গবাদিপশুকে সুষম খাদ্য খাওয়ানো অনেক জরুরি। হামিদ আলীর খামারে ৪টি গাভি আছে। তিনি গাভিগুলোকে প্রতিদিন সুষম খাদ্য দিয়ে থাকেন। নিচে প্রতিটি গাভির জন্য দৈনিক সুষম খাদ্যের তালিকা দেওয়া হলো-

উপাদান

পরিমাণ

সবুজ কাঁচা ঘাস

১৫ কেজি

শুকনা খড়

৩ কেজি

দানাদার খাদ্য মিশ্রণ

২. কেজি

লবণ

৫৫ গ্রাম

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

যে খাদ্য উপাদানে আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন খনিজ পদার্থ ও পানি আনুপাতিক হারে বিদ্যমান থাকে তাকে সুষম খাদ্য বলে।

উত্তরঃ

পশুর স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য অধিক পরিমাণ শর্করার প্রয়োজন হয়। শর্করা দেহে তাপ উৎপাদন করে কর্মশক্তি যোগায়। শর্করা পশুর দেহের ওজন বৃদ্ধি করে। তাছাড়া শর্করা জাতীয় খাদ্যের মূল্য তুলনামূলকভাবে কম।

উত্তরঃ

হামিদ আলীর একটি গাভির খামার আছে। তার খামারে ৪টি গাভির জন্য এক সপ্তাহের সর্বনিম্ন খাদ্যের তালিকা হবে নিম্নরূপ-

উপাদান১টি গাভির জন্য ১ দিন (কেজি)৪টি গাভির জন্য ৭ দিন
(কেজি)
সবুজ কাঁচা ঘাস১৫(১৫ ×× ৭) = ৪২০
শুকনা খড়(৩××৭) = ৮৪
দানাদার খাদ্য মিশ্রণ(২×× ৭) = ৫৬
লবণ০৫৫(.০৫৫ ×× ৭) = ১.৫৪

উল্লিখিত হারে হামিদ আলী তার গবাদিপশুকে খাওয়াতে পারবেন।

উত্তরঃ

হামিদ আলী তার খামারে গবাদিপশু পালনের জন্য সুষম খাদ্য দিয়ে থাকেন। আমাদের দেশে গবাদিপশু পালনের জন্য সাধারণত খড়, ভুসি, কুঁড়া, চাল, গম, খৈল, গাছের পাতা, ঘাস, আগাছা ইত্যাদি পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হলেও তা সুষম হারে নয়। ফলে গবাদিপশু পুষ্টিহীনতায় ভোগে। ফলে গবাদিপশু হতে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ফলন যেমন- মাংস, দুধ, চামড়া পাওয়া যায় না। এজন্য এদেরকে ৬টি পুষ্টি উপাদান (শর্করা, আমিষ, চর্বি, ভিটামিন, খনিজ লবণ, পানি) সমৃদ্ধ সম্পূরক খাদ্য সরবরাহ করা উচিত। সম্পূরক খাদ্য প্রদানের ফলে গাভির স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও কর্মক্ষমতা বাড়ে। মাংস ও দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। এছাড়া গাভির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং সুস্থ ও সবল গরু পাওয়া যায়।
তাই গবাদিপশু পালনে হামিদ আলীর তৈরিকৃত খাদ্য যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে।

89

আমরা পূর্ববর্তী শ্রেণিতে জানতে পেরেছি মাটি হলো উদ্ভিদের অবলম্বন এবং সার হলো তার খাবার। আমরা কি জানি এ সারে কী কী উপাদান থাকে? সার হলো উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানগুলোর আধার। আর প্রাণীর ক্ষেত্রে শর্করা, আমিষ, চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ লবণ হলো পুষ্টি উপাদানের আধার। অন্যদিকে মাছ ও পশু-পাখির জন্য খাদ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এগুলো থেকে কাঙ্ক্ষিত ফলন পেতে সম্পূরক খাদ্যের বিকল্প নেই। আবার জমিতে সার হিসেবে জৈব সারের কার্যকারিতা ও ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই জৈব সার তৈরি ও তার ব্যবহার জানা অত্যাবশ্যক।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • প্রাণী ও উদ্ভিদের পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • মাছ ও পশু-পাখির সম্পূরক খাদ্য প্রস্তুত পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব;
  • সহজলভ্য উপকরণ (যেমন-বাসাবাড়ির বর্জ্য) ব্যবহার করে জৈব সার তৈরির পদ্ধতি ও এর ব্যবহার বর্ণনা করতে পারব;
  • বালাইনাশক (জৈব ও অরাসায়নিক) ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান বলতে বোঝায় যে উপাদানগুলোর অভাবে উদ্ভিদ সুষ্ঠুভাবে বাঁচতে পারে না এবং যথাযথভাবে শস্য উৎপাদন করতে পারে না (যেমন- নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ইত্যাদি)।

