গত আগস্ট মাসে মিয়ানমারের আরাকানে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যে রোহিঙ্গা উৎখাত চলছে তা বিশ্ববাসীর কাছে এক চরম ঘৃণ্য ও নিন্দনীয় ঘটনা। প্রাণ বাঁচাতে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলায় অবস্থান নিয়েছে। এই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় সেওয়ার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের ভূয়সী প্রশংসা করেছে। শুধু তাই নয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম সফল করার জন্য লেবানন থেকে কঙ্গো পর্যন্ত বিশ্বের সংঘাতপূর্ণ এলাকায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের পদচিহ্ন সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

প্রতিষ্ঠার পর থেকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই জাতিসংঘের প্রধান কাজ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা দেখে পরবর্তী বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশায় জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘ বহুবিধ কাজ করে থাকে। এগুলোর মধ্যে প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। জাতিসংঘ সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত পরিস্থিতি নিষ্পত্তি করার দায়িত্ব জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের।

বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার মূল দায়িত্ব নিরাপত্তা পরিষদের। সংস্থাটি বিশ্ব শান্তির প্রতি হুমকি সৃষ্টিকারী ঘটনাবলির অনুসন্ধান করে এবং আলাপ-আলোচনা ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করার ব্যবস্থা করে। তাছাড়া নিরাপত্তা পরিষদ শান্তি প্রতিষ্ঠা ও যুদ্ধ বন্ধের জন্য কোথাও শান্তিরক্ষা বাহিনী মোতায়েন করতে পারে। মোটকথা, আন্তর্জাতিক শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব কাজ এ সংস্থা করে থাকে।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, গত আগস্ট মাসে মিয়ানমারের আরাকানে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে রোহিঙ্গা উৎখাত চলে। তাই প্রাণ বাঁচাতে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলায় অবস্থান নেয়। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর এরূপ কর্মকাণ্ডে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে। তাই এ পরিস্থিতি নিষ্পত্তি করার দায়িত্ব জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম সফল করার জন্য লেবানন থেকে কঙ্গো পর্যন্ত বিশ্বের সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তিরক্ষীদের পদচিহ্ন সত্যিই প্রশংসার দাবিদার- উদ্দীপকের এ শেষ লাইনটির সাথে আমি একমত।

২০১৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী (সশস্ত্রবাহিনী) এবং পুলিশ বাহিনীর সদস্য মিলে ৪০টি দেশের ৫০টি মিশনে কাজ করছে। এ পর্যন্ত যেসব দেশে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা বাহিনী কাজ করছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে লেবানন, কঙ্গো, হাইতি, আইভোরি কোস্ট, ইরাক, কুয়েত, নামিবিয়া, সিয়েরালিয়ন, জর্জিয়াসহ আরও অনেক দেশ। বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যরা বিশ্ব শান্তিরক্ষা বাহিনীতে অংশ নিয়ে এসব সংঘাতপূর্ণ দেশে কাজ করে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে। এ সুনাম অর্জনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে নতুনভাবে পরিচিত করেছে।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে অংশগ্রহণ ও সুনাম অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশকে অবশ্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। ২০১৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশের ১২৪ জন সদস্য বিভিন্ন দুর্ঘটনা ও শান্তিরক্ষার যুদ্ধে নিহত হয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা বাহিনী তাদের প্রাণ বিসর্জন দিয়ে বিশ্বশান্তি রক্ষায় নজিরবিহীন অবদান রেখেছে।

উপরের আলোচনার ভিত্তিতে উদ্দীপকের শেষ লাইনটির সাথে আমি একমত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
108

বিশ্বের সকল স্বাধীন রাষ্ট্রই সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। প্রতিটি দেশের সরকারের দায়িত্ব হলো দেশকে সুন্দর ও সঠিকভাবে পরিচালনার মাধ্যমে দেশ ও জনগণের কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন সাধন করা। এজন্য বিভিন্ন দেশের সরকার বিভিন্নমুখী কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করে। কিন্তু এমন অনেক বিষয় রয়েছে যা কোনো সরকারের পক্ষে এককভাবে করা সম্ভব হয় না। প্রয়োজন হয় অন্য কোনো দেশ বা সংস্থার সহযোগিতা। এ প্রয়োজনীয়তা থেকেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ধারণার উদ্ভব হয়েছে। গড়ে উঠেছে বিভিন্ন সহযোগিতা সংস্থা। এদের মধ্যে অন্যতম হলো জাতিসংঘ। এ অধ্যায়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তাসহ জাতিসংঘের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

১. আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
২. জাতিসংঘের গঠন বর্ণনা করতে পারব;
৩. জাতিসংঘ গঠনের উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে পারব;
৪. জাতিসংঘের মৌলিক নীতিসমূহ বর্ণনা করতে পারব;
৫. জাতিসংঘের বিভিন্ন শাখার উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম বর্ণনা করতে পারব;
৬. বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের ভূমিকা বর্ণনা করতে পারব;
৭. বিশ্ব শান্তিরক্ষা বাহিনীতে বাংলাদেশের ভূমিকা বর্ণনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

জাতিসংঘের একটি মৌলিক নীতি হলো- জাতিসংঘের সকল দিস্য রাষ্ট্র সমান মর্যাদা ও সমান সার্বভৌমত্বের অধিকারী হবে।

প্রতিসংঘের সদস্যভুক্ত কোনো রাষ্ট্র অন্যান্য রাষ্ট্রের তুলনায় অধিক মর্যাদার ধিকারী হবে না বা বঞ্চিত হবে না এবং সার্বভৌমত্বের ক্ষেত্রেও সকলের ধিকার সমান হবে। কোনো রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ রতে পারবে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
367
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দুই ইউনিয়নের বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াটি জাতিসংঘের যে নীতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তা হলো, সকল সদস্য রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ মীমাংসা করতে হবে।

বিশ্বশান্তি ও সহযোগিতার মহান লক্ষ্য নিয়ে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘ সাতটি মৌলিক নীতি ঘোষণা করেছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি নীতি হলো- সকল সদস্য রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ মীমাংসা করতে হবে।

উদ্দীপকের 'ক' উপজেলার অন্তর্গত সকল ইউনিয়নের শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ২০১২ সালে 'ক' উপজেলার চেয়ারম্যানকে সভাপতি করে কিছু নীতিমালা করা হয়। এর ফলে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি এলাকার মানুষ নিরাপদ জীবনযাপন করতে সক্ষম হয়। কিন্তু দুটি ইউনিয়নের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে 'ক' উপজেলা চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে তা সমাধান হয়, যা জাতিসংঘের অন্যতম নীতি তথা 'সকল সদস্য রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ মীমাংসা করতে হবে'- এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
271
উত্তরঃ

'ক' উপজেলার শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা জাতিসংঘের বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠা করার প্রচেষ্টার অনুরূপ-উক্তিটি যথার্থ।

জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার একটি প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা। সূচনালগ্ন থেকেই বিশ্বশান্তি রক্ষার প্রধান দায়িত্ব জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উপর ন্যস্ত। ফলে বিশ্বের কোথাও আন্তর্জাতিক শান্তি বিরোধী কোনো কাজ সংঘটিত হলে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এভাবে জাতিসংঘ বিশ্বশান্তি রক্ষায় ভূমিকা পালন করে থাকে। দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে দক্ষিণ সুদানের স্বাধীনতা অর্জন এর অন্যতম উদাহরণ।

উদ্দীপকের 'ক' উপজেলার ক্ষেত্রে দেখা যায়, উপজেলার সব ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা একত্রিত হয়ে উপজেলার চেয়ারম্যানকে পরিষদের সভাপতি করে প্রত্যেকটি ইউনিয়নের শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কিছু নীতিমালা করেন। একইসাথে প্রতিটি ইউনিয়নের বিরোধ মীমাংসা, উন্নয়ন এবং এলাকার মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য কাজ শুরু করেন। ফলে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি এলাকার মানুষ নিরাপদ জীবনযাপন করতে সক্ষম হয়।

উপরের আলোচনায় এটি সুস্পষ্ট যে, জাতিসংঘের বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার সাথে 'ক' উপজেলার শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
241
উত্তরঃ

জাতিসংঘের অন্যতম কাজ হলো আঞ্চলিক সংস্থাসমূহের সহযোগিতা গ্রহণ করা।

নিজেদের জন্য উন্নয়ন ও শান্তিময় বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সংস্থার পাশাপাশি পৃথিবীতে বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্থাও গড়ে উঠেছে। এসব সংস্থার মধ্যে রয়েছে সার্ক, আসিয়ান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আফ্রিকান ইউনিয়ন প্রভৃতি। জাতিসংঘ এসব সংস্থার সহযোগিতা গ্রহণ করে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
395
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews