গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের বুদ্ধির মাত্রা এত কম থাকে যে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মতো হয়। তারা খাওয়া, পরিচ্ছন্নতা, টয়লেট কাজ সম্পন্ন করতে অন্যের ও নির্ভরশীল থাকে। এদের অনেক ধরনের আচরণের সমস্যা দেখা যায়। অন্যের তত্ত্বাবধানে এদের জীবন ধারণ করতে হয়। বিশেষ যত্ন ও প্রশিক্ষণে তাদের দৈনন্দিন কাজের অভ্যাস তৈরি করা যায়।
Related Question
View Allআমাদের চারপাশের সকলকে নিয়ে সমাজ গড়ে উঠেছে।
উদ্দীপনা হলো একটি শিশুকে তার চারপাশের বিভিন্ন জিনিস সম্পর্কে জানা ও দেখার সুযোগ করে দেওয়া, আর সেগুলো নিয়ে খেলা করার পরিবেশ সৃষ্টি করা। যেমন- শিশুকে সময় দেওয়া, শিশুর সাথে কথা বলা, গান করা, খেলাধুলা করা, কাজ করা, তাকে ভালোবাসা ইত্যাদি।
অতি শৈশব থেকে এই উদ্দীপকের সুযোগ সৃষ্টি করাই হলো প্রারম্ভিক উদ্দীপনা। সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার জন্য শিশুকে প্রারম্ভিক উদ্দীপনা দেওয়া প্রয়োজন।
প্রান্তির আচরণে গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা লক্ষ করা যায়।
যেসব শিশুর বুদ্ধি বয়স অনুযায়ী স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে কম তাদের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বলা হয়। বুদ্ধি প্রতিবন্ধীরা তাদের সমবয়সীদের মতো আচরণ করতে পারে না।
বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের মধ্যে তিন ধরনের মাত্রা লক্ষ করা যায়। যথা- মৃদু, মধ্যম ও গুরুতর। গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের বুদ্ধির মাত্রা এত কম থাকে যে তারা পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুর মতো আচরণ করে। গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধীরা বিভিন্ন কাজে অন্যের ওপর নির্ভরশীল থাকে। এ ধরনের প্রতিবন্ধীদের অন্যের তত্ত্বাবধানে জীবন ধারণ করতে হয়। প্রান্তি কিশোরী হলেও সে তার দু'বছর বয়সী ভাইয়ের মতো আচরণ করে। সে প্রায়ই অকারণে হাসতে থাকে। তার এ সকল আচরণ দেখে তাকে গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হিসেবে শনাক্ত করা যায়।
প্রান্তি একজন গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী।
কিশোরী হলেও প্রান্তি তার দু'বছর বয়সী ভাই প্রত্যয়ের মতো আচরণ করে। তাই তার পরিবারের সদস্যরা প্রত্যয়ের মতোই তাকে গান শুনিয়ে, ছবি আঁকতে দিয়ে, গল্প শুনিয়ে ব্যস্ত রাখে। সবাই তার কথা মন দিয়ে শোনে। তার মা ধৈর্যের সাথে তার যত্ন নেন। এ ধরনের প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য সার্বক্ষণিক যত্নের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। যত্ন পেলে এরা নিজেদের ক্ষমতা অনুযায়ী আচরণ করতে পারে। এদের স্বাভাবিক শিশুর মতোই ভালোবাসা প্রয়োজন। প্রতিবন্ধী শিশুকে সময় দেওয়া, তার সাথে কথা বলা, গান, খেলাধুলা করা ইত্যাদিতে অনুপ্রাণিত করতে হয়। তাহলে তাদের আচরণ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
প্রাপ্তি পরিবার থেকে প্রারম্ভিক উদ্দীপনা পাচ্ছে। এর ফলে তার আচরণের উন্নতি ঘটবে ও পরনির্ভরশীলতা হ্রাস পাবে। সুতরাং, প্রান্তির পরিবারের সবার আচরণ তার সুস্থতার জন্য সহায়ক বলে আমি মনে করি।
প্রতিবন্ধীরা সমাজে অবহেলিত অবস্থায় থাকে।
গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুরা পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মতো আচরণ করে থাকে। তাদের মধ্যে আচরণগত সমস্যা দেখা যায়। অন্যের তত্ত্বাবধানে তাদের জীবনধারণ করতে হয়। বিশেষ যত্ন ও প্রশিক্ষণে তাদের দৈনন্দিন কাজের অভ্যাস তৈরি করা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!