গৌতম বুদ্ধ সকল প্রাণীর দুঃখ মুক্তি ও কল্যাণের জন্য কঠোর সাধনা করেছিলেন এবং পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে দিকে দিকে বিচরণ করে ধর্মপ্রচার করেন। এক মাঘী পূর্ণিমায় তিনি বৈশালীর চাপাল চৈত্যে উপস্থিত হয়ে ঘোষণা দেন যে, তিনি পরিনির্বাণ লাভ করবেন। এর তিন মাস পর কুশীনগরের পাবা নামক স্থানে ভিক্ষুসংঘসহ নিয়ে তিনি উপস্থিত হলেন এবং চুন্দের আতিথ্য গ্রহণ করেন। তারপর মল্লদের শালবনে যমক শালগাছের নিচে তিনি বিশ্রাম করেন। সেদিন ছিল বৈশাখী পূর্ণিমা। বুদ্ধ তাঁর শিষ্যদের উপদেশ দিয়ে ধ্যানে নিমগ্ন হলেন। রাত্রির তৃতীয় যামে তিনি ধ্যানে মগ্ন থেকে পরম সুখময় পরিনির্বাণ লাভ করেন। মহাপরিনির্বাণের পর তাঁর দেহ' আটভাগে বিভক্ত করা হয়। বৌদ্ধরা এখনও বুদ্ধের দেহধাতুর উদ্দেশ্যে বন্দনা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
Related Question
View Allত্রিপিটক পালি ভাষায় রচিত।
বুদ্ধ প্রথম ধর্ম দেশনায় চতুরার্য সত্য তত্ত্বটি সর্বপ্রথম উল্লেখ করেন।
দুঃখ নিরোধ আর্যসত্য হলো দুঃখ থেকে পরিত্রাণ 1
সর্বদা নৈতিক আচরণ অনুশীলন করাই হলো সম্যক কর্ম।
চিত্তের একাগ্রতা সাধনই সম্যক সমাধি।
প্রথম বর্ষাবাসের পর গৌতমবুদ্ধ উরুবেলা সেনানী করেন। গ্রামে যাত্রা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!