গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের বেশির ভাগ লোক গ্রামে বাস করে। আর কৃষিই তাদের জীবিকার প্রধান উপায়। তাই বাংলাদেশকে কৃষিপ্রধান দেশ বলা হয়ে থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একটি দেশের অভ্যন্তরে দেশি বা বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা প্রতিবছরে উৎপাদিত সকল চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্য ও সেবার মোট অর্থমূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) বলা হয়। এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক শক্তি বা সামগ্রিক আয় বোঝার জন্য ব্যবহৃত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) হলো একটি দেশের নাগরিকদের নির্দিষ্ট সময়ে উৎপাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার অর্থমূল্যের যোগফল। এতে দেশের নাগরিকদের বিদেশে করা আয়ের যোগ হয় এবং বিদেশিদের দেশে করা আয় বাদ দেওয়া হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাথাপিছু আয় হলো একটি দেশের মোট জাতীয় আয়ের সাথে সে দেশের জনসংখ্যার ভাগফল। এটি দেশের নাগরিকদের গড় আয় বোঝায়। মাথাপিছু আয় বেশি হলে সাধারণত দেশের আর্থিক অবস্থার উন্নতির পরিচায়ক হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন অর্থনীতির উৎপাদনশীল খাতের উন্নয়ন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং শ্রমশক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি। এই লক্ষ্যে শিল্প, সেবা এবং কৃষিখাতের উন্নয়ন প্রয়োজন। এছাড়াও দারিদ্র্য দূরীকরণ মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) সাধারণত একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক শক্তি ও আয়ের পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নির্ধারণ এবং দেশের অর্থনীতির কার্যক্ষমতা মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) একটি দেশের নাগরিকদের দেশ এবং রিদেশে করা আয়ের যোগফল, যেখানে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবার আর্থিক মূল্য বোঝায়। GNP বিদেশে কাজ করা নাগরিকদের আয় যোগ করে এবং বিদেশি নাগরিকদের আয় বাদ দেয়, কিন্তু GDP কেবল দেশভিত্তিক উৎপাদনকে অন্তর্ভুক্ত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জনসংখ্যা বৃদ্ধি মাথাপিছু আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, কারণ জনসংখ্যা বেশি হলে মোট আয়কে বেশি সংখ্যক মানুষের মধ্যে ভাগ করতে হয়। অপরদিকে, জনসংখ্যা স্থিতিশীল থাকলে উৎপাদন বৃদ্ধি মাথাপিছু আয়ের উন্নতি ঘটায়। তাই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

GNP একটি দেশের নাগরিকদের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উৎপাদিত মোট পণ্য ও সেবার আর্থিক মূল্য। এটি দেশের অভ্যন্তরীণ এবং বহিঃস্থ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে। এটি দেশের নাগরিকদের প্রকৃত অবদান ও আয় বোঝাতে সহায়তা করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে কৃষি ও বনজ, মৎস্য, শিল্প, খনিজ, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসম্পদ, নির্মাণশিল্প, পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, হোটেল-রেস্তোরাঁ, পরিবহন ও যোগাযোগ, ব্যাংক-বিমা এবং স্বাস্থ্য খাত উল্লেখযোগ্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ছিল ১৩.১৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৫৪ শতাংশ। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এ খাতের অবদান কমে ১১.০২ শতাংশে দাঁড়ায় এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.২১ শতাংশ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে' মৎস্যখাতের অবদান ছিল ২.৭৭শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.৯৩ শতাংশ। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এ খাতের অবদান কমে ২.৩৮ শতাংশ হয় এবং প্রবৃদ্ধির হার কমে ২.৮১ শতাংশে দাঁড়ায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে শিল্পখাতের জিডিপিতে অবদান ছিল ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৬৬ শতাংশ। পোশাক শিল্পসহ বিদ্যুৎ, গ্যাস ও নির্মাণ খাতের অন্তর্ভুক্তির ফলে শিল্পখাতের অবদান ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতের অবদান ছিল ৭.৮৮ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৭৪ শতাংশ। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এ খাতের অবদান কমে ৭.২৫ শতাংশ হয় এবং প্রবৃদ্ধির হার কমে ৫.২৪ শতাংশে দাঁড়ায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবাখাতের অবদান ছিল ২.৮৯ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৯.২০ শতাংশ। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এ খাতের অবদান বেড়ে ৩.৫৭ শতাংশ হয় এবং প্রবৃদ্ধির হার ১০,০৭ শতাংশে উন্নীত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জিডিপি দেশের উৎপাদন ও আয়ের প্রধান সূচক, যা অর্থনীতির স্বাস্থ্য পরিমাপ করে। কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের উন্নয়ন প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে জাতীয় আয় বৃদ্ধি এবং জনগণের জীবনমান উন্নত করা সম্ভব।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শ্রমশক্তি সম্পন্ন মানুষকেই মানবসম্পদ বলা হয়। যারা শ্রম ও মেধা দিয়ে কৃষি, শিল্প বা সেবা খাতে কাজ করেন, তারা সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্পদে পরিণত হন। দক্ষ জনশক্তি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মানবসম্পদ দেশের কৃষি, শিল্প এবং সেবা খাতে শ্রঙ্কও মেধার মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি করে। দক্ষতা, শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা কার্যকর শ্রমশক্তিতে পরিণত হয়। এই শ্রমশক্তি দেশের জাতীয় আয়ে অবদান রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য উপযুক্ত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, বাসস্থান, চিকিৎসা ও খাদ্যের ব্যবস্থা করা জরুরি। দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মানুষকে উৎপাদনশীল সম্পদে পরিণত করতে হবে। সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে কাজ করার উপযোগী পরিবেশ তৈরি করাও প্রয়োজন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কারিগরি শিক্ষা মানুষকে দক্ষ শ্রমশক্তিতে রূপান্তরিত করে, যা কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ায়। এটি দেশের শিল্প ও সেবা খাতে উন্নয়ন ঘটাতে সহায়তা করে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শিক্ষা মানবসম্পদ উন্নয়নের মূল ভিত্তি। এটি দক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং কর্মক্ষম মানুষ তৈরি করে। সঠিক শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ কাজের 'জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও মেধা অর্জন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে উপযুক্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন। তাদের জন্য সুস্বাস্থ্য ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করাও জরুরি। এতে তারা কাজ করার মতো সক্ষম হয়ে ওঠে। দক্ষ মানবসম্পদই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য খাদ্য, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। এছাড়া কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করাও জরুরি। এই বিনিয়োগ মানুষের দক্ষতা বাড়িয়ে উৎপাদনমুখী করে তোলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো দারিদ্র্য, খাদ্যের নিরাপত্তার অভাব, স্বাস্থ্যসেবার অপ্রতুলতা এবং শিক্ষার সুযোগের অভাব। এগুলো মোকাবিলা করতে খাদ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অপরিহার্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে ১৫ বছরের উপরে ৭.৩৫ কোটি মানুষ শ্রমশক্তির অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে ৪৫ শতাংশ কৃষি, ১৭ শতাংশ শিল্প এবং ৩৮ শতাংশ সেবা খাতে নিয়োজিত। মোট শ্রমশক্তির ৪.৮ কোটি পুরুষ এবং ২.৫৫ কোটি নারী কাজ করছে। বাকিরা এখনো কর্মক্ষমতার বাইরে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০০৯ সালে বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার ছিল ৫৪.৮ শতাংশ। বর্তমানে এই হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৭.৯ শতাংশ (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৪)। শিক্ষা খাতে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগের ফলে এই অগ্রগতি হয়েছে। তবে, সাক্ষরতার হার আরও বাড়ানোর প্রয়োজন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে খাদ্যের অভাবে মানুষ দুর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারী হয়, যার ফলে তারা কাজ করতে পারে না। কাজ না পাওয়ায় আয় কম হয়, সঞ্চয় ও বিনিয়োগ কমে যায়, এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয় না। ফলে মানুষ দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেতে ব্যর্থ হয়। এভাবে চক্রাকার আবর্তনকে দরিদ্রের দুষ্টচক্র বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দারিদ্র্যের কারণে মানুষ পর্যাপ্ত খাদ্য ও শিক্ষা পায় না, ফলে তারা দুর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারী হয়। দুর্বল স্বাস্থ্য কাজ করতে না পারার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যার ফলে আয় কম হয়। আয় কম হলে সঞ্চয় ও বিনিয়োগ কম হয়, ফলে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয় না। এভাবে দারিদ্র্যের চক্র মানবসম্পদ উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দারিদ্র্যের চক্র ভাঙার জন্য খাদ্যের নিরাপত্তা, শিক্ষা এবং পুষ্টির নিশ্চয়তা দিতে হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং জনস্বাস্থ্যে বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। এভাবেই দরিদ্র মানুষকে উৎপাদনমুখী কাজে লাগানো সম্ভব।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শ্রমশক্তি হলো দেশের কর্মক্ষম জনগণ, যারা অর্থনৈতিক কাজে অংশগ্রহণ করে। আর মানবসম্পদ হলো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও দক্ষ শ্রমশক্তি। দক্ষ শ্রমশক্তিই দেশের উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দক্ষ জনসম্পদ উৎপাদনশীলতার মাধ্যমে জাতীয় আয়ে অবদান রাখে। তারা প্রযুক্তি ব্যবহার ও উদ্ভাবনে পারদর্শী হয়। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে দক্ষ জনসম্পদের বিকল্প নেই।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মানব উন্নয়ন সূচক হলো জনগণের জীবনযাত্রার মান, গড় আয়ু, সাক্ষরতার হার এবং সামাজিক অসমতা পরিমাপের একটি পদ্ধতি। এটি জিডিপি ও জাতীয় আয়ের সীমাবদ্ধতা দূর করে মানুষের প্রকৃত উন্নয়ন বোঝাতে সাহায্য করে। সূচকটি অর্থনীতি কতটা কল্যাণমুখী তা নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মানব উন্নয়ন সূচকের উল্লেখযোগ্য সূচকগুলোর মধ্যে রয়েছে গড় আয়ু, সাক্ষরতার হার, দারিদ্র্যের হার, বাল্যবিবাহের হার, প্রজনন হার, মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার, আয়ের বৈষম্য এবং টেকসই উন্নয়ন। এগুলোর মাধ্যমে একটি দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং জনগণের জীবনমান মূল্যায়ন করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী, মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান ১২৯তম। ২০১৪ সালে এই অবস্থান ছিল ১৪২তম। এই উন্নতি দেশের আর্থসামাজিক খাতের উন্নয়নের ইঙ্গিত দেয় এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের সাফল্যকে তুলে ধরে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং জনসংখ্যা খাতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া প্রজনন ও মৃত্যুর হার হ্রাস এবং স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি এই বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০২২ সালের খানা আয়-ব্যয় জরিপ অনুযায়ী, দেশের দারিদ্র্যের হার ১৮.৭% এবং অতি দারিদ্র্যের হার ৫.৬%। ২০১৬ সালে এই হার যথাক্রমে ২৪.৩% এবং ১২.৯% ছিল। এ তথ্য আমাদের দেশের দারিদ্র্য নিরসনে সরকারের কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রদর্শন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দারিদ্র্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ দারিদ্র্য হ্রাস এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তা করছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সরকার হত-দরিদ্র ও দুস্থ জনগণের জন্য নগদ ভাতা, খাদ্য সহায়তা এবং বাসস্থান প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। 'একটি বাড়ি একটি খামার' এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি উন্নয়নে কাজ করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রম দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নত করছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'একটি বাড়ি একটি খামার' প্রকল্প গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করার একটি কার্যকর উদ্যোগ। এটি দারিদ্র্য দূরীকরণে সহায়তা করে এবং জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ আর্থিক স্বনির্ভরতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ ২০১৮ সালে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করে। এটি মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার মানদণ্ড পূরণের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ দেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতির প্রতিফলন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য তিনটি সূচকের- মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতার মধ্যে দুটি অর্জনের শর্ত ছিল। বাংলাদেশ তিনটি সূচকের মানদণ্ডই সফলভাবে পূরণ করেছে। এটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০১০ সালে বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার ছিল ৪৭.১%, যা ২০১৯ সালে বেড়ে ৭৩.৯% হয়েছে। এটি বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ এবং সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের সাফল্য প্রকাশ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০২০ সালের Human Development Report অনুযায়ী, মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৩তম। ভারতের অবস্থান ১৩১তম এবং পাকিস্তানের অবস্থান ১৫৪তম। অর্থাৎ মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ ভারতের থেকে পিছিয়ে আছে আর পাকিস্তানের থেকে এগিয়ে আছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০২০ সালে আয়ভিত্তিক বৈষম্যের হার বাংলাদেশে ছিল ১৬.৬%, ভারতে ১৮.৮% এবং পাকিস্তানে ১৭.২%। এতে দেখা যায়, বাংলাদেশে আয়ভিত্তিক বৈষম্য তুলনামূলকভাবে কম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মানব উন্নয়ন সূচক উন্নত করতে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। পাশাপাশি দারিদ্র্য নিরসন ও আয়ের বৈষম্য কমানোর জন্য আরও কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ প্রয়োজন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা সুসংহত করতে শিক্ষার মানোন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃস্টিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে হবে। পাশাপাশি, দারিদ্র্য ও বৈষম্য হ্রাসে সরকারের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

