চৌ (ব্যাস বাক্যসহ সমাস নির্ণয় করুন)

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ চৌ কোনো সমাসবদ্ধ পদ নয়। এটি একটি সংখ্যাবাচক উপসর্গ।

বাংলা ব্যাকরণে ‘চৌ’ একটি সংখ্যাবাচক উপসর্গ, যার অর্থ ‘চার’। উপসর্গ বা সংখ্যাবাচক শব্দ সাধারণত এককভাবে সমাসবদ্ধ পদ হিসেবে বিবেচিত হয় না। সমাস গঠিত হয় একাধিক পদ মিলে একটি নতুন পদ তৈরি করলে এবং তার একটি ব্যাসবাক্য থাকলে। যেহেতু ‘চৌ’ নিজে কোনো পদগুচ্ছ বা সমাসবদ্ধ পদ নয়, তাই এর এককভাবে ব্যাসবাক্য বা সমাস নির্ণয় করা যায় না।

তবে, ‘চৌ’ উপসর্গটি অন্য পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন সমাস গঠন করে, যার মধ্যে ‘দ্বিগু সমাস’ ও ‘বহুব্রীহি সমাস’ উল্লেখযোগ্য।

        
  • দ্বিগু সমাস: যখন ‘চৌ’ উপসর্গটি কোনো বিশেষ্য পদের পূর্বে বসে সংখ্যা বা সমষ্টি বোঝায়, তখন সেটি দ্বিগু সমাস হয়। যেমন:         
                  
    • চৌরাস্তা = চার রাস্তার সমাহার (দ্বিগু সমাস)
    •             
    • চৌমাথা = চার মাথার সমাহার (দ্বিগু সমাস)
    •             
    • চৌদ্দ = চার ও দশের সমাহার (দ্বিগু সমাস)
    •         
        
  •     
  • বহুব্রীহি সমাস: যখন ‘চৌ’ উপসর্গটি অন্য পদের সাথে যুক্ত হয়ে এমন একটি পদ গঠন করে যা তৃতীয় কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়, তখন তা বহুব্রীহি সমাস হয়। যেমন:         
                  
    • চৌচালা = চার চালা যার (বহুব্রীহি সমাস)
    •             
    • চৌকাঠ = চার কাঠ দ্বারা নির্মিত যা (বহুব্রীহি সমাস, যদি কাঠ দ্বারা তৈরি কাঠামো বোঝায়)
    •         
        

অতএব, ‘চৌ’ নিজে সমাসবদ্ধ পদ না হলেও এটি সমাস গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
343

যে সমাসে সমস্যমান পদসমূহে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক বিশেষণ হয় এবং উত্তর পদ বিশেষ্য থাকে তাকে দ্বিগু সমাস বলে। অথবা সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদে যে সমাস হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাস সর্বদা সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়।

লক্ষনীয়ঃ পূর্বপদে সংখ্যাবাচক শব্দ থাকলে, ওই শব্দ দিয়ে যদি সমাহার বা সমষ্টি  না বোঝায়  এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য না পায়, তবে তা দ্বিগু সমাস নয়। অর্থের দিক থেকে দ্বিগু সমাসে পরপদের অর্থই  প্রধান। 

সমাসবদ্ধ শব্দটির বিশেষণ হলে বা পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে তৃতীয় কোনো অর্থ প্রাধান্য পেলে তা হবে বহুব্রীহি সমাস।  যেমনঃ তে (তিন)  পায়া যায় = তেপায়া; দোনলা, ত্রিনয়ন

উভয় পদের অর্থ প্রদান হলে তা হবে দ্বন্দ্ব সমাস।  যেমনঃ সাতপাঁচ।

সমষ্টি বা সমাহার না বুঝিয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হলেন কর্মধারায় সমাস হয়। যেমনঃ চতুর্দোলা।

দ্বিগু সমাস নির্ণয়ের সহজ উপায়

দ্বিগু সমাসে সাধারণত প্রথম পদটি সংখ্যাবাচক হয় এবং পর পদটি হবে বিশেষ্য।

সমস্তপদটি দ্বারা সমষ্টি বা সমাহার বোঝায় এবং সমস্তপদটি বিশেষ্য পদ হয়। যেমনঃ তে (তিন) মাথার সমাহার = তেমাথা,  নব (নয় ) রত্নের সমাহার = নবরত্ন ইত্যাদি। 

দ্বিগু সমাস কখনো অ-কারান্ত হলে আ-কারান্ত হলে বা ই-কারান্ত হয়। যেমনঃ শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী। এ রুপ - ত্রিপদী, পঞ্চনদ (নদী নয়)।

Related Question

View All
উত্তরঃ

শতাব্দীঃ শত অব্দের সমাহার (দ্বিগু সমাস)।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
310
উত্তরঃ

চৌচালা = চৌ (চার) চাল যে ঘরের = সংখ্যাবাচক বহুবীহি।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
729
307
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews