চাঁদকে একটি সুষম গোলক বিবেচনা করা হলো। ধরা যাক চাদের কেন্দ্র হতে 2x10m উচ্চতায় একটি কৃত্রিম উপগ্রহ ঘূর্ণনরত আছে। চাঁদের পরিধি = 10.048×106m এবং ঘনত্ব = 1742.3 kgm-3

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

পার্কিং কক্ষপথ হলো এমন একটি মধ্যবর্তী কক্ষপথ যেখানে একটি মহাকাশযানকে তার চূড়ান্ত কক্ষপথে প্রবেশের পূর্বে সাময়িকভাবে স্থাপন করা হয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে \(h\) উচ্চতায় অভিকর্ষজ ত্বরণ \(g_h\) এর মান যে সূত্র মেনে চলে তা হলো:

\[g_h = g \left(\frac{R}{R+h}\right)^2\]

এখানে, \(g\) হলো পৃথিবী পৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ, \(R\) হলো পৃথিবীর ব্যাসার্ধ এবং \(h\) হলো ভূপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা। এই সূত্রানুযায়ী, ভূপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান হ্রাস পায়, কারণ \(R+h\) এর মান বৃদ্ধি পাওয়ায় ভগ্নাংশটির মান কমে যায় এবং এর বর্গের মান আরও বেশি কমে যায়, ফলে \(g_h\) এর মান কমে যায়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

চাঁদের পরিধি থেকে এর ব্যাসার্ধ (R) এবং প্রদত্ত ঘনত্ব (\(\rho\)) থেকে চাঁদের ভর (M) নির্ণয় করতে হবে। এখানে, চাঁদের পরিধি, \(C = 10.048 \times 10^6 \text{ m}\) এবং চাঁদের ঘনত্ব, \(\rho = 1742.3 \text{ kgm}^{-3}\)।

প্রথমে চাঁদের ব্যাসার্ধ নির্ণয় করা যাক: \(R = \frac{C}{2\pi} = \frac{10.048 \times 10^6}{2 \times 3.14159} \approx 1.60 \times 10^6 \text{ m}\)। এরপর চাঁদের ভর \(M = \rho \times \frac{4}{3}\pi R^3\) সূত্র ব্যবহার করে নির্ণয় করা হয়। চাঁদের ভর, \(M = 1742.3 \times \frac{4}{3} \times \pi \times (1.60 \times 10^6)^3 \approx 2.99 \times 10^{22} \text{ kg}\)। উদ্দীপকে কৃত্রিম উপগ্রহের উচ্চতা "চাদের কেন্দ্র হতে 2x10m" উল্লেখ করা হয়েছে। চাঁদের ব্যাসার্ধের (\(1.60 \times 10^6 \text{ m}\)) তুলনায় এটি একটি অস্বাভাবিক ছোট দূরত্ব, যা নির্দেশ করে উপগ্রহটি চাঁদের পৃষ্ঠের নিচে ঘূর্ণনরত। যেহেতু এটি একটি কৃত্রিম উপগ্রহের কক্ষপথ, তাই এটি বাস্তবসম্মত নয়। এই অসঙ্গতি দূর করার জন্য, আমরা ধরে নিচ্ছি যে কক্ষপথের ব্যাসার্ধটি সম্ভবত \(2 \times 10^6 \text{ m}\) হবে, যা চাঁদের ব্যাসার্ধের চেয়ে বেশি এবং একটি কার্যকর কক্ষপথের জন্য যুক্তিযুক্ত।

সুতরাং, কৃত্রিম উপগ্রহটির কক্ষপথের ব্যাসার্ধ, \(r = 2 \times 10^6 \text{ m}\)। কক্ষপথে ঘূর্ণনরত কৃত্রিম উপগ্রহের রৈখিক বেগ (v) নির্ণয়ের সূত্র হলো \(v = \sqrt{\frac{GM}{r}}\), যেখানে \(G\) হলো মহাকর্ষীয় ধ্রুবক যার মান \(6.674 \times 10^{-11} \text{ N m}^2 \text{ kg}^{-2}\)। এখন মানগুলো বসিয়ে পাই:

\[v = \sqrt{\frac{(6.674 \times 10^{-11} \text{ N m}^2 \text{ kg}^{-2}) \times (2.99 \times 10^{22} \text{ kg})}{2 \times 10^6 \text{ m}}}\] \[v = \sqrt{\frac{19.94626 \times 10^{11}}{2 \times 10^6}}\] \[v = \sqrt{9.97313 \times 10^5}\] \[v = \sqrt{997313}\] \[v \approx 998.65 \text{ m/s}\]

