উদ্দীপকের অণুটি হলো DNA। এটি অসংখ্য জিনের দ্বারা গঠিত হয়। বংশগতির প্রয়োজনে প্রতিটা জীব অনুরূপ জীবের জন্ম দেয়। এর সবই হয় জিনের দ্বারা। জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক এই জিন। DNA বংশগত বৈশিষ্ট্যগুলো পরবর্তী বংশে সঞ্চালিত করে। DNA শিকল লম্বালম্বিভাবে স্ববিভাজনের দ্বারা ভাগ হয়ে পরিপূরক দুটি পার্শ্ব কাঠামো গঠিত হয়। এভাবে একটা DNA ভেঙ্গে দুটি নতুন অণু গঠিত হয়। নতুনভাবে সৃষ্ট প্রতিটা অণুতে থাকে একটা পুরাতন ও একটা নতুন DNA এর পার্শ্ব কাঠামো। যার ফলে প্রতিটি নতুন DNA অণু হয় মূলটির হুবহু অনুলিপি। এভাবে DNA অণুতে রক্ষিত জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্যের সাংকেতিক নীলনকশা পরিবর্তন ছাড়াই সংরক্ষিত হয় এবং পরবর্তী প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়।
বংশগতির ধারা বজায় রাখার পাশাপাশি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ও উক্ত ডিএনএ-এর ভূমিকা রয়েছে। এ পদ্ধতিতে ভ্যাকসিন, হরমোন, এন্টিবায়োটিক প্রভৃতি উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। এতে মানুষের জীবন বাঁচছে ও দীর্ঘায়ু হচ্ছে। কৃষি ক্ষেত্রেও এই প্রযুক্তি বিপ্লব সাধন করেছে।
টিস্যু কালচারের মাধ্যমে অনুচারা তৈরি করায় প্রজাতির ধারা রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে। এছাড়া অধিক ফলনশীল জাতের উদ্ভিদ উৎপাদনসহ জীবাণু ও পোকা-মাকড়বিরোধী ফসল উৎপাদনের কারণে খাদ্যসংকট বহুলাংশেই সমাধান করা সম্ভব হয়েছে। এসবই রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তি তথা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর অবদান।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ডিএনএ বংশগতির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যাবলী নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এ ও ভূমিকা রাখে
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!