প্রবাসে কর্মরত নাগরিকদের স্বদেশে প্রেরিত অর্থকে রেমিটেন্স বলে। এটি প্রবাসী শ্রমিক, কর্মচারী ও পেশাজীবীদের আয় থেকে প্রেরিত অর্থ। রেমিটেন্স প্রবাসীদের পরিবারের জীবনযাত্রার মান বাড়ায় এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। এটি জাতীয় আয়ের একটি বড় অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রেমিটেন্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে। এটি দারিদ্র্য হ্রাস এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বিনিয়োগ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে ব্যবহার হয়। এর ফলে দেশের অর্থনীতি মন্দা পরিস্থিতি থেকেও রক্ষা পায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশি কর্মীরা প্রধানত সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই, ইউরোপ এবং আমেরিকার বিভিন্ন দেশে কাজ করেন। এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া এবং অস্ট্রেলিয়াতেও তাদের উপস্থিতি রয়েছে। এই দেশগুলোতে বাংলাদেশি শ্রমিক ও পেশাজীবীরা বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত আছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রেমিটেন্স বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসে পরিণত হয়েছে। এটি গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি এনেছে এবং দারিদ্র্য হ্রাসে সহায়তা করেছে। এর ফলে দেশের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রেমিটেন্স দেশের দারিদ্র্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নত করে এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা আনে। পাশাপাশি এটি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে ত্বরান্বিত করে। রেমিটেন্সের ফলে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন ঘটে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

প্রবাসীদের আয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ায় এবং বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করে। এটি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্যতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রবাসীদের আয়ের ফলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয় এবং দেশ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রেমিটেন্স দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি করে। এটি দারিদ্র্য নিরসন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থসামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করে। এছাড়া এটি উন্নয়নের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একটি দেশের অভ্যন্তরে দেশি বা বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা প্রতিবছর উৎপাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP), বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একটি দেশের মোট জাতীয় আয়কে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যা পাওয়া যায় তাই মাথাপিছু আয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একটি দেশের নাগরিক নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছর) যে সকল দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার মোট আর্থিক মূল্য হচ্ছে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একটি দেশের মানুষ প্রকৃত বিচারে কেমন তা জানার জন্য যেসব নির্দেশককে ব্যবহার করা হয়, সেগুলোকে মানব উন্নয়ন সূচক বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাথাপিছু আয়ের সূত্র হলো-

মাথাপিছু আয় মোট জাতীয় আয়/মোট জনসংখ্যা

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যারা শ্রম বা মেধা দিয়ে দেশের কৃষি, শিল্প, সেবাসহ অর্থনীতির যেকোনো খাতে অবদান রাখে তাদেরকে দেশের মানবসম্পদ বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া সব বস্তুকেই প্রাকৃতিক সম্পদ বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শ্রমশক্তিসম্পন্ন মানুষকে মানবসম্পদ বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

GDP-এর পূর্ণরূপ হলো- Gross Domestic Product.

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

HDI-এর পূর্ণরূপ হলো- Human Development Index.

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কোনো দেশের জনপ্রতি বার্ষিক আয়কে মাথাপিছু আয় বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

GNP-এর পূর্ণরূপ হলো Gross National Product.

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

PCI-এর পূর্ণরূপ হলো Per Capita Income.

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কর্ণফুলী কাগজের কলে ব্যবহৃত প্রধান কাঁচামাল বাঁশ ও বেত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শিক্ষা একটি মৌলিক অধিকার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

প্রতিটি অদক্ষ মানুষকে শ্রমশক্তি সম্পন্ন বা মানব সম্পদে পরিণত করাই হচ্ছে মানব সম্পদ উন্নয়ন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের বেশির ভাগ লোক গ্রামে বাস করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০০৪-২০০৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৩ লক্ষ ৭০ হাজার ৭০৭ কোটি টাকা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৫০ লাখ ৪৮ হাজার ২৭ কোটি থাকা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৭৭.৯ শতাংশ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০২২ সালে Human Development Report মোতাবেক মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৯তম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের খানা আয়-ব্যয় জরিপ ২০২২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের বর্তমান দারিদ্র্যের হার ১৮.৭%।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০২২-২০২৩ অর্থবছরে বিদেশে গমনরত বাংলাদেশিদের সংখ্যা ১১.৩৮ লক্ষ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বিশ্বব্যাংকের হিসাব মতে, ২০০৯ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ রেমিটেন্সপ্রাপ্ত দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৮ম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একটি দেশের অভ্যন্তরে দেশি বা বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা প্রতি বছর উৎপাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্য হচ্ছে মোট দেশজ উৎপাদন জিডিপি (GDP)। একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির শক্তি বা সামর্থ্য বোঝার জন্য জিডিপি হিসাব করা হয়। তবে দেশের কোনো ব্যক্তি যদি বিদেশে কাজ করে অথবা কোনো কোম্পানি যদি বিদেশে ব্যবসা করে দেশে টাকা পাঠায় সেই আয় মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন হিসেবে পরিগণিত হবে না অর্থাৎ জিডিপিতে অন্তর্ভুক্ত হবে না। মূলত জিডিপি হচ্ছে একটি দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের আর্থিক মূল্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একটি দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের আর্থিক মূল্যকে জিডিপি বলে। একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির শক্তি বা সামর্থ্য বোঝার জন্য জিডিপি হিসাব করা হয়। তবে দেশের কোনো ব্যক্তি যদি বিদেশে কাজ করে অথবা কোনো কোম্পানি যদি বিদেশে ব্যবসায় করে দেশে টাকা পাঠায় সেই আয় মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন হিসেবে পরিগণিত হবে না অর্থাৎ জিডিপিতে অন্তর্ভুক্ত হবে না। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বিবেচ্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাথাপিছু আয় বলতে কোনো দেশের একটি নির্দিষ্ট সময়ে মোট জনসংখ্যার গড় আয়কে বোঝায়। একটি দেশের মোট জাতীয় আয়কে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে 'মাথাপিছু আয়' পাওয়া যায়। মাথাপিছু আয়ের সূত্রটি হলো-

মাথাপিছু আয় = কোনো নির্দিষ্ট বছরের মোট জাতীয় আয়/ঐ বছরের মোট জনসংখ্যা

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কোনো দেশের জনপ্রতি বার্ষিক আয়কে মাথাপিছু আয় বলে। যা মানুষের জীবনযাত্রার মানকে প্রভাবিত করে। একটি দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় যত বেশি হবে তার জীবনযাত্রার মান তত উন্নত হবে। আর মাথাপিছু আয় কম হলে জীবনযাত্রার মান কম হবে। মাথাপিছু আয় বলতে ক্রয়ক্ষমতা ও ভোগের ক্ষমতাকে বোঝায়।

সুতরাং, মাছাপিছু আয়ই জীবনযাত্রার মানকে প্রভাবিত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেলে জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পায়।
একটি দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের যোগফলকে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়। যে দেশের মাথাপিছু আয় যত বেশি সে দেশের জীবনযাত্রার মান তত উন্নত। জনগণের আয় বৃদ্ধি পেলে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পায় এবং দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয়। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে মানুষের জীবনযাত্রার মানও ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জাতীয় আয়ের খাতগুলো মধ্যে কৃষি একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। বাংলাদেশের মোট জাতীয় উৎপাদনের কৃষি ও বনজ সম্পদের অবদান ১১.০২ শতাংশ। কৃষিখাতের একটি বড় উপখাত হলো খাদ্য শস্য। খাদ্যশস্য, দেশের মানুষের মৌলিক খাবারের চাহিদা মেটায়, পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে। বাংলাদেশের প্রধান প্রধান খাদ্যশস্য হলো ধান, গম, আলু, তেলবীজ, ডাল, ভুট্টা ইত্যাদি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ছিল ৩৩.৮৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১০.২০ শতাংশ। পোশাকশিল্প, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ, খনিজসম্পদ ও নির্মাণ শিল্প প্রভৃতিকে এই খাতের অন্তর্ভুক্ত করায় জাতীয় অর্থনীতিতে এই খাতের অবদান অনেক বেড়ে যায়। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এই খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৬৬ শতাংশ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কেউ শারীরিক শ্রম দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য সম্পদ তৈরি কিংবা তাতে সহায়তা করে। কেউ মেধা দিয়ে নতুন নতুন সম্পদ উদ্ভাবন কিংবা তাতে সহায়তা করে। এভাবে যারা শ্রম বা মেধা দিয়ে দেশের কৃষি, শিল্প, সেবাসহ যেকোনো খাতে অবদান রাখে তাদেরকে দেশের মানবসম্পদ বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একটি দেশের মানুষ প্রকৃত বিচারে কেমন তা জানার জন্য যেসব নির্দেশককে ব্যবহার করা হয়, সেগুলোকে 'মানব উন্নয়ন সূচক! (Human Development Indicators) বলে। এখানে নানান সূচক ব্যবহার করে দেখা হয় যে একটি দেশের অর্থনীতি কতটা কল্যাণমুখী। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সূচক হচ্ছে গড় আয়ু, গড় সামাজিক অসমতা, প্রসবকালীন মৃত্যুর হার, বেকারত্বের হার, দারিদ্র্যের হার, শিশুশ্রমের হার, আয়ের বৈষম্যের হার, শিক্ষার হার, পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়ন ইত্যাদি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দেশের কৃষি, শিল্প বা সেবাখাতে উৎপাদন বৃদ্ধির কাজে যারা শ্রম ও মেধা দিয়ে কাজ করেন তারা নিজেদেরকে শ্রমশক্তিতে রূপান্তরিত করেন। শ্রমশক্তি সম্পন্ন মানুষই দেশের মানব সম্পদ। প্রতিটি অদক্ষ মানুষকে শ্রমশক্তি সম্পন্ন মানুষে পরিণত করাই মানব সম্পদ উন্নয়ন। দেশের সামগ্রিক উন্নতির জন্য মানব সম্পদের উন্নয়ন প্রয়োজন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দরিদ্র লোকের পর্যাপ্ত খাদ্য থাকে না বলে তারা দুর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারী হয়। এরা কাজ পায় না বা করতে পারে না। ফলে আয় কম হয়। কম আয়ের কারণে সঞ্চয় করতে পারে না বা কয় সঞ্চয় করে। এ কারণে বিনিয়োগ কম হয় বা মূলধন কম থাকে ফলে এরা দরিদ্রই থেকে যায়। এ চক্রটিই হলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে মানবসম্পদ উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হওয়ার একটি অন্যতম কারণ হলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র। দরিদ্র লোকের পর্যাপ্ত খাদ্য থাকে না বলে তারা দুর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারী হয়। তাই এদের কর্মশক্তি কম। ফলে আয় কম হয়। কম আয়ের কারণে তারা কম সঞ্চয় করে। এ কারণে বিনিয়োগ কম হয় বা মূলধন কম থাকে। ফলে এরা দরিদ্রই থেকে যায়। দারিদ্র্যের এ চক্রাকার আবর্তের কারণে মানবসম্পদ উন্নয়নে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শ্রমশক্তি সম্পন্ন মানুষই দেশের মানব সম্পদ। প্রতিটি অদক্ষ মানুষকে শ্রমশক্তি সম্পন্ন মানুষে পরিণত করাই মানব সম্পদ উন্নয়ন। দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য মানব সম্পদের উন্নয়ন প্রয়োজন। কেননা কোনো অদক্ষ মানুষ নয়, কেবলমাত্র দক্ষ মানুষই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে মানবসম্পদ উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হওয়ার একটি কারণ হলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র। আমাদের দেশের দরিদ্র লোকের পর্যাপ্ত খাদ্য থাকে না বলে তারা দুর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারী হয়। তাই তারা কাজ পাবে না। ফলে আয় কম হয়। কম আয়ের কারণে তারা কম সঞ্চয় করে। এ কারণে বিনিয়োগ কম হয় বা মূলধন কম থাকে। ফলে এরা দরিদ্রই থেকে যায়। দারিদ্র্যের এই চক্রাকার আবর্তের কারণে মানবসম্পদ উন্নয়নে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একটি দেশের সম্পদসমূহের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান সম্পদ হলো মানবসম্পদ। জনসাধারণ তখনই মানবসম্পদে পরিণত হবে যখন তারা উপরিউক্ত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার মাধ্যমে বিশেষ দক্ষতা ও যোগ্যতা অর্জন করে। কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে, দেশের অশিক্ষিত ও কর্মহীন জনগোষ্ঠীর বিশেষ করে তরুণদের জন্য শিক্ষা ও নানা ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিস্তার ঘটিয়ে, নারী শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে জনসংখ্যাকে মানব সম্পদে রূপান্তর করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিপ্রধান অর্থনীতি হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। দেশের রপ্তানি আয়ে কৃষিখাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষিখাতের অন্যতম প্রধান উৎপন্ন দ্রব্য। বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে প্রযুক্তির বিকাশকে কাজে লাগিয়ে কৃষিখাতকে উন্নত করতে পারলে আমাদের জাতীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে ও জাতীয় আয় বৃদ্ধি পাবে। আর তাই আমাদের কৃষিখাতকে উন্নত করা প্রয়োজন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০০০ সালে জাতিসংঘের সদস্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধানগণ সম্মিলিতভাবে একটি অঙ্গীকার করেন। আর তা হলো-২০১৫ সালের মধ্যে তার নিজ নিজ দেশে আটটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বাস্তবায়ন করবেন। এ লক্ষ্যগুলোকেই বলা হয় সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

প্রবাসে কর্মরত নাগরিকদের স্বদেশে প্রেরিত অর্থকে রেমিটেন্স (Remittance) বলে। বিদেশে কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারী ও পেশাজীবীরা তাদের অর্জিত অর্থের একটা অংশ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিবারের কাছে পাঠায়। এ অর্থ কেবল তাদের পরিবারের প্রয়োজনই মেটায় না, কিংবা তাদের জীবনযাত্রার মানই বাড়াচ্ছে না, বরং নানা ক্ষেত্রে বিনিয়োগ হয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে। তাদের বিদেশে যাওয়ার পিছনে বহু কারণ রয়েছে। আমাদের দেশের অধিকাংশ লোক অশিক্ষিত ও অদক্ষ, তাই এদেশে তাদের কর্মসংস্থানের তেমন সুযোগ নেই। তাই তারা বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ নিয়ে বিদেশে যাচ্ছে। এদেশে কর্মসংস্থানের অভাব ও দারিদ্র্যের কারণেই মূলত এদেশের মানুষ বিদেশে পাড়ি দিচ্ছে। তাছাড়া আমাদের দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সামাজিক নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের নিরাপত্তার অভাবে অনেকেই বিদেশে গিয়ে কর্মে নিযুক্ত হচ্ছে। আবার শিক্ষিত লোকেরা বিদেশের চাকচিক্য ও উন্নত জীবন ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্য বিদেশে যাচ্ছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