অতএব, কৃত্রিম উপগ্রহটির রৈখিক বেগের মান প্রায় \(998.65 \text{ m/s}\) (মিটার প্রতি সেকেন্ড)।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তুকে যদি কোনো মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র থেকে চিরতরে মুক্ত করতে হয়, তবে তাকে একটি নির্দিষ্ট ন্যূনতম বেগে নিক্ষেপ করতে হয়, যা মুক্তিবেগ (Escape velocity) নামে পরিচিত। এই বেগের চেয়ে বেশি বেগে নিক্ষেপ করলে বস্তুটি মহাকর্ষীয় আকর্ষণ কাটিয়ে অসীমে চলে যায়। এই প্রশ্নটিতে চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে উৎক্ষেপিত কৃত্রিম উপগ্রহের চূড়ান্ত পরিণতি বিশ্লেষণ করতে এর উৎক্ষেপণ বেগ এবং চাঁদের মুক্তিবেগের তুলনা করতে হবে।

উদ্দীপকে প্রদত্ত তথ্য থেকে চাঁদের পরিধি \(C = 10.048 \times 10^6 \text{ m}\) এবং ঘনত্ব \(\rho = 1742.3 \text{ kgm}^{-3}\)।

প্রথমে চাঁদের ব্যাসার্ধ \(R\) নির্ণয় করি:

\(C = 2\pi R\)

\(R = \frac{C}{2\pi} = \frac{10.048 \times 10^6}{2 \times 3.14159} \approx 1.600 \times 10^6 \text{ m}\)

এবার চাঁদের আয়তন \(V\) নির্ণয় করি:

\(V = \frac{4}{3}\pi R^3 = \frac{4}{3} \times 3.14159 \times (1.600 \times 10^6)^3 \approx 1.7107 \times 10^{19} \text{ m}^3\)

চাঁদের ভর \(M\) নির্ণয় করি:

\(M = \rho V = 1742.3 \times 1.7107 \times 10^{19} \approx 2.980 \times 10^{22} \text{ kg}\)

চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে মুক্তিবেগ \(v_e\) নির্ণয় করি:

\(v_e = \sqrt{\frac{2GM}{R}}\)

এখানে, \(G = 6.674 \times 10^{-11} \text{ N m}^2 \text{ kg}^{-2}\) (মহাকর্ষীয় ধ্রুবক)।

\(v_e = \sqrt{\frac{2 \times 6.674 \times 10^{-11} \times 2.980 \times 10^{22}}{1.600 \times 10^6}}\)

\(v_e = \sqrt{\frac{3.9755 \times 10^{12}}{1.600 \times 10^6}} = \sqrt{2.4847 \times 10^6}\)

\(v_e \approx 1576.3 \text{ m/s} = 1.5763 \text{ km/s}\)

প্রশ্নানুযায়ী, কৃত্রিম উপগ্রহটিকে \(1.7538 \text{ kms}^{-1}\) বেগে চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এটিই উপগ্রহটির উৎক্ষেপণ বেগ (\(v_L\))।

আমরা দেখতে পাচ্ছি, উৎক্ষেপণ বেগ \(v_L = 1.7538 \text{ km/s}\) এবং চাঁদের মুক্তিবেগ \(v_e = 1.5763 \text{ km/s}\)। যেহেতু \(v_L > v_e\), অর্থাৎ উৎক্ষেপণ বেগ চাঁদের মুক্তিবেগের চেয়ে বেশি, তাই কৃত্রিম উপগ্রহটি চাঁদের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ কাটিয়ে চিরতরে অসীমে চলে যাবে। এটি আর চাঁদের দিকে ফিরে আসবে না বা এর কক্ষপথেও ঘুরবে না।

