বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষা, গবেষণা, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রযুক্তি আমদানির সুযোগ ও সামর্থ্য ইত্যাদি মিলিয়ে একটি দেশে যে পরিবেশ গড়ে ওঠে তাকে প্রযুক্তিগত পরিবেশ বলে।
একটি দেশের জনসংখ্যা, শিক্ষা-সংস্কৃতি, ধর্মীয় বিশ্বাস, ঐতিহ্য মিলে যে পরিবেশ সৃষ্টি হয় তাই সামাজিক পরিবেশ।
মানুষ তার নিজ দেশের ভাষা, রীতিনীতি, ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি, মূল্যবোধ ও আচার-আচরণ দ্বারা নিজের সমাজকে সমৃদ্ধ করে। সমাজ হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত মানবগোষ্ঠী। সমাজের মানুষের চিন্তা-চেতনা, ধ্যান-ধারণা, রীতিনীতি, আইন-কানুন, শিক্ষা-সংস্কৃতি, ধর্মীয় বিশ্বাস ও সমাজ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে সামাজিক পরিবেশ গড়ে ওঠে।
উদ্দীপকের গনি মিয়াদের মানবেতর জীবনযাপনের ওপর প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রভাব ছিল।
ব্যবসায় পরিবেশ হলো ব্যবসায়ের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাববিস্তারকারী সকল প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃতিক উপাদানের সমষ্টি। আর প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট উপাদানসমূহের সমন্বয়ে গঠিত পরিবেশকে প্রাকৃতিক পরিবেশ বলা হয়।
উদ্দীপকের গনি মিয়া কৃষক পরিবারের কর্মঠ ছেলে। নদী বিধৌত পদ্মার পাড়ে তারা বাস করত। জমিতে পলি থাকায় সেখানে প্রচুর ফসল উৎপন্ন হতো। ফলে তারা সচ্ছল জীবিকা নির্বাহ করত। বন্যায় নদীভাঙনের ফলে গত বছর গনি মিয়াদের ভিটেমাটিসহ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করেন। নদীভাঙন এক ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এ দুর্যোগ প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান যা অপ্রতিরোধ্য। প্রাকৃতিক পরিবেশের অনুকূল প্রভাব যেমন উন্নতিসাধন করে তেমনি নেতিবাচক প্রভাব সমস্ত কিছু ধ্বংস করে দেয়। যেহেতু গনি মিয়াদের নিঃস্ব হওয়ার পেছনে প্রাকৃতিক পরিবেশ প্রড়াববিস্তার করেছে। তাই বলা যায়, গনি মিয়াদের মানবেতর জীবনযাপনের ওপর প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রভাব ছিল।
সরকারি নীতিমালা প্রণয়নের কারণে গনি মিয়ার মতো যুবকদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন সম্ভব বলে আমি মনে করি।
সরকারের ব্যবসায়বান্ধব নীতিমালা; যেমন- শিল্পনীতি, বাণিজ্যনীতি, করনীতি, আমদানি নীতি, রপ্তানি নীতি ইত্যাদি ছাড়া কার্যকর অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক পরিবেশের উন্নয়নের জন্য সরকারের উদার বিনিয়োগ নীতি, স্থিতিশীল পুঁজিবাজার, অর্থ ও ব্যাংক ব্যবস্থা ইত্যাদির দ্রুত উন্নয়ন করা দরকার। কেননা অনুকূল সরকারি নীতিমালা ব্যক্তিগত ও জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
উদ্দীপকের গনি মিয়া কৃষক পরিবারের কর্মঠ ছেলে। নদী বিধৌত পদ্মার পাড়ে তারা বাস করত। জমিতে পলি থাকায় সেখানে প্রচুর ফসল উৎপন্ন হতো। ফলে তারা সচ্ছল জীবিকা নির্বাহ করত। বন্যায় নদীভাঙনের ফলে গত বছর গনি মিয়াদের ভিটেমাটিসহ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করেন। ব্যবসায় করার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ব্যাংক ঋণ না পেয়ে তিনি ইটের ভাটায় কাজ করতেন। পরবর্তীতে সরকারি নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে নদীভাঙন এলাকায় সরকার ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করলে গনি মিয়াদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়। গনি মিয়ার মতো যুবকদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য সরকারি নীতিমালার গুরুত্ব অপরিসীম। কেননা অনুকূল সরকারি, নীতিমালা থাকলে বেকার যুবকেরা সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ পাবে। ফলে তারা নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সুষ্টি করে বেকারত্ব থেকে মুক্তি পাবে। ফলশ্রুতিতে ব্যক্তিগত আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় আয় বৃদ্ধি পাবে। সর্বোপরি ব্যক্তি, সমাজ ও দেশের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। তাই বলা যায়, সরকারি নীতিমালা প্রণয়নের কারণে গনি মিয়ার মতো যুবকদের আর্থিক অবস্থায় উন্নয়ন সম্ভব বলে আমি মনে করি।
Related Question
View Allসঞ্চয় ও বিনিয়োগ অর্থনীতিক পরিবেশের উপাদান
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!