প্রবাসী কর্মরত নাগরিকদের স্বদেশে প্রেরিত অর্থকে রেমিটেন্স বলে। বিদেশে কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারী ও পেশাজীবীরা তাদের অর্জিত অর্থের একটা অংশ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিবারের কাছে পাঠায়। এ অর্থ কেবল তাদের পরিবারের প্রয়োজনই মেটায় না, কিংবা তাদের জীবনযাত্রার মানই বাড়াচ্ছে না, নানা ক্ষেত্রে বিনিয়োগ হয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের একটি বড় অংশ আসছে প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিটেন্স থেকে। এসব কারণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে রেমিটেন্স খুব গুরুত্বপূর্ণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
152

বাংলাদেশকে বলা হয় কৃষি প্রধান দেশ। এদেশের বেশির ভাগ লোক গ্রামে বাস করে। আর কৃষিই তাদের জীবিকার প্রধান উপায়। এছাড়াও গ্রামাঞ্চলে কিছু লোক যেমন- তাঁতি, জেলে, কুমার, কামার, মুদি দোকানদারও ছোটখাটো ব্যবসা করে জীবন ধারণ করে। শহরাঞ্চলের মানুষ প্রধানত চাকরি ও ব্যবসা-বাণিজ্য করে। এছাড়াও শহরে বহু লোক রিক্সা, ঠেলা ও ভ্যানগাড়ি চালক, মুটে, মজুর, ছোট দোকানদার ও ফেরিওয়ালা ইত্যাদি হিসাবে জীবন ধারণ করে। এসব কাজ হয় ব্যক্তি উদ্যোগে। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় মালিকানায়ও এদেশে কিছু কিছু শিল্পকারখানা এবং রেল, সড়ক ও নৌপরিবহন ব্যবস্থা চালু রয়েছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবামূলক খাতও রয়েছে। বর্তমানে বেসরকারি মালিকানায় দেশে অনেক শিল্পকারখানা ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। দেশের উন্নয়নে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাছাড়া বিপুল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে এই খাত থেকে। এভাবে সরকারি ও বেসরকারি দুই খাতকে নিয়েই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক জীবনধারা বিকশিত হচ্ছে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (জিডিপি), মোট জাতীয় উৎপাদন (জিএনপি) ও মাথাপিছু আয়ের ধারণা উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করতে পারব; 

মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) যেসব খাত অবদান রাখছে তা বর্ণনা করতে পারব; 

মানব সম্পদ উন্নয়নের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব ; 

বাংলাদেশে মানব সম্পদ উন্নয়ন পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে পারব এবং অন্যান্য দেশের মানব সম্পদ উন্নয়নের সঙ্গে তুলনা করতে পারব ; 

মানব উন্নয়ন সূচকের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব ; 

মানব উন্নয়ন সূচকের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও উন্নয়নশীল কয়েকটি দেশের তুলনা করতে পারব; 

বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের প্রেরিত রেমিটেন্স ও অর্থনীতিতে এর প্রভাব ব্যাখ্যা করতে পারব; 

মানব উন্নয়ন সূচকের ভিত্তিতে দেশের উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা পালনের মনোভাব অর্জন করব।

 

মোট দেশজ উৎপাদন ( Gross Domestic Product : GDP) 

একটি দেশের অভ্যন্তরে দেশি বা বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা প্রতি বছর উৎপাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্য হচ্ছে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP)। জিডিপি হিসাব করা হয় মূলত একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির শক্তি বা সামর্থ্য বোঝার জন্য। 

তবে দেশের কোনো ব্যক্তি যদি বিদেশে কাজ করে অথবা কোনো কোম্পানি যদি বিদেশে ব্যবসা করে দেশে টাকা পাঠায় সেই আয় মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন হিসাবে পরিগণিত হবে না অর্থাৎ জিডিপিতে অন্তর্ভুক্ত হবে না। মূলত জিডিপি হচ্ছে একটি দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের আর্থিক মূল্য।

 

মোট জাতীয় উৎপাদন ( Gross National Product : GNP) 

একটি দেশের নাগরিক নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছর) যে সকল দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার মোট আর্থিক মূল্য হচ্ছে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)। অর্থাৎ একটি দেশের নাগরিক নিজ দেশসহ বিশ্বের যেখানেই চাকরি বা ব্যবসা করুক না কেন যখন তাদের অর্জিত আয় দেশের অর্থনীতিতে যুক্ত হয় তখন তা মোট জাতীয় উৎপাদন হিসাবে বিবেচিত হবে। জিএনপি হিসাব করা হয় একটি দেশের নাগরিকদের অর্থনৈতিক অবদান বোঝার জন্য। যেমন—কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিদেশে চাকরি বা ব্যবসা করে অর্জিত অর্থের যে পরিমাণ অর্থ বৈধপথে বাংলাদেশে পাঠায় তা বাংলাদেশের মোট জাতীয় উৎপাদনের অংশ হবে।

