উত্তরঃ

একাত্তরের দিনগুলি = জাহানারা ইমাম ।

উত্তরঃ

মতিচুর = বেগম রোকেয়া ।

উত্তরঃ

The Cruel Birth of Bangladesh = Archer K. Blood

উত্তরঃ

আমার দেখা নয়াচীন = বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

উত্তরঃ

অরণ্যের দিনরাত্রি = সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ।

147

শিক্ষাবিদ, কথাসাহিত্যিক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের আগামী সৈনিক 'শহিদ জননী' জাহানারা ইমাম ছিলেন একাত্তরের ঘাতক-দালাল বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী। একাত্তরে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র শাফী ইমাম রুমী বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে সফল গেরিলা অপারেশনে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে রুমী পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন এবং নির্মম নির্যাতনের ফলে মৃত্যুবরণ করেন। রুমীর শহিদ হওয়ার সূত্রেই তিনি 'শহিদ জননী'র মর্যাদায় ভূষিত হন।

  • জাহানারা ইমাম (ডাকনাম: জুড় ৩ মে, ১৯২৯ সালে ভারতের পশ্চিবঙ্গের মুর্শিদাবাদের বড়ঞ্চা থানার অন্তর্গত সুন্দরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
  • তাঁর স্বামী প্রখ্যাত স্থপতি শরিফুল আলম ইমামও মুক্তিযুদ্ধের সময় মৃত্যুবরণ করেন।
  • তাঁর নেতৃত্বে ১৯ জানুয়ারি, ১৯৯২ সালে ১০১ সদস্যবিশিষ্ট 'একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি' গঠিত হয়।
  • তিনি ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২ সালে ৭০টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত 'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটি'র আহ্বায়ক নির্বাচিত হন।
  • তিনি 'বাংলা একাডেমি পুরস্কার' (১৯৯১), 'স্বাধীনতা পুরস্কার' (১৯৯৭), 'রোকেয়া পদক' (১৯৯৮) লাভ করেন।
  • তিনি ২৬ জুন, ১৯৯৪ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ডেট্রয়েট, মিশিগান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুবরণ করেন। ৫ জুলাই, মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থগুলোঃ

'একাত্তরের দিনগুলি' (১৯৮৬): বইটি ব্যক্তিগত দিনলিপি বা ডায়েরি আকারে লেখা, যার শুরু ১ মার্চ, ১৯৭১ সাল থেকে ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সাল পর্যন্ত। এ দিনলিপি বা ডায়েরিই ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৬ সালে 'একাত্তরের দিনগুলি' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এ গ্রন্থে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ঢাকা শহরের অবস্থা ও গেরিলা তৎপরতার চিত্র উঠে এসেছে।

'বীরশ্রেষ্ঠ' (১৯৮৫)।

তাঁর রচিত শিশুতোষ গ্রন্থগুলোঃ

'গজকচ্ছপ' (১৯৬৭), 'সাতটি তারার ঝিকিমিকি' (১৯৭৩), 'বিদায় দে মা ঘুরে আসি' (১৯৮৯)।

তাঁর অনুবাদ গ্রন্থগুলোঃ

'জাগ্রত ধরিত্রী' (১৯৬৮), 'নদীর তীরে ফুলের মেলা' (১৯৬৬), 'তেপান্তরের ছোট্ট শহর' (১৯৭১)।

তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থগুলোঃ

'বুকের ভিতর আগুন' (১৯৯০): মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিশোর উপন্যাস।

'অন্য জীবন' (১৯৮৫), 'জীবন মৃত্যু', (১৯৮৮), 'শেক্সপীয়রের ট্রাজেডি' (১৯৮৯), 'চিরায়ত সাহিত্য' (১৯৮৯), 'নাটকের অবসান' (১৯৯০), 'নিঃসঙ্গ পাইন' (১৯৯০), 'দুই মেরু' (১৯৯০), 'নয় এ মধুর খেলা' (১৯৯০), 'ক্যান্সারের সঙ্গে বসবাস' (১৯৯১), প্রবাসের দিনগুলি (১৯৯২), 'বাংলা উচ্চারণ অভিধান' (১৩৭৫)।

Related Question

View All
উত্তরঃ হাসান হাফিজুর রহমান

একুশের প্রথম সংকলন হলো ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্য সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি', যা ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। এটি ভাষা আন্দোলনের চেতনাসমৃদ্ধ প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সংকলন।

অন্যদিকে, 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র' একটি ১৫ খণ্ডের বিশাল সংকলন, যা বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক ১৯৮২ থেকে ১৯৮৯ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়। এই বিশাল ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের প্রধান সম্পাদক ছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান। এই দলিলপত্রগুলি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত তথ্য, চিঠি, প্রতিবেদন, সাক্ষাৎকার এবং অন্যান্য ঐতিহাসিক নথি সংরক্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
418
উত্তরঃ

অন্নদামঙ্গল কাব্য। কাব্যে আরবি-ফারসি শব্দ ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন যে, জনসাধারণের কাছে সহজবোধ্য ও রসগ্রাহী করে তোলার জন্য আরবি ও ফারসি শব্দ ব্যবহার অত্যাবশ্যক। তাঁর মতে, ভাষার সৌন্দর্য ও মাধুর্য রক্ষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দ ব্যবহার অপ্রাসঙ্গিক নয়, বরং তা কাব্যকে আরও সমৃদ্ধ করে।


ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি। তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ ও অমর কাব্যগ্রন্থ হলো অন্নদামঙ্গল কাব্য। এটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত—১. অন্নদামঙ্গল, ২. বিদ্যাসুন্দর বা কালিকামঙ্গল এবং ৩. মানসিংহ বা মানসিংহ ভবানন্দ উপাখ্যান।

ভারতচন্দ্র ফারসি ও আরবি ভাষায় সুপণ্ডিত ছিলেন। তাঁর কাব্যে তিনি সচেতনভাবে আরবি ও ফারসি শব্দ ব্যবহার করেছেন। এই প্রসঙ্গে তাঁর বিখ্যাত উক্তি হলো: "নগর পুড়িলে কি দেবালয় এড়ায়? আরবি ফারসি কিবা জানে বেনে গায়?" এর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, ভাষার বিশুদ্ধতা নিয়ে অতিমাত্রায় রক্ষণশীল না হয়ে জনসাধারণের মধ্যে প্রচলিত ও পরিচিত শব্দ ব্যবহার করাই শ্রেয়। তিনি বিশ্বাস করতেন, আরবি-ফারসি শব্দ বাংলা ভাষার সঙ্গে মিশে গিয়ে তার শ্রুতিমাধুর্য ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। তৎকালীন সময়ে ফারসি ছিল রাজদরবারের ভাষা এবং সাধারণ মানুষের মুখেও অনেক আরবি-ফারসি শব্দ প্রচলিত ছিল। তাই তিনি কাব্যের গ্রহণযোগ্যতা ও পাঠকপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য এসব শব্দ ব্যবহারে কুণ্ঠাবোধ করেননি। তাঁর মতে, যে শব্দ শ্রুতিমধুর ও মনোহর, তা বিদেশি হলেও কাব্যে তার স্থান করে নেওয়া উচিত। এই দৃষ্টিভঙ্গি ভারতচন্দ্রকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক আধুনিক ও প্রগতিশীল ভাষাচিন্তক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
334
উত্তরঃ

অন্নদামঙ্গল রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রচিত একটি মঙ্গলকাব্য।

badol
badol
1 year ago
391
উত্তরঃ

‘দি লিবারেশন অব বাংলাদেশ' গ্রন্থের লেখক মেজর জেনারেল সুখাওয়ান্ত সিং। 

326
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews