চক্রে উল্লিখিত উপাদানগুলো ব্যবহার করে একটি সুষম খাদ্য তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে অনুসরণীয় বিষয়াবলী নিচে ব্যাখ্যা করা হলো
i. সুষম খাদ্য তালিকা তৈরির সময় মানুষের বয়স, লিজাভেদ, কী রকম কাজ করে অর্থাৎ অধিক পরিশ্রমী, মাঝারি পরিশ্রমী, স্বর পরিশ্রমী ইত্যাদি বিবেচনা করা দরকার।
ii. বয়স, কাজকর্ম, নারী-পুরুষ ভেদে খাদ্যের চাহিদা ও খাওয়ার বুড়ি ভিন্ন হয়। মেনু পরিকল্পনার সময় এ দিকগুলো লক্ষ রেখে খাদ্যতালিকা প্রস্তুত করতে হবে।
iii. আবহাওয়া ও মৌসুম মেনু পরিকল্পনার ওপর প্রভাব বিস্তার করে। মেনুতে সহজলভ্য মৌসুমি খাদ্যদ্রব্য অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এতে পরিবারের সদস্যদের ভিটামিন ও খনিজ লবণের চাহিদা পূরণ হবে।
iv. মেনুতে দেহ গঠনের উপযোগী খাদ্য রাখতে হবে। মাছ, মাংস ডিম, দুধ, ডাল আমাদের দেহ গঠন করে থাকে। মেনু পরিকল্পনার সময় এ দিকটি লক্ষ রাখতে হবে।
V. মেনুতে শক্তি ও তাপ সরবরাহকারী খাদ্য যেমন- চাল, গম, আলু, গুড়, চিনি পরিমাণমতো আছে কি না, তা খেয়াল রাখতে হবে।
vi. মেনুতে প্রয়োজন অনুযায়ী পুষ্টিমান ও ক্যালরি-সংবলিত খাবার আছে কি না সে সম্বন্ধে চিন্তা করতে হবে।
vii. খাদ্য সুষম হয়েছে কি না, মেনু পরিকল্পনার সময় তা লক্ষ রাখতে হবে।
viii. খাদ্য গ্রহণ নির্ভর করে খাদ্যাভ্যাসের ওপর। মেনু পরিকল্পনার সময় খাদ্যাভ্যাস সম্বন্ধে চিন্তা করতে হবে।
ix. পরিবারের আর্থিক সঙ্গতির দিক চিন্তা করে মেনু প্রস্তুত করতে হবে। পরিমিত খরচে খাদ্য সংগ্রহ করার দিকে লক্ষ রাখতে হবে।
x. খদ্যে কীভাবে বৈচিত্র্য আনা যায়, মেনু পরিকল্পনার সময় এ দিকটিও ভাবতে হবে।
xi. মেনু পরিকল্পনার সময় খাদ্য যেন অপচয় না হয় এ দিকটিও লক্ষ রাখতে হবে।
Related Question
View Allকীভাবে ভর সূচি বা BMI নির্ণয় করা হয়?
ভর সূচি নির্ণয়ের সূত্র হলো: ভর সূচি = ওজন (কেজি) / (উচ্চতা (মি) x উচ্চতা (মি))।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তির ওজন ৭০ কেজি এবং উচ্চতা ১.৭৫ মিটার হয়, তাহলে তার ভর সূচি হবে: ভর সূচি = ৭০ / (১.৭৫ x ১.৭৫) = ৭০ / ৩.০৬২৫ ≈ ২২.৮৬।
ভর সূচির ব্যবহার
প্রাপ্ত ভর সূচির মান ব্যবহার করে স্বাস্থ্যকর ওজন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো সাধারণত এই মান ব্যবহার করে ওজন-সম্পর্কিত রোগ বা স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্ভাবনা মূল্যায়ন করে থাকে।
জেরোফথ্যালমিয়া ভিটামিন 'এ' এর অভাব জনিত একটি রোগ। জেরোফথ্যালমিয়ায়, বিটোটের দাগগুলি কনজাংটিভাল জেরোসিসের পরে দেখা দেয়। ভিটামিন 'এ'-এর অভাবে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জেরােফথ্যালমিয়া নামক রােগ হয়। যখন ভিটামিন এ-এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়,তখন চোখের কর্নিয়ায় আলসার সৃষ্টি হয় সে অবস্থাকে জেরপথ্যালমিয়া বলে।
ফল, শাকসবজি, শস্যদানা ইত্যাদি উপস্থিত সেলুলোজ নির্মিত আঁশ বা তন্তুর ন্যায় অপাচ্য অংশই হলো রাফেজ।
খাদ্যপ্রাণ বলতে সাধারণত জীবিত প্রাণী বোঝায়। অর্থাৎ, যে সকল প্রাণী খাদ্য গ্রহণ করে, বৃদ্ধি পায়, প্রজনন করে এবং পরিবেশের সাথে যোগাযোগ করে তাদেরকে খাদ্যপ্রাণ বলা হয়।
খাদ্যপ্রাণের কিছু উদাহরণ:
- মানুষ: আমরা খাদ্য গ্রহণ করে শক্তি পাই এবং বেঁচে থাকি।
- প্রাণী: সকল প্রাণী, যেমন সিংহ, হাতি, পাখি, মাছ ইত্যাদি।
- পোকামাকড়: মশা, মাছি, পিঁপড়া ইত্যাদি।
- উদ্ভিদ: উদ্ভিদ সূর্যের আলো, পানি এবং মাটি থেকে খাদ্য তৈরি করে।
খাদ্যপ্রাণের মূল বৈশিষ্ট্য:
- জীবন: খাদ্যপ্রাণের মধ্যে জীবনের উপস্থিতি থাকে।
- বৃদ্ধি: খাদ্য গ্রহণ করে খাদ্যপ্রাণ বৃদ্ধি পায়।
- প্রজনন: খাদ্যপ্রাণ নিজের প্রজাতির বংশ বিস্তার করে।
- পরিবেশের সাথে যোগাযোগ: খাদ্যপ্রাণ পরিবেশের সাথে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করে।
খাদ্যপ্রাণের শ্রেণিবিন্যাস:
খাদ্যপ্রাণকে বিভিন্ন ভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। যেমন:
- খাদ্যের ধরনের উপর ভিত্তি করে: শাকসভী, মাংসাশী, সর্বভুক ইত্যাদি।
- বাসস্থানের উপর ভিত্তি করে: স্থলচর, জলচর, উড়ুচর ইত্যাদি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!