উপসংহারে বলা যায়, চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে \(1.7538 \text{ kms}^{-1}\) বেগে উৎক্ষেপণ করা হলে কৃত্রিম উপগ্রহটি চাঁদের মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র থেকে মুক্ত হয়ে যাবে এবং মহাকাশে তার যাত্রা অব্যাহত রাখবে। এই বিশ্লেষণ নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র এবং শক্তি সংরক্ষণশীলতার নীতির উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
312

৭.১ সূচনা

Introduction

গ্রহ-নক্ষত্রের প্রকৃতি, স্বরুপ, গতিবিধি ইত্যাদি সম্পর্কে প্রাচীনকাল থেকেই বিজ্ঞানীদের অপরিসীম কৌতূহল ছিল। বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ টাইকো ব্র (Tycho Brahe), জোহান্স কেপলার (Johannes Kepler) গ্রহ, নক্ষত্রের গতিবিধি সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। কেপলার প্রথম উপলব্ধি করেন যে গ্রহগুলো কোন এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরত ঘুরছে। কিন্তু কি ধরনের বল ক্রিয়াশীল তা সঠিকভাবে বোঝাতে সমর্থ হননি। 1681 খ্রিস্টাব্দে মহাবিজ্ঞানী স্যার আইজাক নিউটন (Sir Isaac Newton) প্রথম “মহাকর্ষ সূত্র' আবিষ্কার করে এ সমস্যার সমাধান করেন। কথিত আছে, নিউটন তাঁর গৃহ-সংলগ্ন বাগানে একটি আপেল গাছের নিচে বসে বই পড়ছিলেন। এমন সময় একটি আপেল তাঁর নিকটে মাটিতে পড়ে। তিনি ভাবলেন গাছের উপরে ফাঁকা, নিচে ফাঁকা, ডানে ফাঁকা এবং বামেও ফাঁকা। আপেল ফল মাটিতে পড়ল কেন ? এই 'কেন' এর উদ্ঘাটন করতে গিয়ে তিনি মহাকর্ষ (Gravitation) এবং অভিকর্ষ (Gravity) আবিষ্কার করেন এবং সূর্যের চারদিকে গ্রহ-উপগ্রহের আবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করেন। এ অধ্যায়ে আমরা মহাকর্ষ, অভিকর্ষ, নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তি বেগ, কেপলারের সূত্র, গ্রহের গতি ইত্যাদি আলোচনা করব।

৭.২ মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ

Gravitation and gravity

বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আইজাক নিউটন আবিষ্কার করেন যে এ মহাবিশ্বের যে কোন দুটি বস্তু বা বস্তু কণার মধ্যে একটি পারস্পরিক আকর্ষণ রয়েছে। দুটি বস্তু বা বস্তুকণার মধ্যকার এই পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে কখনও মহাকর্ষ আবার কখনও অভিকর্ষ বলা হয়। 

এ দুটি বলের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তাহলে প্রশ্ন জাগে মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ কি ? এদের সংজ্ঞা নিম্নে দেয়া হল : 

মহাকর্ষ : “নভোমণ্ডলে অবস্থিত দুটি বস্তু বা বস্তুকণার মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বলে।

অভিকর্ষ : “পৃথিবী এবং অন্য একটি বস্তু বা বস্তুকণার মধ্যকার আকর্ষণ বলকে অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলে।” 

উদাহরণ :

 সূর্য এবং চন্দ্রের মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলের নাম মহাকর্ষ, অপর পক্ষে পৃথিবী ও চন্দ্রের মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলই অভিকর্ষ। আরও সোজা ভাষায় বলা যায় পৃথিবী এবং আম গাছের একটি আমের মধ্যকার যে আকর্ষণ বল তা অভিকর্ষ। কিন্তু একই আম গাছের দুটি আমের মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলের নাম মহাকর্ষ।

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews