সুদের হারের কারণে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সময়ের মধ্যে অর্থের মূল্যের পার্থক্য সৃষ্টি হয়।
সুদ-আসলের ওপর সুদ ধার্য করার প্রক্রিয়া হলো চক্রবৃদ্ধিকরণ। চক্রবৃদ্ধিকরণ পদ্ধতিতে প্রতিবার সুদাসলের ওপর সুদ ধার্য করে ভবিষ্যৎ মূল্য নির্ধারণ করা হয়। যেমন- ১০০ টাকার ওপর ১০% সুদ হলে ১ বছর পর ভবিষ্যৎ মূল্য হবে ১১০ টাকা অর্থাৎ ১০০ (১+ ০.১০)' = ১১০ টাকা। আবার, ২ বছর পর সুদ হবে ১০০ (১ + ০.১০) = ১২১ টাকা।
জনাব আলীমের অর্থের ভবিষ্যৎ মূল্য নির্ণয়:
আমরা জানি, FV = PV (১ + i)
এখানে, বর্তমান মূল্য, PV = ২,০০,০০০ টাকা
সুদের হার,। ১৩% = ০.১৩
মেয়াদ, n = ৬ বছর
FV = ২,০০,০০০ (১+০.১৩)
= ২,০০,০০০ × ২,০৮১৯
= ৪,১৬,৩৮০ টাকা
সুতরাং জনাব আলীম চক্রবৃদ্ধি প্রক্রিয়ায় ৬ বছর পর ৪,১৬,৩৮০ টাকা পাবেন।
উত্তর: ৪,১৬,৩৮০ টাকা)
অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জনাব আলীমের সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি যৌক্তিক। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে অর্থের সময়মূল্যের গুরুত্ব অপরিসীম। কেননা অর্থায়নের বেশিরভাগ সিদ্ধান্তের মূলে অর্থের সময়মূল্যের ধারণাটি জড়িত। অর্থের সময়মূল্যের মাধ্যমে খুব সহজেই কোনো প্রকল্প মূল্যায়ন বা এর সুযোগ ব্যয় নির্ধারণ করা যায়।
উদ্দীপকে আলীম সাহেবের কাছে দুটি বিকল্প ছিল। প্রথমত, তিনি তার সঞ্চিত ২ লক্ষ টাকা একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের দ্বিগুণ হওয়ার পলিসিতে রাখতে পারতেন। দ্বিতীয়ত, ১৩% মুনাফায় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে পারতেন। উভয় বিনিয়োগেরই মেয়াদকাল ৬ বছর। আলীম সাহেব ১৩% মুনাফায় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করার প্রকল্পটি বেছে নেন।
জনাব আলীম সাহেব যদি প্রথম প্রকল্পটি বেছে নেন তাহলে ৬ বছর পর বিনিয়োগ দ্বিগুণ হওয়ায় মোট মূল্য হবে ৪ লক্ষ টাকা। 'গ' নং অনুযায়ী দেখা যায়, ১৩% মুনাফায় একই মেয়াদে সঞ্চয়পত্রের ভবিষ্যৎ মোট মূল্য হবে ৪,১৬,৩৮০ টাকা। অর্থাৎ প্রথম প্রকল্পের চেয়ে প্রায় ১৬,৩৮০ টাকা বেশি পাওয়া যায়। সুতরাং অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জনাব আলীম সাহেব বাণিজ্যিক ব্যাংকের দ্বিগুণ পলিসিতে বিনিয়োগ না করে
Related Question
View Allবছরে একাধিকবার চক্রবৃদ্ধিতে ঋণগ্রহীতা প্রকৃতপক্ষে যে হারে সুদ প্রদান করে তাকে প্রকৃত সুদের হার বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
