উত্তরঃ

সাদা পোশাক তাপ শোষণ না করে প্রতিফলিত করে এবং রঙিন বা গাঢ় পোশাক তাপ শোষণ করে।


পোশাকের রঙ বস্তুর তাপ শোষণ ও প্রতিফলনের ক্ষমতার উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। এই বৈজ্ঞানিক নীতি আমাদের বিভিন্ন ঋতুতে আরামদায়ক পোশাক নির্বাচনে সহায়তা করে:

        
  • গ্রীষ্মকালে সাদা পোশাক: সাদা রঙ আলোকের প্রায় সমস্ত অংশই প্রতিফলিত করে। এর অর্থ হলো, সাদা পোশাক সূর্য থেকে আসা তাপের একটি বড় অংশ শোষণ না করে পরিবেশে ফিরিয়ে দেয়। ফলে পোশাকের তাপমাত্রা খুব বেশি বৃদ্ধি পায় না এবং পরিধানকারীর শরীর কম তাপ শোষণ করে, যা গ্রীষ্মকালের তীব্র গরমেও শীতল ও আরামদায়ক অনুভূতি দেয়।
  •     
  • শীতকালে রঙিন বা গাঢ় পোশাক: গাঢ় বা রঙিন পোশাক আলোর বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে শোষণ করে নেয়। শোষিত এই আলোকশক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়, যা পোশাকের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে এবং পরোক্ষভাবে পরিধানকারীর শরীরে উষ্ণতা সরবরাহ করে। শীতকালে যখন বাইরের তাপমাত্রা কম থাকে, তখন শরীরকে উষ্ণ রাখার জন্য এই অতিরিক্ত তাপ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই গাঢ় বা রঙিন পোশাক পরিধান করলে শরীর ঠান্ডা থেকে সুরক্ষিত থাকে এবং উষ্ণতা অনুভব করে, যা আরামদায়ক।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

মাটি বা পানির পিএইচ (pH) মান হলো কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় (acidic) বা ক্ষারীয় (alkaline) তা পরিমাপের একটি সূচক। এটি ০ থেকে ১৪ স্কেলে প্রকাশ করা হয়, যেখানে ৭ পিএইচ মানকে নিরপেক্ষ (neutral) ধরা হয়। ৭-এর নিচে থাকলে দ্রবণটিকে অম্লীয় এবং ৭-এর উপরে থাকলে ক্ষারীয় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।


কৃষিতে মাটি ও পানির পিএইচ মান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান গ্রহণ ক্ষমতা, মাটির অণুজীবের কার্যকলাপ এবং ফসলের সামগ্রিক বৃদ্ধিতে সরাসরি প্রভাব ফেলে। অধিকাংশ ফসল একটি নির্দিষ্ট পিএইচ পরিসীমার মধ্যে (সাধারণত ৬.০ থেকে ৭.০) সবচেয়ে ভালো জন্মায়। যদি মাটি বা পানির পিএইচ মান অনুকূল না হয়, তবে গাছ মাটি থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান (যেমন নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম) কার্যকরভাবে শোষণ করতে পারে না, এমনকি সেগুলো প্রচুর পরিমাণে বিদ্যমান থাকলেও। এর ফলে ফসলের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, উৎপাদন কমে যায় এবং ফলনের গুণগত মান প্রভাবিত হয়। কৃষকরা নিয়মিত মাটির পিএইচ পরীক্ষা করে চুন (অম্লতা কমাতে) বা সালফার (ক্ষারতা কমাতে) প্রয়োগ করে পিএইচ মান নিয়ন্ত্রণ করে, যা সুস্থ ফসল উৎপাদন ও সর্বোচ্চ ফলন নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন।

বায়ুমণ্ডলে অতিরিক্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড (CO2) এর কারণে নিম্নলিখিত গুরুতর পরিবেশগত সমস্যাগুলি সৃষ্টি হয়:

