ঘূর্ণিঝড়ের বিপদ সংকেত শোনার পর ঘরের বিদ্যুতের মেইন সুইচ বন্ধ করতে হবে এবং রান্নার চুলা নিভিয়ে দিতে হবে। জরুরি দলিলপত্র, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় ওষুধ একটি পানিরোধী কৌটা বা ব্যাগে ভরে সাথে নিতে হবে। গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগি নিরাপদ স্থানে বা উঁচুতে রেখে দ্রুত সবাই মিলে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হবে। আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পর একে অপরের প্রতি সহযোগিতার মনোভাব দেখাতে হবে এবং বড়োদের কথা মেনে চলতে হবে। সেখানে থাকাকালীন খাবার ও পানির অপচয় রোধ করতে হবে এবং দুর্যোগ না থামা পর্যন্ত কেন্দ্রের বাইরে বের হওয়া যাবে না।
Related Question
View Allবাংলাদেশে আজকাল অগ্নিকান্ডের ঘটনা বাড়ছে ।
অসতর্কতা ও অসচেতনতা আগুন লাগার প্রধান কারণ।
অগ্নিকান্ডে অনেক প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি হয়।
বসতঘর হারানো মানুষগুলো সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করতে স্থানীয় ও সরকারের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়।
ঘূর্ণিঝড় শুরুর আগে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!