260
উত্তরঃ

পরিখা পদ্ধতিতে কম্পোস্ট তৈরির ক্ষেত্রে একটি পরিখা ফাঁকা রাখতে হয়, কারণ নিকটবর্তী পরিখার কম্পোস্ট পার্শ্ববর্তী পরিখাতে স্থানান্তর করে উলটপালট করা হয়। ফলে উপাদানগুলো দ্রুত পচে যায় ও অল্প সময়ে কম্পোস্ট তৈরি হয়ে যায়।

252
উত্তরঃ

কৃষক হাফিজের জমিতে ধানের চারায় আশানুরূপ হারে কুশি গজায়নি এবং জমিতে পোকামাকড়ও দেখা গিয়েছিল।

ধানের চারায় কুশি কম গজানোর কারণ হলো নাইট্রোজেন নামক পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি। কৃষক হাফিজ জৈব ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করে এ সমস্যার সমাধান করতে পারতেন। সবুজ সার, কম্পোস্ট সার ইত্যাদি মাটিতে নাইট্রোজেন যোগ করে, যেগুলো কৃষক হাফিজ তার জমিতে ব্যবহার করতে পারতেন। ধানের পোকা দূর করার জন্য তিনি তামাক পাতার নির্যাস প্রয়োগ করতে পারতেন। জমিতে প্রেইং ম্যানটিড এর সংখ্যা বাড়ালে তা ক্ষতিকারক পোকা দমনে সহায়ক হতো। এছাড়া জমিতে গাছের ডাল বা বাঁশের কঞ্চি পুঁতে দিলেও সুফল পাওয়া যেত। অর্থাৎ, জৈব সার ও জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে হাফিজ উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারতেন।

128
উত্তরঃ

হাফিজ দ্বিতীয় দফায় ফসলের পুষ্টি ঘাটতি পূরণ ও রোগবালাই দমনে জৈব ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করেন।

হাফিজ সার হিসেবে গোবর সার, কম্পোস্ট সার, সবুজ সার, খৈল - ইত্যাদি ব্যবহার করেন। তিনি জানেন এতে গাছের প্রয়োজনীয় সব খাদ্য উপাদানই আছে। এছাড়াও এসব সার মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বাড়ায়। ফলে মাটিস্থ অণুজীবের কার্যাবলি বৃদ্ধি পায়। জৈব পদার্থ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা, মাটির উর্বরতা, ফসলের ফলন, উৎপাদন ও গুণগত মান বৃদ্ধি করে। জৈব সার ব্যবহারের পাশাপাশি তিনি কীটপতঙ্গ দমনের জন্য আলোক ফাঁদ এবং জমির বিভিন্ন জায়গায় ডালপালা পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করেন। জমিকে সবসময় আগাছামুক্ত রাখেন, যা পোকার আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। ফলে কীটপতঙ্গ দমন ব্যবস্থা হয় পরিবেশের কোনো ক্ষতি ছাড়াই।

অর্থাৎ, হাফিজের দ্বিতীয় দফায় গৃহীত জৈব ব্যবস্থাপনা শুধু পুষ্টি ঘাটতি - পূরণই নয় বরং রোগবালাই দমনেও সহায়ক ভূমিকা রেখেছে উক্তিটি যথার্থ।

151
উত্তরঃ

রাসায়নিক বালাইনাশক মাত্রই বিষ। এ জাতীয় বালাইনাশক প্রয়োগের ফলে তা উদ্ভিদের জীবনচক্রে ঢুকে ফলনকেও বিষাক্ত করে দিচ্ছে যা খেয়ে মানুষ মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। পরিবেশেরও চরম ক্ষতি হচ্ছে। তাই এ জাতীয় বালাইনাশককে নীরব ঘাতক বলা হয়।

228
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews