সুদ-আসলের ওপর সুদ ধার্য করার প্রক্রিয়া হলো চক্রবৃদ্ধিকরণ। চক্রবৃদ্ধিকরণ পদ্ধতিতে প্রতিবার সুদাসলের ওপর সুদ ধার্য করে ভবিষ্যৎ মূল্য নির্ধারণ করা হয়। যেমন- ১০০ টাকার ওপর ১০% সুদ হলে ১ বছর পর ভবিষ্যৎ মূল্য হবে ১১০ টাকা অর্থাৎ ১০০ (১+ ০.১০)' = ১১০ টাকা। আবার, ২ বছর পর সুদ হবে ১০০ (১ + ০.১০) = ১২১ টাকা।
অর্থায়নের বেশির ভাগ সিদ্ধান্তের মূলে অর্থের সময়মূল্যের ধারণাটি জড়িত। এখনকার ১০০ টাকা আর ১০ বছর পরের ১০০ টাকা সমান মূল্য বহন করে না। অর্থের সময়মূল্যের এই ধারণা আমাদের দৈনন্দিন অর্থায়নেও প্রয়োজন। গ্রামীণ মহাজন থেকে যদি অর্থ ঋণ নেয়া হয়, তখন সে কী হারে সুদ হিসাব করে, এটা জানা থাকলে আমরা অন্যান্য উৎসের সাথে তুলনা করে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উৎস বের করে অর্থায়ন করতে পারব। ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে আমাদের ভবিষ্যতে যে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হয়, তা কীভাবে নির্ধারণ করা হয় এই সংক্রান্ত অংক আমরা এই অধ্যায়ে শিখব। এই অধ্যায়ের অংক করতে আমাদের প্রত্যেকের সাইন্টিফিক ক্যালকুলেটর লাগবে।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা -
- অর্থের সময় মূল্যের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব ।
- অর্থের বর্তমান মূল্য ও ভবিষ্যৎ মূল্যের মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয় করতে পারব।
- প্রকৃত সুদের হার নির্ণয় করার পদ্ধতির অনুশীলন
- করতে পারব। ঋণের কিস্তি নির্ণয় করার পদ্ধতি বিশ্লেষণ করতে পারব।
- সঞ্চয় স্কিমের ভবিষ্যৎ মূল্য নির্ণয় করতে পারব
Related Question
View Allবছরে একাধিকবার চক্রবৃদ্ধিতে ঋণগ্রহীতা প্রকৃতপক্ষে যে হারে সুদ প্রদান করে তাকে প্রকৃত সুদের হার বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!