        
  • বৈশ্বিক উষ্ণায়ন (Global Warming): কার্বন-ডাই-অক্সাইড একটি গ্রিনহাউস গ্যাস। এর পরিমাণ বেড়ে গেলে এটি সূর্য থেকে আসা তাপকে পৃথিবীতে আটকে রাখে, যার ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
  •     
  • জলবায়ু পরিবর্তন (Climate Change): বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলস্বরূপ সামগ্রিক জলবায়ুতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। এর ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাওয়া, বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় এবং তাপপ্রবাহের মতো চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলি ঘন ঘন ঘটে।
  •     
  • সমুদ্রের অম্লতা বৃদ্ধি (Ocean Acidification): অতিরিক্ত CO2 সমুদ্রের পানিতে মিশে কার্বনিক অ্যাসিড তৈরি করে, যা সমুদ্রের অম্লতা বাড়িয়ে দেয়। এটি সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র (marine ecosystem), বিশেষ করে প্রবাল প্রাচীর (coral reefs) এবং শেলযুক্ত প্রাণীদের (shelled organisms) জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক।
  •     
  • জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি (Loss of Biodiversity): তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী তাদের স্বাভাবিক বাসস্থান হারায় অথবা বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়ে।
  •     
  • কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তায় প্রভাব: খরা, বন্যা এবং আবহাওয়ার অস্বাভাবিক পরিবর্তনের কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হয়, যা খাদ্য নিরাপত্তাকে (food security) হুমকির মুখে ফেলে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ 100 ডিগ্রী সেলসিয়াস

পানির স্ফুটনাঙ্ক 100 ডিগ্রী সেলসিয়াস (বা 212 ডিগ্রী ফারেনহাইট)। এই তাপমাত্রা হলো সেই নির্দিষ্ট বিন্দু যেখানে তরল পদার্থ তার স্ফুটনাঙ্কে পৌঁছে বাষ্পে পরিণত হতে শুরু করে।

পানির স্ফুটন নির্দিষ্ট এই তাপমাত্রায় ঘটে কারণ, তরলের উপরিতল থেকে বাষ্পের চাপ (vapor pressure) যখন পারিপার্শ্বিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপের (atmospheric pressure) সমান হয়, তখনই তরল ফুটতে শুরু করে। বিশুদ্ধ পানির ক্ষেত্রে, প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে (1 অ্যাটমস্ফিয়ার), 100 ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এর বাষ্পচাপ বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সমান হয়।

এই তাপমাত্রায় পানি পর্যাপ্ত শক্তি শোষণ করে অণুগুলির মধ্যবর্তী বন্ধন ভেঙে তরল অবস্থা থেকে গ্যাসীয় (বাষ্প) অবস্থায় রূপান্তরিত হয়। এই সুপ্ততাপ (latent heat of vaporization) গ্রহণ করার কারণেই তাপমাত্রা না বেড়ে অবস্থা পরিবর্তন হয়। যদি বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিবর্তিত হয়, তবে স্ফুটনাঙ্কও পরিবর্তিত হতে পারে; যেমন, উচ্চ পর্বতমালায় চাপ কম থাকায় পানি 100 ডিগ্রী সেলসিয়াসের কম তাপমাত্রায় ফোটে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

অ্যান্টিবায়োটিক হলো এক ধরনের ঔষধ যা ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করে বা সেগুলোকে ধ্বংস করে কাজ করে। এরা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর গঠন, প্রোটিন সংশ্লেষণ, ডিএনএ প্রতিলিপিকরণ (DNA replication) অথবা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় (metabolic processes) ব্যাঘাত ঘটিয়ে সংক্রমণকে প্রতিহত করে। মানুষের দেহের কোষে এই ধরনের প্রক্রিয়া না থাকায় অ্যান্টিবায়োটিক সাধারণত মানবদেহের ক্ষতি করে না।

অ্যান্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত বা ভুল ব্যবহারের কারণে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে প্রধান হলো অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স (antibiotic resistance), যেখানে ব্যাকটেরিয়া সময়ের সাথে সাথে অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে, ফলে প্রচলিত ঔষধ আর কাজ করে না। এছাড়া, এটি শরীরের উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে (যেমন: অন্ত্রের মাইক্রোবায়োটা - gut microbiota) নষ্ট করে দিতে পারে, যার ফলে হজমের সমস্যা বা অন্যান্য সংক্রমণ হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া এবং অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও (side effects) দেখা দিতে পারে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
766

স্ফুটনাংক (Boiling Point)

যে তাপমাত্রায় কোন তরল পদার্থ ফুটতে থাকে, তাকে সে পদার্থের স্ফুটনাংক বলে। পানির স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কার্বন নিঃস্রণ (Carbon Emission) বলতে মূলত কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) এবং অন্যান্য কার্বন-ভিত্তিক গ্রিনহাউস গ্যাস (Greenhouse gas), যেমন মিথেন (Methane), নাইট্রাস অক্সাইড (Nitrous oxide) ইত্যাদির বায়ুমণ্ডলে নির্গমনকে বোঝায়। এই গ্যাসগুলি মূলত মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ফল। জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil fuels) যেমন কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানো, বন উজাড় (Deforestation), শিল্প উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং কৃষিকাজ কার্বন নিঃস্রণের প্রধান উৎস।

বায়ুমণ্ডলে কার্বন নিঃস্রণের ক্ষতিকর প্রভাবসমূহ:

        
  • বৈশ্বিক উষ্ণায়ন (Global Warming) ও জলবায়ু পরিবর্তন (Climate Change): কার্বন ডাই অক্সাইড একটি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস। এর ঘনত্ব বৃদ্ধির ফলে বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে যায়, যা পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যায়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় এবং আবহাওয়ার চরম পরিবর্তন (Extreme weather events) যেমন তীব্র খরা, বন্যা ও ঝড় পরিলক্ষিত হয়।
  •     
  • সমুদ্রের অম্লীকরণ (Ocean Acidification): বায়ুমণ্ডলের অতিরিক্ত কার্বন ডাই অক্সাইড সমুদ্রের পানিতে মিশে কার্বনিক অ্যাসিড (Carbonic acid) তৈরি করে, যা সমুদ্রের পানিকে আরও অম্লীয় করে তোলে। এটি সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, বিশেষ করে প্রবাল প্রাচীর (Coral reefs) ও শেলফিশের (Shellfish) জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।
  •     
  • জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি (Public Health Risks): কার্বন নিঃস্রণের সাথে নির্গত অন্যান্য কণা (Particulate matter) এবং দূষণকারী পদার্থ শ্বাসযন্ত্রের রোগ (Respiratory diseases), হৃদরোগ (Cardiovascular diseases) এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হয়।
  •     
  • জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি (Loss of Biodiversity): জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী তাদের স্বাভাবিক আবাসস্থল হারায়, যা জীববৈচিত্র্যের ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়।

কার্বন নিঃস্রণ নিয়ন্ত্রণের উপায়সমূহ:

        
  • নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি (Increased Use of Renewable Energy): সৌরশক্তি (Solar energy), বায়ুশক্তি (Wind energy), জলবিদ্যুৎ (Hydroelectric power) এবং ভূ-তাপীয় শক্তির (Geothermal energy) মতো নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস ব্যবহার করে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমানো।
  •     
  • শক্তি দক্ষতা বৃদ্ধি (Increased Energy Efficiency): শিল্প, পরিবহন এবং গৃহস্থালিতে বিদ্যুতের অপচয় কমানো এবং উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা। যেমন, শক্তি সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা।
  •     
  • বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ (Afforestation and Reforestation): নতুন করে গাছ লাগানো এবং বন উজাড় বন্ধ করা। গাছপালা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে।
  •     
  • কার্বন ক্যাপচার ও স্টোরেজ (Carbon Capture and Storage - CCS): শিল্প কারখানা এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস বায়ুমণ্ডলে পৌঁছানোর আগেই ধরে ফেলে ভূগর্ভে নিরাপদে সংরক্ষণ করা।
  •     
  • টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা (Sustainable Transportation Systems): গণপরিবহনের (Public transport) ব্যবহার বৃদ্ধি, সাইক্লিং (Cycling) ও হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং বৈদ্যুতিক গাড়ির (Electric vehicles) ব্যবহার উৎসাহিত করা।
  •     
  • আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও নীতি নির্ধারণ (International Cooperation and Policy Making): প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) এর মতো আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসরণ করা এবং বিভিন্ন দেশের মধ্যে কার্বন নিঃস্রণ কমাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। সরকার কর্তৃক কার্বন ট্যাক্স (Carbon tax) বা কার্বন ট্রেডিং (Carbon trading) এর মতো নীতি প্রণয়ন।
  •     
  • কৃষি পদ্ধতির উন্নতি (Improvement in Agricultural Practices): টেকসই কৃষি পদ্ধতি যেমন, কম কার্বন নিঃসরণকারী সার ব্যবহার, মিথেন নিঃসরণ কমানো (যেমন ধানের জমিতে পানি ব্যবস্থাপনার উন্নতি) ইত্যাদি অনুশীলন করা।
Satt AI
Satt AI
1 month ago
373
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews