উদ্দীপকে উল্লিখিত গোলাম কুদ্দুস সাহেব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
বাংলাদেশ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর ইউনিয়ন পরিষদ। এটি গ্রামীণ এলাকায় অবস্থিত একটি স্থানীয় সরকার। ১ জন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ৯ জন সদস্য এবং ৩ জন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যসহ মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত। এটি গণতন্ত্র চর্চারও একটি তৃণমূল প্রতিষ্ঠান। এটি মূলত জনপ্রতিনিধিত্বমূলক স্থানীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইউনিয়ন পরিষদ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সমস্যা সমাধান করে। ইউনিয়ন পরিষদ সরকারের লক্ষ্য ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরাসরি নিয়োজিত সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে। উদ্দীপকেও অনুরূপ ঘটনা প্রতিফলিত হয়েছে। উদ্দীপকে বর্ণিত কুদ্দুস সাহেবও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি এলাকাবাসীর বিশুদ্ধ পানির সমস্যা দূর করার জন্য নলকূপ স্থাপন করে। এ ছাড়া তিনি রাস্তাঘাট সংস্কার ও নির্মাণ এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করেন। যা ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকান্ডকেই নির্দেশ করে।
তাই বলা যায়, গোলাম কুদ্দুস সাহেব স্থানীয় শাসনব্যবস্থার প্রাথমিক স্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেই দায়িত্ব পালন করেছেন।
Related Question
View Allসরকার রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। এটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অপরিহার্য এবং সকল কাজ সরকারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ইঞ্জিন ছাড়া গাড়ি যেমন চলতে পারে না, তেমনি সরকার ছাড়া রাষ্ট্র চলতে পারে না। রাষ্ট্রের আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের ভূমিকা অপরিসীম।
সরকারব্যবস্থার পরিবর্তন যুগে যুগে ঘটেছে। রাষ্ট্রের শুরু থেকেই সরকারের ধরন ও ধারণায় পরিবর্তন এসেছে। বর্তমান যুগে সরকার বিভিন্ন নীতি ও কাঠামোর ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। এ কারণে সরকারের শ্রেণিবিভাগও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে।
সরকারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- গণতন্ত্র এবং একনায়কতন্ত্র। গণতন্ত্রে জনগণই ক্ষমতার উৎস এবং তারা ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করে। অন্যদিকে, একনায়কতন্ত্রে এক ব্যক্তি বা দলের শাসন চলে এবং জনগণের মতামতের কোনো পুরুত্ব থাকে না।
গণতন্ত্র হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে সার্বভৌম ক্ষমতা জনগণের হাতে থাকে। জনগণ তাদের পছন্দের রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সরকার গঠন করে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করে। এটি পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে প্রচলিত।
একনায়কতন্ত্র হলো এক ব্যক্তির বা এক দলের শাসনব্যবস্থা। এতে জনগণের অধিকার ও মতামতের কোনো স্বীকৃতি থাকে না। শাসকের ইচ্ছাই আইন হিসেবে কার্যকর হয়। এটি গণতন্ত্রের বিপরীত একটি শাসনব্যবস্থা।
একনায়কতন্ত্রে, ক্ষমতা এক ব্যক্তির বা এক দলের হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে। এতে জনগণের অধিকার ও মতামতের গুরুত্ব থাকে না। একনায়ক বা দল ইচ্ছামতো রাষ্ট্র পরিচালনা করে। এই শাসনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকে না।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!