পশুর স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য অধিক পরিমাণ শর্করার প্রয়োজন হয়। শর্করা দেহে তাপ উৎপাদন করে কর্মশক্তি যোগায়। শর্করা পশুর দেহের ওজন বৃদ্ধি করে। তাছাড়া শর্করা জাতীয় খাদ্যের মূল্য তুলনামূলকভাবে কম।
Related Question
View Allউদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান বলতে বোঝায় যে উপাদানগুলোর অভাবে উদ্ভিদ সুষ্ঠুভাবে বাঁচতে পারে না এবং যথাযথভাবে শস্য উৎপাদন করতে পারে না (যেমন- নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ইত্যাদি)।
পরিখা পদ্ধতিতে কম্পোস্ট তৈরির ক্ষেত্রে একটি পরিখা ফাঁকা রাখতে হয়, কারণ নিকটবর্তী পরিখার কম্পোস্ট পার্শ্ববর্তী পরিখাতে স্থানান্তর করে উলটপালট করা হয়। ফলে উপাদানগুলো দ্রুত পচে যায় ও অল্প সময়ে কম্পোস্ট তৈরি হয়ে যায়।
কৃষক হাফিজের জমিতে ধানের চারায় আশানুরূপ হারে কুশি গজায়নি এবং জমিতে পোকামাকড়ও দেখা গিয়েছিল।
ধানের চারায় কুশি কম গজানোর কারণ হলো নাইট্রোজেন নামক পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি। কৃষক হাফিজ জৈব ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করে এ সমস্যার সমাধান করতে পারতেন। সবুজ সার, কম্পোস্ট সার ইত্যাদি মাটিতে নাইট্রোজেন যোগ করে, যেগুলো কৃষক হাফিজ তার জমিতে ব্যবহার করতে পারতেন। ধানের পোকা দূর করার জন্য তিনি তামাক পাতার নির্যাস প্রয়োগ করতে পারতেন। জমিতে প্রেইং ম্যানটিড এর সংখ্যা বাড়ালে তা ক্ষতিকারক পোকা দমনে সহায়ক হতো। এছাড়া জমিতে গাছের ডাল বা বাঁশের কঞ্চি পুঁতে দিলেও সুফল পাওয়া যেত। অর্থাৎ, জৈব সার ও জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে হাফিজ উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারতেন।
হাফিজ দ্বিতীয় দফায় ফসলের পুষ্টি ঘাটতি পূরণ ও রোগবালাই দমনে জৈব ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করেন।
হাফিজ সার হিসেবে গোবর সার, কম্পোস্ট সার, সবুজ সার, খৈল - ইত্যাদি ব্যবহার করেন। তিনি জানেন এতে গাছের প্রয়োজনীয় সব খাদ্য উপাদানই আছে। এছাড়াও এসব সার মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বাড়ায়। ফলে মাটিস্থ অণুজীবের কার্যাবলি বৃদ্ধি পায়। জৈব পদার্থ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা, মাটির উর্বরতা, ফসলের ফলন, উৎপাদন ও গুণগত মান বৃদ্ধি করে। জৈব সার ব্যবহারের পাশাপাশি তিনি কীটপতঙ্গ দমনের জন্য আলোক ফাঁদ এবং জমির বিভিন্ন জায়গায় ডালপালা পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করেন। জমিকে সবসময় আগাছামুক্ত রাখেন, যা পোকার আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। ফলে কীটপতঙ্গ দমন ব্যবস্থা হয় পরিবেশের কোনো ক্ষতি ছাড়াই।
অর্থাৎ, হাফিজের দ্বিতীয় দফায় গৃহীত জৈব ব্যবস্থাপনা শুধু পুষ্টি ঘাটতি - পূরণই নয় বরং রোগবালাই দমনেও সহায়ক ভূমিকা রেখেছে উক্তিটি যথার্থ।
পরিবেশ বাঁচাতে জৈব ও অরাসায়নিক বালাইনাশক ব্যবহার করা হয়।
রাসায়নিক বালাইনাশক মাত্রই বিষ। এ জাতীয় বালাইনাশক প্রয়োগের ফলে তা উদ্ভিদের জীবনচক্রে ঢুকে ফলনকেও বিষাক্ত করে দিচ্ছে যা খেয়ে মানুষ মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। পরিবেশেরও চরম ক্ষতি হচ্ছে। তাই এ জাতীয় বালাইনাশককে নীরব ঘাতক বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
