প্রাণী মাত্রই মরণশীল। মরণকে কেউ ফাঁকি দিতে পারে না। মরণকে কেউ প্রতিরোধ করতে পারে না।
উদ্দীপকের ঘটনা-১-এর মধ্যে রাজকুমার গৌতম বুদ্ধের শহর ভ্রমণে যাবার তৃতীয় দিনের ঘটনাটির ইঙ্গিত বহন করে। সেদিন গৌতম বুদ্ধ শহর ভ্রমণে গিয়ে দেখলেন, চার জন লোক একটি মৃতদেহ নিয়ে যাচ্ছে। পিছনে একদল লোক ক্রন্দন করছিল। কারণ জিজ্ঞাসা করলে ছন্দক বললেন, জন্ম নিলেই মৃত্যুবরণ করতে হবে। সকলেই মৃত্যুর অধীন। জরা, ব্যাধি ও মৃত্যু মানুষের অবশ্যম্ভাবী পরিণতি। কোনো প্রাণীই মৃত্যু থেকে বাঁচতে পারে না।
Related Question
View Allসিদ্ধার্থের জন্মের সাত দিন পর তাঁর মাতা রানি মহামায়া মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর দায়িত্ব নেন রানি মহাপ্রজাপতি গৌতমী। বিমাতা মহাপ্রজাপতি গৌতমী কর্তৃক লালিত-পালিত হয়েছিলেন বলে সিদ্ধার্থের অপর নাম হয় গৌতম।
সিদ্ধার্থ গৌতম চৌষট্টি রকমের লিপি, শাস্ত্রবিদ্যা, অশ্বারোহণ, রথচালনা, অসি-চালনা, যুদ্ধকৌশল এবং অন্যান্য, বিদ্যা শিক্ষালাভকরেন।
বুদ্ধ সারনাথের ঋষিপতন মৃগদাবে তাঁর পঞ্চবর্গীয় শিষ্যদের কাছে ধর্মচক্র প্রবর্তন সূত্র দেশনা করেন।
গৌতম বুদ্ধ খ্রিষ্টপূর্ব ৬২৩ অব্দে লুম্বিনী কাননে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম শুদ্ধোদন ও মাতা মহামায়া। তিনি ছিলেন বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক। তাঁর বাল্য নাম ছিল সিদ্ধার্থ। বুদ্ধত্ব লাভ করে তিনি হন গৌতম বুদ্ধ। আশি বছর বয়সে তিনি মহানির্বাণ লাভ করেন।
সিদ্ধার্থ বা গৌতম বুদ্ধের জন্মের পর অনেক জ্যোতিষী আগমন করেন। তাঁরা শিশু সিদ্ধার্থের মধ্যে বত্রিশটি সুলক্ষণ দেখতে পান এবং ভবিষ্যদ্বাণী করেন- 'এই রাজকুমার গৃহে থাকলে রাজচক্রবর্তী রাজা হবেন, সন্ন্যাস জীবন ধারণ করলে মহাজ্ঞানী বুদ্ধ হবেন।'
রাজকুমার সিদ্ধার্থ নগর ভ্রমণে বের হলে প্রথমদিন এক জরাজীর্ণ দুর্বল বৃদ্ধ লোককে দেখেন, দ্বিতীয় দিন, ব্যাধিগ্রস্ত যন্ত্রণাকাতর এক লোককে দেখেন তৃতীয় দিন এক মৃত ব্যক্তিতে, দেখেন এবং এই জরা, ব্যাধি, মৃত্যুকে দর্শন করে সিদ্ধার্থ বিষণ্ণ হয়েছিলেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!