গারো সমাজ মাতৃতান্ত্রিক। সমাজে তারা পরিচিত হয় মায়ের গোত্র বা বংশ পরিচয়। আর এটাই 'মাহারি'। তাদের সমাজিক জীবনে বিশেষত বিয়ে, উত্তরাধিকার, সম্পত্তির ভোগ-দখল ইত্যাদিতে মাহারির গুরুত্ব অপরিসীম। বিয়ের ক্ষেত্রে বর ও কনে একই মাহারির হতে পারবে না। তাই বলা যায়, গারোদের সমাজব্যবস্থা 'মাহারি' কে কেন্দ্রকে করে পরিচালিত হয়।
Related Question
View Allবাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, তঞ্চঙ্গ্যা, বম, পাংখুয়া, চাক, খ্যাং, খুমি এবং লুসাই নৃগোষ্ঠীর বসবাস। তারা মূলত পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বাস করে। এই নৃগোষ্ঠীগুলো নৃতাত্ত্বিকভাবে মঙ্গোলীয় শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
সমতলভূমিতে সাঁওতাল, ওরাঁও, মাহালি, মুন্ডা, মাল পাহাড়ি ও মালো নৃগোষ্ঠীর মানুষ বাস করে। এরা দিনাজপুর, রংপুর, রাজশাহী, বগুড়া এবং পাবনা জেলার সমতলভূমিতে বাস করে। এদের মধ্যে সাঁওতাল নৃগোষ্ঠী সংখ্যা ও প্রভাবের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি।
বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে খাসি, মণিপুরি, গারো, হাজং এবং কোচ নৃগোষ্ঠীর বাস রয়েছে। এই অঞ্চলের পাহাড়ি ও উঁচু ভূমিতে তারা নিজেদের আবাস গড়ে তুলেছে। তারা লোকগীতি, নৃত্য এবং ধর্মীয় উৎসবের মাধ্যমে তাদের সংস্কৃতির পরিচয় প্রকাশ করে।
রাখাইন নৃগোষ্ঠীর প্রধান বসতি কক্সবাজার, পটুয়াখালি ও বরগুনা জেলায়। তারা মূলত মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত এবং সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে বসবাস করে। রাখাইনরা কৃষি, নৌকা নির্মাণ এবং মৎস্যশিকার পেশায় দক্ষ।
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে গারো, হাজং, কোচ, খাসি এবং মণিপুরি নৃগোষ্ঠীর বসবাস। তারা ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলে নিজেদের আবাস গড়ে তুলেছে। এই নৃগোষ্ঠীগুলো কৃষিকাজ ও নৃত্য-গীতের জন্য পরিচিত।
পাহাড়ি নৃগোষ্ঠীগুলো নৃতাত্ত্বিকভাবে মঙ্গোলীয় শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। তাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানে মঙ্গোলীয় বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতি দেখা যায়। এই নৃগোষ্ঠীগুলো পার্বত্য অঞ্চলে বসবাস করলেও কৃষি ও পশুপালন তাদের প্রধান পেশা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!