 

মাথাপিছু আয় ( Per Capita Income : PCI) 

একটি দেশের মোট জাতীয় আয়কে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে মাথাপিছু আয় পাওয়া যায় । এর মাধ্যমে একটি দেশের মানুষের সার্বিক জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করা হয় । যে দেশের মাথাপিছু আয় যত বেশি সে দেশের জনগণের জীবনযাত্রার মান তত উন্নত এবং অর্থনীতি তত বেশি সমৃদ্ধ ।

যে কোনো দেশের কৃষি, শিল্প, সেবাসহ যাবতীয় উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের আয় বৃদ্ধি করা। জনগণের আয় বৃদ্ধি পেলে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পায় এবং দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয়। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির ফলে ধীরে ধীরে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১০ সালে আমাদের মাথাপিছু আয় ছিল ৯২৮ মার্কিন ডলার; যা ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে এসে দাঁড়িয়েছে ২০৬৪ মার্কিন ডলারে ।

একটি দেশ কতোটা উন্নত বা অনুন্নত তা বিচার করা হয় কতোগুলো সূচক বা মানদণ্ডের সাহায্যে। এই মানদণ্ডগুলো হলো দেশটির মোট জাতীয় উৎপাদন, জনগণের মাথাপিছু আয়, জীবনযাত্রার মান প্রভৃতি। এইসব দিক বিচারে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে অনেক উন্নতি লাভ করেছে। আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার প্রতি বছরই পূর্ববর্তী বছরগুলোকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে যেমন আছে আমাদের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন তেমনি আছে প্রবাসে কর্মরত শ্রমিক ও অন্যান্য চাকরিজীবীদের অবদান। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক হিসাবে দেখা যায়, ২০০৪-২০০৫ অর্থবছরে যেখানে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (GDP) পরিমাণ ছিল ৩,৭০,৭০৭ কোটি টাকা, সেখানে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে এর পরিমাণ ২৭,৯৬,৩৭৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। (উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২০ )

দেশের কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতে উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধির মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি। দেশে উৎপাদন বাড়লে জনগণের জীবনযাত্রার উপর তার প্রভাব পড়বে। দারিদ্র্য হ্রাস পাবে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে, কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে, বেকারত্ব হ্রাস পাবে। এর সঙ্গে যদি আমাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারকেও নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, তবে প্রবৃদ্ধির সূচকে আমাদের দেশ অনেক এগিয়ে যাবে।

কাজ : জাতীয় উৎপাদন ও মাথাপিছু আয় ধারণা দুটি ব্যাখ্যা করো ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলাদেশের বেশির ভাগ লোক গ্রামে বাস করে। আর কৃষিই তাদের জীবিকার প্রধান উপায়। তাই বাংলাদেশকে কৃষিপ্রধান দেশ বলা হয়ে থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
229
উত্তরঃ

একটি দেশের অভ্যন্তরে দেশি বা বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা প্রতিবছরে উৎপাদিত সকল চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্য ও সেবার মোট অর্থমূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) বলা হয়। এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক শক্তি বা সামগ্রিক আয় বোঝার জন্য ব্যবহৃত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
256
উত্তরঃ

মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) হলো একটি দেশের নাগরিকদের নির্দিষ্ট সময়ে উৎপাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার অর্থমূল্যের যোগফল। এতে দেশের নাগরিকদের বিদেশে করা আয়ের যোগ হয় এবং বিদেশিদের দেশে করা আয় বাদ দেওয়া হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
186
উত্তরঃ

মাথাপিছু আয় হলো একটি দেশের মোট জাতীয় আয়ের সাথে সে দেশের জনসংখ্যার ভাগফল। এটি দেশের নাগরিকদের গড় আয় বোঝায়। মাথাপিছু আয় বেশি হলে সাধারণত দেশের আর্থিক অবস্থার উন্নতির পরিচায়ক হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
267
উত্তরঃ

মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন অর্থনীতির উৎপাদনশীল খাতের উন্নয়ন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং শ্রমশক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি। এই লক্ষ্যে শিল্প, সেবা এবং কৃষিখাতের উন্নয়ন প্রয়োজন। এছাড়াও দারিদ্র্য দূরীকরণ মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
288
উত্তরঃ

মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) সাধারণত একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক শক্তি ও আয়ের পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নির্ধারণ এবং দেশের অর্থনীতির কার্যক্ষমতা মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
246
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews