্যের ক্ষতিসাধন করে।

উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, হাসান নামক এক ব্যক্তি তার 'অনুজ'কে অর্থাৎ ছোট ভাইকে বিষদাতার বিষয়ে বলছেন। হাসান বিষদাতার নাম মুখে আনতেও নারাজ এবং তার প্রতি তার কোনো রাগ, ক্ষোভ বা হিংসা নেই। বরং তিনি ঈশ্বরের নামে শপথ করে বিষদাতার মুক্তির জন্য প্রার্থনা করার কথা বলছেন। এখানে যে ব্যক্তি বিষ দিয়েছে, সেই 'বিষদাতা'ই হলো উদ্দীপকের নিষ্ঠুর মানুষ, যে হাসানের প্রতি অমানবিক আচরণ করেছে। এই আচরণ 'প্রতিদান' কবিতার 'নিষ্ঠুর মানুষ'-এর চিত্রকেই তুলে ধরে।

'প্রতিদান' কবিতায় কবি বলেছেন, "যে মোরে দিয়েছে বিষে ভরা বান/আমি দেই তারে ফুলেরই দান"। উদ্দীপকের বিষদাতা হাসানের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করলেও, হাসান তার প্রতি কোনো বিদ্বেষ পোষণ না করে তার মুক্তির জন্য প্রার্থনা করার মধ্য দিয়ে কবিতার এই মূলভাবকেই প্রকাশ করেছেন। অর্থাৎ, বিষদাতা কবিতার সেই নিষ্ঠুর মানুষদের প্রতিরূপ, যারা আঘাত বা ক্ষতি করে। তাদের এই নিষ্ঠুরতা কবিতার প্রেক্ষাপটে এক প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে। কবির আকাঙ্ক্ষা হলো, এই নিষ্ঠুরতা ও ক্ষমার ঊর্ধ্বে উঠে ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়া।

সুতরাং, উদ্দীপকের বিষদাতার চরিত্রটি 'প্রতিদান' কবিতার সেই নিষ্ঠুর মানুষদেরই প্রতিনিধি, যাদের অমানবিকতা সত্ত্বেও কবি তাদের প্রতি ভালোবাসা ও ক্ষমা প্রদর্শনের কথা বলেছেন। উদ্দীপকে হাসান তার বিষদাতার প্রতি ক্ষমা ও প্রার্থনা করার মধ্য দিয়ে কবিতার মূল শিক্ষাকেই যেন বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। তাই, মন্তব্যটি যথার্থ ও বিশ্লেষণমূলক।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
উত্তরঃ

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কৃষ্ণচূড়া ফুলের উল্লেখ রয়েছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

“দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে ফোটে ফুল” এই উক্তিটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, কোনো মহৎ অর্জনের পেছনে মায়ের মতো পবিত্র সত্তার গভীর আত্মত্যাগ ও যাতনা জড়িত থাকে। দেশমাতার জন্য অথবা সন্তান হারানো জননীর গভীর দুঃখ ও অশ্রু ঝরার মধ্য দিয়ে জাতির জীবনে নতুন সম্ভাবনা বা বিজয় সূচিত হয়, যা ফুলের প্রস্ফুটনের মতোই সুন্দর ও আকাঙ্ক্ষিত।

এই রূপকটি চরম দুঃখ, কষ্ট ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে অর্জিত শুভ ফলকে ইঙ্গিত করে। এটি ফুটিয়ে তোলে যে, দেশের স্বাধীনতা বা জাতির সমৃদ্ধির মতো অমূল্য জিনিসগুলো বহু মায়ের ত্যাগ, চোখের জল এবং বুকের রক্ত দিয়েই অর্জিত হয়, যা শেষ পর্যন্ত জাতির জন্য কল্যাণ ও গৌরবের প্রতীক হয়ে ওঠে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ইতিহাস প্রসঙ্গ এবং ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার ঐতিহ্য চেতনার মধ্যে গভীর সাদৃশ্য বিদ্যমান। উভয়ক্ষেত্রেই বাঙালি জাতির সুদীর্ঘ সংগ্রামী ইতিহাস, আত্মমর্যাদা এবং আপসহীনতার ঐতিহ্যকে মহিমান্বিত করা হয়েছে। উদ্দীপকে বাঙালি জাতির ঐতিহ্যবাহী আত্মপরিচয় এবং শত্রুর বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াইয়ের যে দৃঢ় চেতনা প্রকাশ পেয়েছে, তা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় উপস্থাপিত ঐতিহ্যানুসারী সংগ্রামেরই প্রতিচ্ছবি।

শামসুর রাহমানের 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত বাঙালি জাতির আত্মসচেতনতা, ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা এবং স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গের ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলে। কবিতায় 'বর্ণমালা', 'সালাম', 'বায়ান্নর রক্ত' ইত্যাদি প্রতীক ব্যবহারের মাধ্যমে বাঙালি জাতির ঐতিহ্যবাহী সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে প্রতিবারই বাঙালি তার অধিকার আদায়ে কোনো আপস করেনি বরং নতুন চেতনায় জেগে উঠেছে।

উদ্দীপকের "পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-" এবং "আপস করিনি কখনোই আমি—এই হলো ইতিহাস" পঙ্‌ক্তিগুলো বাঙালি জাতির ঐতিহ্যানুসারী গর্ব ও প্রতিরোধের ভাষাকেই তুলে ধরেছে। "শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস; অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ;" পঙ্‌ক্তিগুলো দ্বারাও বাঙালির সংগ্রাম ও সৃজনের ঐতিহ্যকে একই সাথে তুলে ধরা হয়েছে। এই আপসহীন সংগ্রামী ঐতিহ্যই ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার মূল চেতনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ, যেখানে বাঙালি তার ভাষা, সংস্কৃতি ও স্বাধীনতার জন্য বারবার লড়াই করেছে এবং নিজেদের ঐতিহ্যকে রক্ষা করতে দ্বিধা করেনি।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
410


গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। 
কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা। 
রাশি রাশি ভারা ভারা
 ধান কাটা হলো সারা,
 ভরা নদী ক্ষুরধারা 
খরপরশা-
কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা ৷৷ 
একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা- 
চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা ॥ 
পরপারে দেখি আঁকা 
তরুছায়ামসী-মাখা 
গ্রামখানি মেঘে ঢাকা
প্রভাতবেলা- 
এপারেতে ছোটো খেত, আমি একেলা ৷৷ 
গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে! 
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে । 
ভরা পালে চলে যায়,
কোনো দিকে নাহি চায়,
ঢেউগুলি নিরুপায়
ভাঙে দু ধারে-
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে ৷।
ওগো, তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে? 
বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।
যারে খুশি তারে দাও -
যেয়ো যেথা যেতে চাও,
শুধু তুমি নিয়ে যাও
ক্ষণিক হেসে
আমার সোনার ধান কূলেতে এসে ॥
যত চাও তত লও তরণী-পরে ।
আর আছে— আর নাই, দিয়েছি ভরে ॥
এতকাল নদীকূলে
যাহা লয়ে ছিনু ভুলে
সকলি দিলাম তুলে
থরে বিথরে- 
এখন আমারে লহো করুণা করে ৷৷
ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই— ছোটো সে তরী 
আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।
শ্রাবণগগন ঘিরে
ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে,
শূন্য নদীর তীরে
রহিনু পড়ি-
যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী ।।

Related Question

View All
উত্তরঃ

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কবি শামসুর রাহমান 'ঘাতকের অশুভ আস্তানা' বলতে তৎকালীন স্বৈরশাসক পাকিস্তানি সরকার ও তার শোষণ-নির্যাতনের মূল কেন্দ্রকে বুঝিয়েছেন। এটি সেই স্থান, যেখান থেকে বাঙালির ন্যায্য অধিকার হরণের জন্য সমস্ত চক্রান্ত ও দমননীতি পরিচালিত হতো।

বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের সময় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ভাষা, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক অধিকারের উপর লাগাতার আঘাত হেনেছিল। কবি এই রূপকের মাধ্যমে সেই পাকিস্তানি অপশক্তির কার্যালয় বা শাসনব্যবস্থাকে নির্দেশ করেছেন, যা বাঙালির স্বপ্ন ও জীবন বিনাশে তৎপর ছিল এবং যার বিরুদ্ধে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
951
উত্তরঃ

‘নিরন্তর’ শব্দের অর্থ অনবরত, অবিরাম, নিরবচ্ছিন্ন বা সর্বদা।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
উত্তরঃ

যে কবির ঘর ভেঙেছে, সেই ঘর কবি পুনরায় বাঁধতে চান মানবতাবিরোধী ধ্বংসযজ্ঞ ও যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট ক্ষতি পূরণের জন্য। মানুষের ভেতরের প্রেম, মমতা ও শুভবুদ্ধি দিয়ে ধ্বংস হওয়া শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজব্যবস্থা ফিরিয়ে আনাই কবির মূল লক্ষ্য।

উদ্দীপকের কবিতার চরণগুলো 'সেই অস্ত্র' কবিতার অংশ, যেখানে বলা হয়েছে মহৎ কবিরা যেই সত্যের পথ ধরে হেঁটেছেন, সেই পথেই কবিও হাঁটতে চান। 'ঘর ভাঙ্গা' বলতে এখানে যুদ্ধ-বিগ্রহ, হিংসা-বিদ্বেষ ও লোভের কারণে মানবতা, শান্তি ও ভালোবাসার যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, তাকে বোঝানো হয়েছে। কবি এই ধ্বংসযজ্ঞের বিপরীতে প্রেমকে অস্ত্র করে মানবতাকে পুনর্গঠন করতে চান, যা "মানুষ সকল সত্য" এই বিশ্বাসকে দৃঢ় করে তোলে।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ভাব এবং জসীমউদ্‌দীনের 'প্রতিদান' কবিতার মূল সুর হলো মানবপ্রেম, উদারতা ও বিশ্ব শান্তির সাধনা। উভয় রচনায় মানবতাবাদের জয়গান গাওয়া হয়েছে এবং প্রতিকূলতার মুখেও ভালোবাসার পথ বেছে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জসীমউদ্‌দীনের 'প্রতিদান' কবিতায় কবি আঘাতের বদলে ভালোবাসার, হিংসার বদলে প্রীতির প্রতিদান দিতে চেয়েছেন। এই কবিতায় মানবপ্রেম, ক্ষমা ও উদারতার এক মহৎ আদর্শ প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে শত্রুকেও মিত্ররূপে বরণ করে নেওয়ার মানসিকতা বিদ্যমান এবং এই পথেই প্রকৃত শান্তি নিহিত বলে কবি মনে করেন।

উদ্দীপকে মহৎ কবিদের (কালিদাস, দান্তে, হোমার, রবীন্দ্রনাথ প্রমুখ) দেখানো মানবতাবাদের পথ অনুসরণ করে শান্তি অর্জনের কথা বলা হয়েছে এবং "মানুষ সকল সত্য। এই সত্যে আমি অনির্বাণ" উচ্চারণের মাধ্যমে মানবতার শাশ্বত জয় ও অমরত্ব ঘোষণা করা হয়েছে। এই ভাব 'প্রতিদান' কবিতার সেই বার্তার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ, যেখানে কবি সকল প্রতিকূলতা ও হিংসা ভুলে মানবপ্রেমের মাধ্যমে এক উদার ও শান্তিময় পৃথিবী গড়ার স্বপ্ন দেখেছেন। উভয় ক্ষেত্রেই মানুষের প্রতি গভীর আস্থা এবং ভালোবাসার মাধ্যমে জীবনের অর্থ ও শান্তি খুঁজে পাওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয়।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
উত্তরঃ

জসীম উদ্‌দীনের ‘প্রতিদান’ কবিতাটি মানবপ্রেম, ক্ষমা ও উদারতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। যেখানে কবি ঘৃণা ও বিদ্বেষের পরিবর্তে প্রতিদানে ভালোবাসা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন। উদ্দীপকে উল্লিখিত ‘এই শান্তি আমার-তোমার’ এবং ‘মানুষ সকল সত্য’—এই দুটি বাক্য ‘প্রতিদান’ কবিতার মূল বক্তব্যকে সফলভাবে ধারণ করেছে, যা অত্যন্ত যথার্থ।

উদ্দীপকের প্রথম অংশে বলা হয়েছে, "যে পথে গিয়েছে তারা কালিদাস, দান্তে ও হোমার... সেই পথে গেছে সেও। এই শান্তি আমার-তোমার।" এখানে মহৎ কবিদের পথে হেঁটে অর্জিত যে গভীর শান্তি ও প্রশান্তি সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তা ‘প্রতিদান’ কবিতার মূল সুরের সঙ্গে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। ‘প্রতিদান’ কবিতায় কবি ব্যক্তিগত বিদ্বেষ, আঘাত ও ক্ষতির ঊর্ধ্বে উঠে অপরের জন্য শুভকামনা করেন। তিনি অন্যের ভাঙা ঘর বেঁধে দেন, নিজের কষ্ট ভুলে অপরের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করেন। এই আত্মত্যাগ ও পরার্থপরতার মাধ্যমেই কবি এক সার্বজনীন শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন, যেখানে কোনো ভেদাভেদ নেই, বিদ্বেষ নেই—কেবলই শান্তি ও ভালোবাসা বিদ্যমান। তাই ‘এই শান্তি আমার-তোমার’ অংশটি ‘প্রতিদান’ কবিতার ক্ষমা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষাকেই প্রতিধ্বনিত করে।

উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশে বলা হয়েছে, "শোনো তার মৃত্যুহীন গান মানুষ সকল সত্য। এই সত্যে আমি অনির্বাণ।" এই লাইনটি মানবতাবাদের এক চরম অভিব্যক্তি। ‘প্রতিদান’ কবিতাও মানবতাবাদের জয়গান করে। কবি বারবার বোঝাতে চেয়েছেন যে, মানুষ হিসেবে আমাদের ভেতরের যে শুভ ও কল্যাণকর সত্তা, তা-ই আসল সত্য। বাহ্যিক আঘাত, ঘৃণা বা অকল্যাণ দিয়ে সেই সত্যকে মুছে ফেলা যায় না। বরং ভালোবাসা ও ক্ষমার মাধ্যমে সেই মানবীয় সত্যকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। কবি শত্রুকেও বন্ধু ভেবে তার জন্য মঙ্গল কামনা করেন, কারণ তিনি জানেন মানুষের ভেতরের সত্য চিরন্তন ও অক্ষয়। তাই, ‘মানুষ সকল সত্য’ উক্তিটি ‘প্রতিদান’ কবিতার মানবিক মূল্যবোধ ও চিরন্তন সত্যের ধারণাকেই প্রকাশ করে।

উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকের ‘এই শান্তি তোমার আমার' ও ‘মানুষ সকল সত্য' অংশই ‘প্রতিদান' কবিতার মূল বক্তব্য হিসেবে অত্যন্ত যথার্থ। এই দুটি উক্তি ‘প্রতিদান’ কবিতার কেন্দ্রীয় বিষয়বস্তু—মানবতার জয়, নিঃশর্ত ভালোবাসা, ক্ষমা এবং সংঘাতের পরিবর্তে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার গভীর অর্থকে চমৎকারভাবে তুলে ধরেছে।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
299
উত্তরঃ

‘নিরন্তর’ শব্দের অর্থ অনবরত, অবিরাম, নিরবচ্ছিন্ন বা সর্বদা।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
1.7k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews